1

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং আপনার জন্য ভালো একটি ক্যারিয়ার হবে কিনা- তা এখনি জানেনিন

বর্তমান যুগ ইন্টারনেটের যুগ। এখন ঘরে বসে মানুষ বিশ্বের প্রায় সব কাজ করছে। বলা যায়- পৃথিবী এখন হাতের মুঠোয়। এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে যে ব্যবসায়িক মাধ্যম গড়ে উঠেছে সেটাই হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং। এককথায় বলা যায়, ডিজিটাল মার্কেটিং হলো- ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে পণ্য, প্রতিষ্ঠান বা ব্র্যান্ডের প্রচারণাকে বোঝায়। ইন্টারনেট ব্যবস্থা ডিজিটাল মার্কেটিং-এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। যেমন- গুগল, ইউটিউব, বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ফেসবুকসহ নানা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

মূলত মার্কেটিং হচ্ছে- যে কোনও পণ্য অথবা সার্ভিস এর প্রমোশন করা, প্রচার করা এবং ওই পণ্যের ক্রেতা তৈরি করা। এই মার্কেটিং আপনি যখন অনলাইনে করবেন সেটা হবে- “ডিজিটাল মার্কেটিং”। আপনি যখন এই “ডিজিটাল মার্কেটিং” স্কিলটা নিজের কোনও প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিসের বিক্রয় ও প্রমোশনের জন্য ব্যবহার করবেন, তখন সেটা হবে ইন্টারনেট মার্কেটিং। আর আপনি যখন আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং স্কিলটা ব্যবহার করে অন্য কারও প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিস কমিশন ভিত্তিক প্রমোশন করবেন, সেটা হবে- অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে ক্যারিয়ার
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং আপনার জন্য ভালো একটি ক্যারিয়ার হবে কিনা- তা এখনি জানা যাবে। নিচে লেখা সবগুলো বিষয় যদি আপনার সাথে মিলে যায়, তাহলে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং আপনার জন্য। আর একটি যদি না মিলে, যত দিন আপনি ওই জিনিসটি মেলাতে না পারবেন, ভালো মার্কেটার হতে ওই একটি বাঁধা আপনার রয়ে যাবে।

বিষয়গুলো হলো:
-কম্পিউটারটি আমার মন মতো, এই কম্পিউটারে আমি কাজ করে আনন্দ পাই।
-আমার ইন্টারনেট লাইনটি আনলিমিটেড, আর আমি সহজেই ইউটিউবে কোনরকম ঝামেলা ছাড়াই ভিডিও দেখতে পারি।
-আমার একটি প্রিন্টার আছে।
-আমার একটি আলাদা কাজের জায়গা আছে, আর কাজের সময় কেউ আমাকে ডিস্টার্ব করে না।
-আমি স্বপ্ন দেখতে পছন্দ করি, আর স্বপ্ন সত্যি করার জন্য আমি নিরলস পরিশ্রম করতে রাজি।
-আমার ইংরেজি দক্ষতা খুবই ভালো, আমি যা শুনি সহজেই বুঝি, আর আমি কোনও সমস্যা ছাড়া ইংরেজি লিখতে পারি।
-নতুন বিষয়ে পড়াশোনা করতে, গবেষণা করতে আমার ভালো লাগে।
-খুব সূক্ষ্ম ভুলও আমার চোখ এড়ায় না, যা করি একদম ভালোভাবে করি।
-বন্ধু, আড্ডা, খেলাধুলা, বেড়ানো- এ সবকিছুর চেয়ে বেশি আমি আমার ক্যারিয়ারকে মূল্য দেই।
-আমি কখনওই হার মানি না, একটি কাজ শুরু করলে সেটা শেষ করেই ছাড়ি।
-আমি প্রতিদিন অন্তত ৩ ঘণ্টা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে কাজ করতে পারব।
-আমার হাতে ২০-২৫ হাজার টাকা আছে, যা শেখার কাজে শেষ হলেও কোনও অসুবিধা নাই।
-অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে এখনি উপার্জনের চেয়ে ভালোভাবে শেখাটা আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
-মানুষের মন-মানসিকতা ও চিন্তাধারা (Customer Phycology) সম্পর্কে জানতে ভালো লাগে।
-যে কোনও কিছু সম্পর্কে আমি বিস্তারিত তথ্য খুঁজে বের করতে পারি গুগল থেকে।
-আমার মধ্যে লোভ খুব একটা কাজ করে না। তাড়াতাড়ি বড়লোক হওয়াতে আমি বিশ্বাসী না।
-আমি জানি আমি পারব, আমি সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী, সামনের বছর এই সময় আমি একজন সফল মার্কেটার হয়ে দেখাব।

উপরের এ সবগুলো বিষয় যদি আপনার সাথে মিলে যায়, তাহলে- অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে আপনি সফল হবেন-ই, ইনশাআল্লাহ।




ই-কমার্স ব্যবসা শুরুর আগে করণীয়

অনলাইনের প্রচার ও প্রসার যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে ব্যবসার সুযোগ। অনলাইনের বাজারে পরিচিত হয়ে ওঠা নাম ই-কমার্স। এর পূর্ণ রূপ ‘ইলেকট্রনিক কমার্স’। ই-কমার্স মানে হচ্ছে ইন্টারনেটে একটি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয়ের প্রক্রিয়া। ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করার আগে কিছু বিষয়ে কাজ করে নেওয়া ভালো। ফোর্বস জানিয়েছে এ বিষয়ে কিছু পরামর্শ। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক সে বিষয়গুলো।

১. পণ্য নির্বাচন, দাম এবং ডেলিভারি সিস্টেম

ই-কমার্স ব্যবসা শুরুর প্রথম ধাপে মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে সঠিক পণ্য নির্বাচন করা। পণ্য নির্বাচনে অন্যদের তুলনায় আপনার মার্কেট স্ট্র্যাটেজিতে পার্থক্য করতে পারলে এগিয়ে থাকার সম্ভাবনা বেশি। মনে রাখবেন, ব্যবহারকারীরা সব সময় ভিন্নতা পছন্দ করেন। আপনার পণ্যটি কেমন বিক্রি হতে পারে, তা পণ্যের দাম, ডিসকাউন্ট এবং স্থানীয় বাজারে এর প্রাপ্যতার ওপর নির্ভর করে।

পণ্যের দামটি এমনভাবে ঠিক করবেন, যাতে আপনি পণ্যটিকে বর্তমান বাজারের থেকে কম দামে বিক্রি করতে পারেন এবং খেয়াল রাখতে হবে, যাতে আপনার পণ্যের বিনিয়োগ যেন ফেরত আসে। এ প্রক্রিয়াকে বলা হয় ‘রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট’। বাজার বিবেচনা সাপেক্ষে প্রয়োজনে প্রতিটি পণ্যের ওপর আপনি কত শতাংশ মূল্যহ্রাস দিতে পারবেন, তা আপনাকে পণ্য কেনার পূর্বে হিসাব করতে হবে। যেসব পণ্যের চাহিদা ভালো, কিন্তু স্থানীয় প্রাপ্যতা কম, এ ধরনের পণ্য রাখতে পারেন। তাহলে বিক্রির সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

এ ব্যবসার একটা বড় বিষয় হচ্ছে ভোক্তার কাছে পণ্যটি সঠিক সময়ে পৌঁছে দেওয়া। পণ্যের ডেলিভারির জন্য আপনি কয়েকজন ব্যক্তি নিয়োগ করতে পারেন। এ কাজে পার্টটাইমার হিসেবে শিক্ষার্থীদের কাজে লাগাতে পারেন। এতে তাদের লেখাপড়ার পাশাপাশি বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হবে এবং আপনিও কম খরচে ভালো কর্মী পাবেন।

২. ভালো পণ্য খুঁজে বের করা

আপনি যে পণ্যের মাধ্যমে শুরু করুন না কেন, অবশ্যই পণ্যের গুণগত মানের দিকে সর্বোচ্চ নজর দিতে হবে। যেমন—গ্যাজেট বা ইলেকট্রনিক পণ্যের ক্ষেত্রে মূল উৎপাদনকারীর থেকে জোগাড় করতে পারলে ভালো। কারণ, এতে পণ্যের ওয়ারেন্টি বা গ্যারান্টি ঠিকভাবে ব্যবহারকারীদের দেওয়া সম্ভব হয়। সরাসরি উৎপাদনকারীর কাছ থেকে পণ্য সংগ্রহ করা গেলে সেটা খরচ যেমন কমিয়ে আনে, তেমনি ভালো পণ্যের নিশ্চয়তা দেয়।

৩. ওয়েব সাইট তৈরি

আপনার পণ্যের ওপর ভিত্তি করে আপনাকে দৃষ্টিনন্দন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। তার জন্য আপনি দেশের ই-কমার্স সাইটগুলো দেখতে পারেন। যেমন : esho.com, priyoshop.com, akhoni.com, ajkerdeal.com, rokomari.com ইত্যাদি। তবে ওয়েবসাইট তৈরির ক্ষেত্রে অনেক বিষয়ের মধ্যে আপনাকে দুটি বিষয়ে মনোযোগী হতে হবে।

ডোমেইন নাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে যত সুন্দর, সহজ এবং ছোট নাম ঠিক করা যায়, ততই ভালো। এতে নামটা মানুষের মনেও থাকবে, সে সঙ্গে ইন্টারনেটে সার্চ দিলে সহজেই খুঁজে পাওয়া যাবে। আপনি আপনার প্রয়োজন অনুসারে সব ফিচার নির্বাচন করবেন। কিন্তু একটি ব্যাপার খেয়াল রাখবেন, যাতে আপনার সার্ভারে কমপক্ষে একসঙ্গে ১০ লাখ ইউজার সাবস্ক্রাইব করতে পারেন, এতে যেন সার্ভারের গতি কমে না যায়। ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম নির্বাচনের ক্ষেত্রে অবশ্যই কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করবেন, এর ফলে আপনার সকল কনটেন্ট গুছিয়ে রাখতে সুবিধা হবে। কনটেন্ট ম্যানেজমেন্টের সুবিধার জন্য অনেক ধরনের প্ল্যাটফর্ম রয়েছে, যেমন—ওয়ার্ডপ্রেস, হাবস্পট, জুমলা, ধ্রুপাল, এবং ম্যাজেন্টো।

 

Your Online Business Partner.

ডোমেইন রেজিঃ করুন মাত্র ৪৯ টাকায়…

.com, .net, .org, .me, .media, domains, .computer, .digital, .ltd, .school, .university, .clinic, .tv, xyz, .help সহ আরো প্রায় ১৫০০ নতুন ডোমেইন পাওয়া যাচ্ছে । স্বল্প মূল্যে আপনার পছন্দের ডোমেইনটি রেজিঃ করার এখনই সুবর্ণ সুযোগ। ৳ ৪৯ টাকার অফারটি শুধুমাত্র ১ম বছরের জন্য ও  বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত কোম্পানি , এনজিও , ফাউন্ডেশন, সংস্থা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

আমরা যে সকল ওয়েবসাইট ও সফটওয়্যার তৈরি করে থাকিঃ

✪ কোম্পানীর ওয়েবসাইট                                                            ✪ মুদির দোকান ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪ নিউজ পেপার ওয়েবসাইট                                                        ✪ ট্র্যাভেল এজেন্সি উইথ প্যাকেজ বুকিং সফটওয়্যার

✪  ফ্যাশন হাউসের ওয়েবসাইট                                                    ✪ পয়েন্ট অফ সেল, টিকেট বুকিং সফটওয়্যার

✪  ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট                                                  ✪ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪  ট্র্যাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজ্ম ওয়েবসাইট                                         ✪ ব্লাড ডোনেসন ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪  বিউটি পার্লার এবং জিমের ওয়েবসাইট                                      ✪ ইনভেন্টরী এন্ড স্টক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪  ফাইনেন্সিয়াল এসোসিয়েশন ওয়েবসাইট                                    ✪  গার্মেন্টস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪  ইন্টেরিয়র ডিজাইন কোম্পানী ওয়েবসাইট

আরো জানতে ও সেবা পেতে এখুনি রিসেলার, সেলার সেন্টারে সরাসরি যোগাযোগ করুন।

আকর্ষণীয় কমিশনে রিসেলার ও সেলার সেন্টার দেয়া হচ্ছে…

সমাহার সফট

⌂ প্রধান কার্যালয়ঃ সিকদার প্লাজা (১ম ও ২য় তলা), লতাপাতা বাজার, কাপাসিয়া, গাজীপুর – ১৭৩০

মোবাইলঃ ০১৭১১১১৩৮৫২ , ই-মেইলঃ support@samaharsoft.net

আশা করি এই পোস্টটি আপনাকে দরকারী কিছু তথ্য দিয়েছি। পরবর্তী পোস্ট পাওয়ার জন্য সাথেই থাকুন…




প্রযুক্তি খাতের যে ১০ কাজে বেতন সবচেয়ে বেশি

তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর কাজে সরাসরি যুক্ত পেশাজীবীদের চেয়ে তাঁদের ব্যবস্থাপকেরা সচরাচর পারিশ্রমিক বেশি পেয়ে থাকেন। তবে আয়ের ব্যবধানটা ক্রমেই কমছে।

তথ্যপ্রযুক্তি পেশাজীবীদের বেতন নিয়ে প্রকাশিত ‘ডাইস ২০২১ টেক স্যালারি রিপোর্ট’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রযুক্তি খাতের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (সিআইও), প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা (সিটিও) এবং সমপর্যায়ের নির্বাহীদের বেতন ২০১৯ সালের তুলনায় গত বছর ১ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে।

এদিকে আয়ের বিচারে তাঁদের ঠিক পরের সারির কর্মী, অর্থাৎ সিস্টেম আর্কিটেক্টদের বেতন একই মেয়াদে বেড়েছে ওই ১ দশমিক ৭ শতাংশ হারেই। গেল বছর তাঁদের গড় বার্ষিক বেতন ছিল ১ লাখ ৪০ হাজার ৬৫৮ ডলার। গড় বেতনের বিচারে এর পরেই রয়েছেন ক্লাউড প্রকৌশলীরা। ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে এই পেশাজীবীদের গড় বার্ষিক বেতন ৬ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৭৯ ডলারে। আর সাইবার নিরাপত্তা প্রকৌশলীদের বেতন বেড়েছে ৪ দশমিক ৩ শতাংশ, গড় বার্ষিক বেতন হয়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৩৪০ ডলার। তা ছাড়া কর্মীদের কাজ অনুযায়ী মূল বেতনের বাইরে কখনো কখনো বোনাস এবং শেয়ারের ভাগও দেওয়া হয়, যা এখানে উল্লেখ করা হয়নি।

বার্ষিক জরিপের অংশ হিসেবে বেতনের এই তথ্যগুলো সংগ্রহ করে ডাইস। ২০২০ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ৯ হাজার ১৪৩ জন পেশাজীবীর কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রতিবেদনটি তৈরি করে তারা।

বার্ষিক বেতনের বিচারে ২০২০ সালে প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ ১০ পেশা

দক্ষতা বার্ষিক গড় বেতন
আইটি ব্যবস্থাপনা ১,৪৩,৪১৬ ডলার
সিস্টেমস আর্কিটেক্ট ১,৪০,৬৫৮
ক্লাউড প্রকৌশলী ১,৩৬,৪৭৯
সাইবার নিরাপত্তা প্রকৌশলী ১,৩৪,৩৪০
ডেটা আর্কিটেক্ট * ১,৩৩,৩৪০
প্রোগ্রাম ব্যবস্থাপক ১,২২,৮১৮
ব্যবস্থাপনা পরামর্শক ১,২১,৬১৯
পণ্য ব্যবস্থাপক ১,২০,৫৮৪
ডেটাবিজ্ঞানী * ১,১৯,৮৯৮
এমআইএস ব্যবস্থাপক ১,১৯,৮৭৭
* ১০০ জনের কম পেশাজীবীদের তথ্যের গড়
সূত্র: আইইইই স্পেকট্রাম/ডাইস

করোনা মহামারির গেল বছরে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের পেশাজীবীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেতন বেড়েছে সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের। ডাইসের প্রতিবেদনে এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, কর্মীরা ঘরে থেকে কাজ করায় সাইবার হামলার আশঙ্কা বেড়ে গিয়েছিল। এ সময়ে ডেটা বিজ্ঞানীদের গড় পারিশ্রমিকও বেশ বেড়েছে।

২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে যে পেশাজীবীদের বেতন বাড়ার হার সবচেয়ে বেশি

পেশা বেতন বৃদ্ধি বার্ষিক গড় বেতন
১. সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষক ১৬.৩% $১,০৩,১০৬
২. ডেটাবিজ্ঞানী * ১২.৮ ১,১৯,৮৯৮
৩. ডেভঅপস প্রকৌশলী ১২.২ ১,১৫,১২৫
৪. ক্লাউড প্রকৌশলী ৬.৩ ১,৩৬,৪৭৯
৫. বিজনেস অ্যানালিস্ট ৫.৩ ৯৭,৬৩৩
৬. ওয়েব ডেভেলপার ৪.৯ ৮১,৫৫০
৭. ডেটা প্রকৌশলী ৪.৭ ১,১৮,৬২১
৮. সাইবার নিরাপত্তা প্রকৌশলী ৪.৩ ১,৩৪,৪০০
৯. ডেটা আর্কিটেক্ট ৩.২ ১,৩৩,০৬৪
১০. এমআইএস ব্যবস্থাপক ২.৫ ১,১৯,৮৭৭
* ১০০ জনের কম পেশাজীবীদের তথ্যের গড়
সূত্র: আইইইই স্পেকট্রাম/ডাইস

আর যদি নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতার কথা বলা হয়, তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মেশিন লার্নিংবিষয়ক সফটওয়্যার ‘টেনসরফ্লো’ ডাইসের তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে। যাঁরা টেনসরফ্লো নিয়ে কাজ করেন, তাঁদের বার্ষিক গড় বেতন ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৮ ডলার।

বেতনের বিচারে ২০২০ সালের শীর্ষ ১০ তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা

দক্ষতা * বার্ষিক গড় বেতন
টেনসরফ্লো ১,২৯,০৪৮ ডলার
গোল্যাং ১,২৮,০০১
স্ক্যালা ১,২৪,০৬৬
কর্নশেল ১,২৩,৪৪২
পার্ল ১,২২,৫১১
পাপেট ১,২১,৭৬৭
এবিএপি ১,২১,৭২৩
এক্সএসএলটি ১,২১,৩৫৪
জেডিবিসি ১,২১,২২৮
রুবি ১,১৬,৩০৫
* দক্ষতা বলতে কর্মক্ষেত্রে কর্মীরা যে বিষয়ে কাজ করেন, তা বোঝানো হয়েছে। সেটা কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা, সফটওয়্যার কিংবা প্ল্যাটফর্ম হতে পারে।
সূত্র: আইইইই স্পেকট্রাম/ডাইস

বেতনের বিচারে দ্রুত বর্ধনশীল ১০ তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা

দক্ষতা বেতন বৃদ্ধি বার্ষিক গড় বেতন
১. টিসিএল ৭.৮ শতাংশ ১,১১,৩২৪ ডলার
২. ম্যাটল্যাব ৬.২ ১,১২,০৮৫
৩. ফোরট্রান ৫.২ ১,১০,৯১৯
৪. পার্ল ৩.৯ ১,২২,৫১১
৫. রুবি ১.২ ১,১৬,৩০৫
৬. আর ০.৮ ১,১২,৯৫৮
৭. টাইপস্ক্রিপ্ট ০.৭ ১,১২,৪৬৯
৭. এক্সএমএল ০.৭ ১,১২,১৮৯
৯. ব্যাশ ০.৩ ১,১৫,৫১১
১০. পাইথন ০.৩ ১,১২,৩৮৮
সূত্র: আইইইই স্পেকট্রাম/ডাইস

 

Your Online Business Partner.

ডোমেইন রেজিঃ করুন মাত্র ৪৯ টাকায়…

.com, .net, .org, .me, .media, domains, .computer, .digital, .ltd, .school, .university, .clinic, .tv, xyz, .help সহ আরো প্রায় ১৫০০ নতুন ডোমেইন পাওয়া যাচ্ছে । স্বল্প মূল্যে আপনার পছন্দের ডোমেইনটি রেজিঃ করার এখনই সুবর্ণ সুযোগ। ৳ ৪৯ টাকার অফারটি শুধুমাত্র ১ম বছরের জন্য ও  বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত কোম্পানি , এনজিও , ফাউন্ডেশন, সংস্থা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

আমরা যে সকল ওয়েবসাইট ও সফটওয়্যার তৈরি করে থাকিঃ

✪ কোম্পানীর ওয়েবসাইট                                                            ✪ মুদির দোকান ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪ নিউজ পেপার ওয়েবসাইট                                                        ✪ ট্র্যাভেল এজেন্সি উইথ প্যাকেজ বুকিং সফটওয়্যার

✪  ফ্যাশন হাউসের ওয়েবসাইট                                                    ✪ পয়েন্ট অফ সেল, টিকেট বুকিং সফটওয়্যার

✪  ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট                                                  ✪ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪  ট্র্যাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজ্ম ওয়েবসাইট                                         ✪ ব্লাড ডোনেসন ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪  বিউটি পার্লার এবং জিমের ওয়েবসাইট                                      ✪ ইনভেন্টরী এন্ড স্টক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪  ফাইনেন্সিয়াল এসোসিয়েশন ওয়েবসাইট                                    ✪  গার্মেন্টস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪  ইন্টেরিয়র ডিজাইন কোম্পানী ওয়েবসাইট

আরো জানতে ও সেবা পেতে এখুনি রিসেলার, সেলার সেন্টারে সরাসরি যোগাযোগ করুন।

আকর্ষণীয় কমিশনে রিসেলার ও সেলার সেন্টার দেয়া হচ্ছে…

⌂ প্রধান কার্যালয়ঃ সিকদার প্লাজা (১ম ও ২য় তলা), লতাপাতা বাজার, কাপাসিয়া, গাজীপুর – ১৭৩০

মোবাইলঃ ০১৭১১১১৩৮৫২ , ই-মেইলঃ support@samaharsoft.net

আশা করি এই পোস্টটি আপনাকে দরকারী কিছু তথ্য দিয়েছি। পরবর্তী পোস্ট পাওয়ার জন্য সাথেই থাকুন…




অ্যামাজনের ‘স্বর্ণযুগ’, করোনায় মুনাফা বেড়েছে তিনগুণ

নভেল করোনাভাইরাসজনিত মহামারিতে লকডাউন, বিভিন্ন বিধিনিষেধ ও সংক্রমণের আশঙ্কায় অনেক মানুষই দোকানপাট কিংবা শপিংমলে না গিয়ে অনলাইনের মাধ্যমেই পণ্য কেনাকাটা করে আসছে। আর গত বছরের শুরু থেকেই ঘরে বসে পণ্য কেনার অভ্যাস করে ফেলেছে গ্রাহকেরা। এদিকে, মার্কিন টেক জায়ান্ট অ্যামাজন যে শুধু অনলাইনে পণ্য বিক্রয় করে আসছে তা নয়, তারা করোনা পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সুবিধাই দিয়ে আসছে। আর এসব সুবিধা লুফে নিচ্ছে গ্রাহকেরা।

এই মহামারিতে ভিডিও স্ট্রিমিং থেকে শুরু করে পণ্য সরবরাহ—সব ধরনের সুবিধাতেই গ্রাহকদের আগ্রহ অ্যামাজনের জন্য সুযোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বছরের প্রথম তিন মাসেই তারা বিপুল পণ্য বিক্রি করেছে। এ ছাড়া লাভ হয়েছে তিনগুণ। অ্যামাজনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে আগামী কয়েক মাসও তাদের পণ্য বিক্রির এই ধারা অব্যাহত থাকবে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, করোনা মহামারি অ্যামাজনের জন্য ‘স্বর্ণযুগ’ হিসেবে দেখা দিতে পারে।

এদিকে, বর্তমানে অটোমেটেড গ্রোসারি স্টোর, অনলাইন স্বাস্থ্যসেবার প্রচার করে যাচ্ছে অ্যামাজন। তবে তাদের মূল পরিষেবা—হোম ডেলিভারি, মিডিয়া স্ট্রিমিং, ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব পরিষেবাগুলোর মাধ্যমে এক বছরে তাদের লাভের অঙ্ক বিপুল বেড়েছে।

গত বছর ৭৫ বিলিয়ন ডলার থেকে মার্চের শেষে রাজস্ব বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৮ বিলিয়ন ডলারে। এ ছাড়া বছরের মধ্যেই লাভ ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারে।

 

 




ক্ষুদ্র ব্যবসাকে বড় করার জন্য এই বিষয় গুলি আজ থেকেই কাজে লাগান

একটা ছোট ব্যবসাকে বড় করা কোন মুখের কথা না। অনেক কষ্টের, এটা বলতে হবে। অনেকেই ব্যবসায় রাত দিন সময় দিয়ে যান। কষ্ট করেন। কিন্তু কেন জানি ব্যবসা বড় হচ্ছে না।

যদিও রাতারাতি কোন ব্যবসা বড় হয় না। অনেক লম্বা সময় দিতে হয়।
তবে কিছু বিষয় ফলো করলে এবং প্রয়োগ করলে আপনার ছোট ব্যবসা অবশ্যই দাঁড়াবে। সেই জন্য আজ থেকেই এই বিষয় গুলিতে নজর দেয়া খুব দরকার।

১) ক্রেতার চাহিদার দিকে শতভাগ মনোযোগ দিন।
ক্রেতার চাহিদা মত কাজ করলে আপনি ব্যবসাকে বড় করতে পারবেন।
যত টুক পারেন্‌ ক্রেতা যাতে শতভাগ খুশি থাকতে পারে, সেটা নিশ্চিত করেন। আপনার প্রথম দিকে লাভ কম হোক, আপনি কষ্ট করে হলেও ক্রেতার চাহিদার দিকে নজর দিন। এভাবে করতে থাকেন কাজ। একজন ক্রেতা আপনাকে ১০ জন ক্রেতা এনে দিবে।

২) কাস্টমার সার্ভিস উন্নত করেন।
খুব-ই ভাল মানের কাস্টমার সেবা দিন। ধারাবাহিক ভাবে করেন এটা।
সবাইকে সমান ভাবেই সেবা দিন।
এটা সব সময় মনে রাখবেন যে, আপনার পন্য যত ভাল মানের ই হোক না কেন, কাস্টমার সার্ভিস ভাল না দিলে আপনি ব্যবসা বড় করতে পারবেন না। কখনই সম্ভব না সেটা।

৩) বিশ্বস্ততা অর্জন করেন।
বিশ্বাস অর্জনে আপনাকে কাজ করে যেতে হবে।
আপনাকে যদি বিশ্বাস করে ক্রেতা, তবেই তো আপনার থেকে কিনবে, তাই না?
একজন ক্রেতা হুট করেই কিনবে না। দেখে শুনে জাচাই করেই কিনবে আপনার থেকে। সেই জন্য বিশ্বাস টা তৈরি করা লাগবে।
বিশ্বাস বাড়ানোর জন্য আপনার পন্য নিয়ে আপনি দক্ষ হন।
ভাল মানের কন্টেন্ট দিন। এমনিতেই বিশ্বাস বাড়বে। এটা একদম শতভাগ প্রমানিত।

৪) সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেক বেশি এক্টিভ থাকেন।
সব সময়ের জন্য টিপস এটা। কারন সোশ্যাল মিডিয়া তে এত বেশি মানুষ এখন সময় দেয়, যেটা অন্য সময়ে দিত না। এটাই একটা দুনিয়া। এখানে আপনাকে সময় দিতেই হবে নিয়মিত। যত বেশি দিবেন সঠিক ভাবে, তত বেশি পরিচিতি পাবেন।

৫) প্রতিনিয়ত নতুন কিছু করার চেষ্টা করেন।
ব্যবসায় এগিয়ে যাবার অন্যতম উপায় হল, নিত্যনতুন কিছু নিয়ে চেষ্টা করা। তবে এটা সব সময় নিজের লাভ না, বরং ক্রেতার কথা ভেবে করতে হবে। কিভাবে ক্রেতাকে একই মুল্যে আরও ভাল সেবা দেয়া যায়, সেটা নিয়ে ভাবেন। ক্রেতা সব সময় নতুনত্ব চান।




অনলাইনে কেনাকাটায় থাকুন সতর্ক

মহামারি করোনার কারণে নিজেকে নিরাপদ রাখাসহ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে গিয়ে অনলাইনে কেনাকাটার প্রতি মানুষ ঝুকছে বেশী। মানুষ এখন টুকটাক পণ্য থেকে শুরু করে দামি পণ্য পর্যন্ত কেনার আগ্রহ দেখাচ্ছে অনলাইন থেকে।

এ সুযোগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অসংখ্য অনলাইন শপিং পেজ রয়েছে, যেগুলো নানা রকমের পন্যের বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করে থাকে। এসব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আজকাল সবধরনের পণ্যই কেনাবেচা হচ্ছে।

অনলাইনে শপিং করতে গিয়ে নানাভাবে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন অনেকে এমন অভিযোগ পাওয়া যায়। তাদের অভিযোগ এক পণ্য দেখিয়ে নিম্নমানের আরেক পণ্য দেওয়া হয় ডেলিভারির সময়। আবার, কিছু কিছু পেজে অগ্রিম মূল্য পরিশোধের পরেও পণ্য পাওয়া যায় না।

এছাড়াও ক্যাশ অন ডেলিভারির ক্ষেত্রে ক্রেতাকে নির্দিষ্ট কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠানে গিয়ে পণ্যের মূল্য পরিশোধ করে ডেলিভারি নেয়ার জন্য বলা হয়। পণ্য ডেলিভারি নেয়ার পর ক্রেতা দেখতে পান তাকে অন্য কোন পণ্য কিংবা নিম্নমানের পণ্য দেয়া হয়েছে। ক্রেতা পণ্য ফেরত দিতে চাইলে বলা হয়, ‘এ প্যাকেজের সাথে রিটার্ন পলিসি না থাকায় রিটার্ন নেয়া সম্ভব নয়।’ কিংবা এ অবস্থায় বিক্রেতাকে ফেসবুকে নক করতে গিয়ে দেখা যায় তাকে আগেই ব্লক করে দেয়া হয়েছে।

যেকোনো ধরনের প্রতারণা রোধে বাংলাদেশ পুলিশ সদা সক্রিয়। এ লক্ষ্যে সন্দেহভাজন প্রতারকদের চিহ্নিত করতে এবং সংগঠিত প্রতারণার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতারকদের আইনের আওতায় আনতে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশের মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন ইউনিট। প্রতিনিয়ত, আইনের আওতায় আনা হচ্ছে এ ধরনের প্রতারকদের। তবে, শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ করে এ ধরনের অপরাধ সম্পূর্ণ ভাবে নির্মূল করা খুব সহজ নয়। এক্ষেত্রে, সামাজিক সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তাই, আসুন এ ধরনের প্রতারণা এড়িয়ে কিছু সাধারণ পরামর্শ মেনে চলি।

অনলাইনে কেনা কাটায় যে বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে:

অনলাইনে কোনো পণ্য কেনার ক্ষেত্রে প্রথমেই যেটি দরকার, তা হচ্ছে আপনাকে সচেতন সচেতন হতে হবে। এ ক্ষেত্রে আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে-

  • কোনো আকর্ষণীয় বা লোভনীয় বিজ্ঞাপন বা অফার দেখেই হুট করে কিনতে যাওয়া ঠিক নয়।
  • প্রথমেই প্রতিষ্ঠানের নাম-ঠিকানা এবং মালিকের নাম-ঠিকানায় অসামঞ্জস্য আছে কি না, ভালো করে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
  • অনেক অনলাইন প্রতিষ্ঠানও ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে।ওয়েবসাইটে ট্রেড লাইসেন্সের কপি আছে কি না দেখতে হবে, যদি না থাকে তাহলে ট্রেড লাইসেন্স করা আছে কি না এবং থাকলে তার নিবন্ধন নম্বর কত, তা জেনে নিতে হবে।
  • কোনো বিকাশ নম্বরে মূল্য পরিশোধ করতে বললে নম্বরটি একাধিক নম্বর থেকে ফোন করে যাচাই করে নেওয়া ভালো।
  • কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পণ্য দিতে বললে নির্দিষ্টভাবে পণ্য সরবরাহ যেন করা হয় এবং কেনার রসিদ দেওয়া হয়, তা খেয়াল রাখতে হবে।
  • ফেসবুকে কেনাকাটার গ্রুপ বা পেজের রিভিউ দেখে নেওয়া।
  • বিশ্বাসযোগ্য ফেসবুক পেজ বা গ্রুপে পণ্য কেনা।
  • যেকোনো পণ্য কেনার ক্ষেত্রে আগে পণ্য সরবরাহ করে এবং তা পাওয়ার পর বিক্রয় প্রতিনিধিকে সরাসরি মূল্য পরিশোধ করা যায়, এমন ওয়েবসাইট বা মাধ্যমগুলো নির্ভর করা ভালো।

 

Your Online Business Partner.

ডোমেইন রেজিঃ করুন মাত্র ৪৯ টাকায়…

.com, .net, .org, .me, .media, domains, .computer, .digital, .ltd, .school, .university, .clinic, .tv, xyz, .help সহ আরো প্রায় ১৫০০ নতুন ডোমেইন পাওয়া যাচ্ছে । স্বল্প মূল্যে আপনার পছন্দের ডোমেইনটি রেজিঃ করার এখনই সুবর্ণ সুযোগ। ৳ ৪৯ টাকার অফারটি শুধুমাত্র ১ম বছরের জন্য ও  বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত কোম্পানি , এনজিও , ফাউন্ডেশন, সংস্থা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

আমরা যে সকল ওয়েবসাইট ও সফটওয়্যার তৈরি করে থাকিঃ

✪ কোম্পানীর ওয়েবসাইট                                                            ✪ মুদির দোকান ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪ নিউজ পেপার ওয়েবসাইট                                                        ✪ ট্র্যাভেল এজেন্সি উইথ প্যাকেজ বুকিং সফটওয়্যার

✪  ফ্যাশন হাউসের ওয়েবসাইট                                                    ✪ পয়েন্ট অফ সেল, টিকেট বুকিং সফটওয়্যার

✪  ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট                                                  ✪ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪  ট্র্যাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজ্ম ওয়েবসাইট                                         ✪ ব্লাড ডোনেসন ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪  বিউটি পার্লার এবং জিমের ওয়েবসাইট                                      ✪ ইনভেন্টরী এন্ড স্টক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪  ফাইনেন্সিয়াল এসোসিয়েশন ওয়েবসাইট                                    ✪  গার্মেন্টস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪  ইন্টেরিয়র ডিজাইন কোম্পানী ওয়েবসাইট

আরো জানতে ও সেবা পেতে এখুনি রিসেলার, সেলার সেন্টারে সরাসরি যোগাযোগ করুন।

আকর্ষণীয় কমিশনে রিসেলার ও সেলার সেন্টার দেয়া হচ্ছে…

⌂ প্রধান কার্যালয়ঃ সিকদার প্লাজা (১ম ও ২য় তলা), লতাপাতা বাজার, কাপাসিয়া, গাজীপুর – ১৭৩০

মোবাইলঃ ০১৭১১১১৩৮৫২ , ই-মেইলঃ support@samaharsoft.net

আশা করি এই পোস্টটি আপনাকে দরকারী কিছু তথ্য দিয়েছি। পরবর্তী পোস্ট পাওয়ার জন্য সাথেই থাকুন…




সবার জন্য ই-কমার্স ওয়েবসাইট!

যারা এখনো ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করেন নি বা দ্বিধা-দন্দ্বের মধ্যে আছেন যে কিভাবে শুরু করবেন? আমরা আপনাকে দিতে চাই পরিপূর্ণ গাইডলাইন।

নতুনরা যাতে সহজেই ই-কমার্স বিজনেসে আসতে পারে সে জন্যই আমরা নিয়ে এসেছি “ই-কমার্স startup প্যাকেজ”

🛍ই-কমার্স startup প্যাকেজ🛒

যা যা থাকছে প্যাকেজেঃ
👉 একটি ডট কম (.com) ডোমেইন।
👉 2GB SSD হোস্টিং।
👉 ফিক্সড ডিজাইনের একটি পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইট
👉 একটি মোবাইল এপস (Android)
👉 ফ্রি SSL সার্টিফিকেট
👉 প্রিমিয়াম থিম
👉 রেস্পন্সিভ ডিজাইন
👉 টাইটেল, মেনু, ক্যাটাগরি, কন্টাক্ট
👉 কুপন সিস্টেম
👉 অর্ডার গ্রহণ, অর্ডার এডিট
👉 অটো ইন-ভয়েস তৈরি,
👉 ইন-ভয়েস এডিট
👉 লাইভ ডেলিভারি স্ট্যাটাস, ‍শিপমেন্ট
👉 ফেসবুক মেসেঞ্জার, কোম্পানি ইমেইল
👉 বেসিক SEO, Google Analytics System
👉 পেমেন্ট গেটওয়ে ইন্সটল – বিকাশ, রকেট, নগদ, ক্রেডিট কার্ড, মাস্টার কার্ড ইত্যাদি।
**************************
ওয়েবসাইট এর ফিচার সমূহঃ
✍️১) প্রিমিয়াম থিম
✍️২) মোবাইল/ট্যাব/কম্পিউটার ফ্রেন্ডলি রেসপন্সিভ ডিজাইন
✍️৩) লাইভ চ্যাট অপশন
✍️৪) পেমেন্ট মেথড (বিকাশ, রকেট, COD ইত্যাদি)
✍️৫) Home page slider ডিজাইন
✍️৬) প্রথম 20 টা পন্য এড করে দেয়া হবে।
✍️৭) ওয়েবসাইটে নতুন অর্ডার হলে Email এ নোটিফিকেশন যাবে
✍️৮) ফুল ডায়নামিক ওয়েবসাইট
✍️৯) লাইফটাইম সার্পোট এন্ড আপডটে
✍️১০) এসইও ফ্রেন্ডলি ডিজাইন ।
✍️১১) Temaviwer/Anydesk এর মাধ্যমে লাইফ টাইম সাপোর্ট।

💠 “কাস্টমার সেটিসফেকশন আমাদের প্রধান টার্গেট”

Your Online Business Partner.

ডোমেইন রেজিঃ করুন মাত্র ৪৯ টাকায়…

.com, .net, .org, .me, .media, domains, .computer, .digital, .ltd, .school, .university, .clinic, .tv, xyz, .help সহ আরো প্রায় ১৫০০ নতুন ডোমেইন পাওয়া যাচ্ছে । স্বল্প মূল্যে আপনার পছন্দের ডোমেইনটি রেজিঃ করার এখনই সুবর্ণ সুযোগ। ৳ ৪৯ টাকার অফারটি শুধুমাত্র ১ম বছরের জন্য ও  বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত কোম্পানি , এনজিও , ফাউন্ডেশন, সংস্থা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

আমরা যে সকল ওয়েবসাইট ও সফটওয়্যার তৈরি করে থাকিঃ

✪ কোম্পানীর ওয়েবসাইট                                                            ✪ মুদির দোকান ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪ নিউজ পেপার ওয়েবসাইট                                                        ✪ ট্র্যাভেল এজেন্সি উইথ প্যাকেজ বুকিং সফটওয়্যার

✪  ফ্যাশন হাউসের ওয়েবসাইট                                                    ✪ পয়েন্ট অফ সেল, টিকেট বুকিং সফটওয়্যার

✪  ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট                                                  ✪ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪  ট্র্যাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজ্ম ওয়েবসাইট                                         ✪ ব্লাড ডোনেসন ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪  বিউটি পার্লার এবং জিমের ওয়েবসাইট                                      ✪ ইনভেন্টরী এন্ড স্টক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪  ফাইনেন্সিয়াল এসোসিয়েশন ওয়েবসাইট                                    ✪  গার্মেন্টস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪  ইন্টেরিয়র ডিজাইন কোম্পানী ওয়েবসাইট

আরো জানতে ও সেবা পেতে এখুনি রিসেলার, সেলার সেন্টারে সরাসরি যোগাযোগ করুন।

আকর্ষণীয় কমিশনে রিসেলার ও সেলার সেন্টার দেয়া হচ্ছে…

⌂ প্রধান কার্যালয়ঃ সিকদার প্লাজা (১ম ও ২য় তলা), লতাপাতা বাজার, কাপাসিয়া, গাজীপুর – ১৭৩০

মোবাইলঃ ০১৭১১১১৩৮৫২ , ই-মেইলঃ support@samaharsoft.net

আশা করি এই পোস্টটি আপনাকে দরকারী কিছু তথ্য দিয়েছি। পরবর্তী পোস্ট পাওয়ার জন্য সাথেই থাকুন…

 




একটি ওয়েবসাইটই হতে পারে আপনার সারা জীবনের স্থায়ী উপার্জনের মাধ্যম

প্রথমে জেনে নেই, কেন ওয়েবসাইট তৈরি করে?

একটি ওয়েবসাইট হচ্ছে আপনার যে কোন প্রতিষ্ঠানের অনলাইন পরিচয়। যে কোন কোম্পানি, স্কুল, কলেজ ইত্যাদি সকল প্রতিষ্ঠান তাদের নামে ওয়েবসাইট করে থাকে যাতে করে ইন্টারনেটে তাদের সম্পর্কে জানা যায় এবং তাদের বিভিন্ন সেবা বা সার্ভিস সম্পর্কে মানুষ যেন সহজেই জানতে পারে। এই জাতীয় ওয়েবসাইট গুলো হচ্ছে মূলত প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট।
কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইটের বাইরেও কিন্তু রয়েছে আরও প্রচুর ওয়েবসাইট যেগুলো হচ্ছে ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক। এই ধরণের ওয়েবসাইট গুলোতে সাধারণত বিভিন্ন টিপস, ট্রিক, আইডিয়া, বিনোদন, খবর ইত্যাদি বিষয় দেয়া হয়ে থাকে। এই গুলোকে আপনি অ-প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট ও বলতে পারেন। এই ধরনের ওয়েবসাইট গুলো করা হয় সাধারণত সখের বসে অথবা, লং টাইম ব্যাবসা করার জন্য।

 

শুরুতেই বলে নেই, নতুনদের মাঝে ওয়েবসাইট বা ব্লগ নিয়ে বেশ ভাল কনফিউশন দেখা যায়। আসলে ব্লগ হচ্ছে এক ধরনের ওয়েবসাইট যেখানে নিয়মিত বিভিন্ন বিষয়ে লিখালিখি করা হয়। সেটা হতে পারে যে কোন বিষয়। আর ওয়েবসাইট হচ্ছে এক ধরনের সাইট যেখানে সাধারণত তেমন কোন চেঞ্জ হয় না, বা যেখানে লিখালিখির ব্যাপার থাকে না। আপনি ওয়েবসাইট বা ব্লগ যেটাই করুন না কেন সেখান থেকে অবশ্যই আয় সম্ভব। চলুন সামনের দিকে এগুনো যাক।

আপনি কি বিষয়ে ওয়েবসাইট/ব্লগ তৈরি করবেন?

আসলে প্রথম অবস্থায় সবচাইতে বড় যে সমস্যাটি হয় সেটি হচ্ছে, কোন বিষয়ে ওয়েবসাইট বা ব্লগ করবেন সেটাই খুজে না পাওয়া? এটার মূল কারন হচ্ছে তাড়াহুড়া করা। আমরা যখন কোন উৎসাহমূলক লিখা পড়ি বা কারন সফলতার গল্প শুনি তখনই মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি আমিও তেমন হব, এর জন্য যত পরিশ্রম করতে হয় করব। হ্যা, এমন ভাবাই শ্রেয়। কিন্তু আমাদের প্রধান সমস্যা হচ্ছে আমরা ধৈর্য্য ধরার চেস্টা করতে পারি না, আমাদের সব কিছু ইন্সট্যান্ট বা তৎক্ষণাৎ দরকার। আর এই জন্য শেষ পর্যন্ত আমাদের তেমন কিছুই হয় না। আর তাই যেহেতু আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট একদিন বা দুইদিনের জন্য নয়, যেহেতু এটা সারা জীবনের জন্য তাই হুট করেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবেন না যে আপনি কোন বিষয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করবেন। ভাবুন, দেখুন, শুনুন, বুঝুন তারপর সিদ্ধান্ত নিন আপনি কি করবেন এবং কেন করবেন এবং কিভাবে করবেন?

ব্লগ বা ওয়েবসাইটের বিষয় নির্বাচন করার ক্ষেত্রে কিছু টিপসঃ

ব্লগ বা সাইটের বিষয় নির্বাচন করার ক্ষেত্রে নিচের টিপস গুলো আপনাকে হেল্প করতে পারে-
আপনি ভাল জানেন এবং আপনার ইন্টারেস্ট আছে এমন যে কোন বিষয়েই আপনি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। আপনি যেটাই জানুন না কেন সেটা নিয়েই শুরু করে দিতে পারেন লিখালিখি। শেয়ার করুন আপনার নিজের জ্ঞান। সেটা কোন বিষয় সেটা কোন ব্যাপার না, কোয়ালিটি থাকলে সব বিষয়েই সাইট করা যায়। এমন অনেকেই আছেন যারা তাদের সখের অনেক কিছু নিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করেও সেখান থেকে প্রতি মাসে কয়েক হাজার ডলার আয় করছেন।
আপনি যে বিষয়টি ভালো জানেন বা পারেন সেই বিষয়টিকে ওয়েবসাইট বানানোর কাজে লাগাতে পারেন। যেমন ধরুন, আপনি একজন ওয়েব ডিজাইনার। তাহলে আপনি চাইলে ডিজাইন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখালেখির অভ্যাস করতে পারেন। আপনার সাইটে প্রতিদিন, সম্ভব না হলে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একটি করে পোস্ট দিতে পারেন। চেস্টা করুন যেটা সেটা ইন্টারেস্টিং হয় এবং মানুষ বা ভিজিটর যাতে সেটা পড়ে নতুন কিছু জানতে পারে। এই ভাবে লিখতে থাকলে দেখবেন একসময় আপনি পার্মানেন্ট ভিজিটর পেয়ে যাবে যারা আপনার সাইট নিয়মিত ভিজিট করবে।
তবে এই ক্ষেত্রে, কখনো হেজিটেশনে ভুগবেন না যে কি লিখব, কেমন হবে, কেউ পছন্দ করবে কিনা? আপনি সেটাই লিখবেন যেটা আপনি জানেন। লিখতে লিখতেই এক সময় আপনি আপনার ব্লগকে জনপ্রিয় করে তুলতে পারবেন। আপনি যত লিখবেন আপনার লিখা তত আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে থাকবে। একবার ব্লগ জনপ্রিয় হয়ে উঠলে সেখানে আপনি অন্যান্য লেখকদের ও আমন্ত্রণ করতে পারেন আপনার ব্লগ লিখার জন্য। এবং অন্যান্য ব্লগাররাও যদি আপনার ব্লগে লিখা শুরু করে দেয় তাহলেই তো কেল্লাফতে ! এরপর আপানাকে আর আশা করি পেছনে ফিরতে হবে না।
এই ভাবে যদি একটি সাইট কে দাড় করিয়ে ফেলতে পারেন তাহলে এখানে বিজ্ঞাপন সহ উপরোল্লেখিত উপায় সমূহ অবলম্বন করে আপনি আপনার ওয়েবসাইটকে পার্মানেন্ট আয়ের উৎস হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন।
আসুন আমরা জানি একটা ওয়েব সাইট থেকে আয় করতে হলে কি কি স্ট্যাপ বা ধাপ আপনাকে অনুসরণ করতে হবেঃ

১. ডোমেন নেইম (Domain Name) নেয়া?

একটি ডোমেন নেইম (Domain Name) হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটের অপরিবর্তনীয় নাম। যা ব্যবহার করে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা আপনার ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করতে পারেন। যেমন কেউ যদি ফেইসবুক এ অ্যাক্সেস করতে চায় তখন ব্রাঊজারের অ্যাড্রেসবার –এ www.facebook.com লিখে Enter চাপলে ফেইসবুক –এর ওয়েবসাইট চলে আসে। এই www.facebook.com হল ফেইসবুক এর ডোমেন নেইম। একটি ডোমেন নেইম ইন্টারনেটে কম্পিউটারগুলি শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। কম্পিউটার আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার করে, যা বেশ বড় আকারের গাণিতিক সংখ্যা যা আমাদের অর্থাৎ মানুষের জন্য মনে রাখা অত্যন্ত কঠিন। এই কারণে, ইন্টারনেটে যে কোন সংস্থা সনাক্তকরণের জন্য আইপি অ্যাড্রেস এর পরিবর্তে ডোমেন নেইম ব্যবহার করা হয়।
একটি ডোমেন নেইম (Domain Name) অক্ষর এবং সংখ্যার সমন্বয় হতে পারে, এবং এটি বিভিন্ন ডোমেন নেইম এক্সটেনশানগুলির সমন্বয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে, যেমন .com, .net, .gov, .org, .com.bd এবং আরও অনেক কিছু। আপনি ডোমেন নেইম ব্যবহার করার হলে প্রথমে ডোমেন নেইম রেজিস্টার করা আবশ্যক। প্রতিটি ডোমেইন নাম অনন্য। কোনও দুটি ওয়েবসাইটের একই ডোমেইন নাম থাকতে পারে না। যদি কেউ www.mydomain.com– এ টাইপ করে তবে এটি mydomain ওয়েবসাইটে যাবে এবং অন্য কোথাও যাবে না।
আরেকটা কথা খেয়াল রাখবেন, আপনি যে বিষয় নিয়ে ওয়েবসাইট নিতে ইচ্ছুক নামটা যেন তাঁর রিলেটেড হয়। ধরুন আপনি ইন্টারনেট বা টেকনোলজি রিলেটেড সাইট নিবেন এই ক্ষেত্রে আপনার ডোমেন নেম’টা শুনেই যেন সবাই বুজতে পারে এটা টেকনোলজি রিলেটেড সাইট।

২. ওয়েব হোস্টিং (Web Hosting) নেয়া?

ওয়েবসাইট গুলো এমন ভাবে তৈয়ার করা যাতে পৃথিবীর যে কেউ যে কোন জায়গা থেকে দেখতে পারে। তাই ওয়েবসাইটের কনটেন্ট (গান, ছবি, আর্টিকেল, ভিডিও ইত্যাদিকে কনটেন্ট বলে) যাতে সবাই দেখতে পারে তার জন্যে কনটেন্টগুলোকে ২৪ ঘণ্টা এবং ৭ দিনই ইন্টারনেট সংযোগ আছে এমন জায়গায় রাখতে হবে। আর এ জায়গাটা হতে পারে কোনো কম্পিউটারের হার্ড-ড্রাইভ যার সাথে ইন্টারনেটের ২৪ ঘণ্টা সংযোগ রেয়েছে। এক কথায়, আপনার ওয়েবসাইটের যাবতীয় তথ্য এমন জায়জায় রাখবেন যাতে করে যে কেউ আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে তথ্যগুলি দেখতে পারে, এটাই হচ্ছে হোস্টিং।
কোথায় থেকে ডোমেন-হোস্টিং নিবেনঃ
আপনার যদি অনলাইন সাপোর্ট করে এমন মাষ্টার কার্ড থাকে তাহলে HostGator, Samahar Sof, Kona Server  , 1&1 Web Hosting, InMotion, DreamHost, Liquid, GoDaddy, Hostwinds, a2hosting, namecheap, namesilo ইত্যাদি অনেক বিদেশী ডোমেন হোস্টিং কোম্পানি আছে যারা কিনা ভালো সার্ভিস দেয়। তাদের থেকে নিতে পারেন।
তাছাড়া মাষ্টার কার্ড না থাকলেও বিকাশ বা ব্যাংক ট্রান্সফার এর মাধ্যমে আপনি ইচ্ছে করলে বাংলাদেশে অনেক ডোমেন হোস্টিং প্রভাইডার কোম্পানি আছে যারা কিনা ভালো সার্ভিস দেয়, তাদের থেকেও ডোমেন হোস্টিং নিতে পারেন। তবে অচেনা কারো থেকে নেয়ার আগে তাদের রিভিউ এবং অন্যদের কাছ থেকে জেনে শুনে নেবেন। কারন, আমরা বাঙ্গালী , সো প্রতারণা আমাদের ট্যাডিশন।
আমার চেনাজানা কিছু বাংলাদেশী ডোমেন-হোস্টিং প্রভাইডার আছে যারা এখন বিদেশী কোম্পানি গুলোর মতোই ভালো সার্ভিস দেয়। আমি এখন পর্যন্ত তাদের কাছ থেকে ভালো সার্ভিসই পেয়েছি। যাই হোক, আপনার সুবিধা মতো যেকোন ভালো কোম্পানি থেকে নিয়ে নিতে পারেন।
তবে, আপনি যেখান থেকেই ডোমেন নেইম (Domain Name) এবং হোস্টিং (Hosting) নেন না কেন এই বিষয় গুলো যাচাই করে নিবেন। হোস্টিং এর Bandwidth, Compatibility, Reliability, Security ইত্যাদি বিষয়াদি। এখানে আরও কিছু বিষয় রয়েছে, যেমন সিকিউরিটি অ্যাক্সেস, লোডিং স্পীড কেমন, ২৪ ঘণ্টা সার্ভার চালু থাকবে কিনা ইত্যাদি। এই গুলি সরাসরি ডোমেন হোস্টিং সাপোর্টে জিজ্ঞেস করে নিবেন। ডোমেন হোস্টিং এর দাম একত্রে বাৎসরিক হিসেবে ২০০০ টাকা থেকে পেতে পারেন। রেট টা মূলত নির্ভর করে Bandwidth, Compatibility , Disk Space এই গুলির উপর। এই গুলি যতো বাড়বে টাকার পরিমাণ ও বাড়বে।

৩. সি.এম.এস (CMS) ও থিম সিলেকশন:

প্রচলিত কিছু জনপ্রিয় কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের হলো WordPress, Drupal, Joomla, ExpressionEngine, TextPattern, Radiant CMS, Cushy CMS, SilverStripe ইত্যাদি। তবে সবচেয়ে সহজ ও বহুল ব্যবহৃত CMS হলো WordPress তাছাড়া এর কাজ সহজ করার জন্য অনেক প্লাগিন ব্যবহার করতে পারবেন।
আর থিম এর কথা বলতে গেলে ওয়ার্ডপ্রেসের নিজস্ব ফ্রি থিম, থিম ভান্ডার রয়েছে । এখানে একটি সমস্যা হচ্ছে আপনার প্রয়োজনমত থিম খুজে পাবেন না । দেখা যাবে ডিজাইন পছন্দ হয়েছে ত আপনার প্রয়োজনীয় সব ফিচার নেই । আবার অনেক ফিচার সমৃদ্ধ কিন্তু ডিজাইন ভাল না । আর বেশিরভাগ ফ্রি থিমেই কোন সমস্যা হলে প্রয়োজনের সময় সাপোর্ট পাওয়া যায় না । তবে অনেক ওয়েবসাইট আছে যেখান থেকে আপনি নিশ্চিন্তে ফ্রি থিম ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন । যদিও তাদের থিম সংখ্যা কম । তবে তারা আপনার ১০০ ভাগ প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম । এবং কোন সমস্যা হলে ভাল সাপোর্টও পাবেন । তবে পেইডথিম কিনে নিলে ভালো।

৪. তারপর আসি একটি ইমপরটেন্ট ফেক্টর কিওয়ার্ড রিসার্চ ও কম্পিটিশান অ্যানালাইসিস এর কথাঃ

কিওয়ার্ড রিসার্চঃ
সঠিক কিওয়ার্ড নির্বাচন এবং সার্চ ইঞ্জিনে সেটা রাঙ্কিং করা এসইও তে খুব গুরুত্বপূর্ণ । সঠিকভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারলে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন যুদ্ধে আপনি ৫০% এগিয়ে থাকলেন। কিওয়ার্ড রিসার্সে ভুল হলে প্রতিটা পদে পদে ওয়েবসাইটকে মূল্য দিতে হয় অতএব আপনার বিজনেস এর মূল চাবি হল কিওয়ার্ড রিসার্চ। অনলাইনে কিওয়ার্ড রিসার্সের জন্য অনেক টুলস পাবেন, একটু Google এ সার্চ দেন দেখবেন অনেক ভালোভালো টুলস পেয়ে যাবেন। যেমন,গুগল অ্যাডওয়ার্ডস গুগল এর একটি ফ্রি টুলস। এর মাধ্যমে আপনি গুগল এর পেইড ক্যাম্পেইন সেটআপ এবং সব ধরনের কি-ওয়ার্ড এর লং টেইল কি-ওয়ার্ড এর সাজেশন, সার্চ ভলিউম, বিজ্ঞাপনের কম্পিটিশন এর হার, একটি নির্দিষ্ট সাইটের ক্ষেত্রে কোন কিওয়ার্ডটি বেশি জনপ্রিয় তা খুব সহজে বের করতে পারবেন এবং ইন্টারনেটে কোন কিওয়ার্ডগুলো সবচেয়ে বেশি ব্যাবহৃত হচ্ছে বা সার্চ করা হচ্ছে। এরপর প্রয়োজনমতো সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
[Note: গুগল অ্যাডওয়ার্ডস মাত্র ১ টি টুলস আপনি যদি ভালো কি কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে চান তবে আরো অনেক ভালোভালো টুলস আছে ঐ গুলি দিয়েও আপনাকে কিওয়ার্ড খুঁজতে হবে।]
কম্পিটিশান অ্যানালাইসিসঃ
প্রথমেই বলে রাখা ভাল, কিওয়ার্ড কম্পিটিশান অ্যানালাইসিস একটি জটিল প্রক্রিয়া। অনেকে আবার বলবেন, বিভিন্ন টুলস দিয়ে তো কিওয়ার্ড পেয়েই গেছি তাছাড়া এদের সার্চ ভলিউম, বিজ্ঞাপনের কম্পিটিশন এর হার এই গুলিও জানি, তো আমাকে আবার কম্পিটিশান অ্যানালাইসিস করতে হবে কেন?
আপনাদের কে একটা আমার নিজস্ব ব্যাপার দিয়ে উদাহরণ দেই। ধরেন, আমি কুমিল্লাতে থাকি, কেউ একজন আমাকে বুদ্ধি দিলো যে কুমিল্লা শহরে প্রায় ১০ লাখ মানুষ বাস করে তাই তুমি যদি এখানে একটা রেস্টুরেন্ট দাও তাহলে খুব ভালো চলবে। এখন আমি যখন কম্পিটিশান অ্যানালাইসিস করতে গেলাম তখন দেখলাম কুমিল্লাতে যেমন ১০ লাখ মানুষ বাস করে তেমনি এখানে ১ হাজারের উপরে ভালো রেস্টুরেন্ট বা হোটেল অলরেডি আছে। এখন আমার কাছে ২ টি অপশন। হয় আমাকে রেস্টুরেন্ট দেয়ার কথা বাদ দিতে হবে নতুবা যদি দিতেই হয় তবে যারা যারা রেস্টুরেন্ট বা হোটেল দিয়ে খুব ভালো পজিশনে আছে তাদের সাথে টক্কর দিতে হবে। তারা কি কি আইটেমর খাবার বানায়, তাদের গ্রাহক কারা বেশী, তাদের দুর্বলতা কোথায় বা তাদের অনেক আইটেম খাবারের মধ্যে কোন খাবার টা একটু মানের দিক থেকে অনুন্নত তা বাছাই করতে হবে। আশা করি আমার এই উদাহরনের পরে কম্পিটিশান অ্যানালাইসিস নিয়ে আর কারো দ্বিমত থাকবেনা।
পুরো অ্যানালাইসিস প্রক্রিয়াটি জানতে হলে আপনাকে এসইও-র প্রায় প্রতিটা ফেক্টরের কোর লেভেল (সর্বোচ্চ পর্যায়) পর্যন্ত জানতে হবে। যেমন-
  • পেজ রেংক কি? কিভাবে নির্ধারন হয়?
  • ডোমিন এইজ (Age) কি? EMD কি?
  • ডোমিন অথরিটি কি? পেজ অথরিটির কি?
  • টাইটেল ও ডেস্ক্রিপশন ট্যাগ কি? এই ট্যাগ কিভাবে এসইও তে প্রভাব ফেলে?
  • ব্যাক লিংক কি? ব্যাক লিং কিভাবে পাওয়া যায়? Do-follow, No-follow ব্যাংক লিংঙ্ক কি?
  • ইন্টারনাল লিংক, এক্সস্টার্নাল লিংঙ্ক কি? কিভাবে কাজ করে?
  • এলেক্সা রেংক কি? এলেক্সা রেংক কি? এলেক্সা রেংক কিভাবে কাজ করে?
  • কিওয়ার্ড র্যাং ক ডিফিকাল্টি ইত্যাদি বিষয়ে ভালো ধারণা থাকা চাই।

৫. এবার আসি সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর কথাঃ

এসইও আসলে কত প্রকার? আমার এই পোস্ট পড়ার পর অনেকে হয়তো বলবেন, এতো দিন কি তাহলে ভুল জানতাম? তবে যারা জানেন তাদের জন্য গুড লাক। একটি সাইট কিভাবে র‍্যাংক এ আনা যায়, প্রায় ৯৫% এসইও এক্সপার্টরা বলে থাকেন ওয়েব সাইট র‍্যাংকে আনতে ২ প্রকার এসইও করা লাগে। অন পেইজ অপটিমাইজেশন এবং অফ-পেজ অপটিমাইজেশন। আসলে তাদের কথাটা সামান্য একটু ভুলের মধ্যে আছে।
এসইও আসলে দুই প্রকারঃ a. পেইড সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন b. অর্গানিক সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন
আর আমাদের জানা সেই অন পেইজ অপটিমাইজেশন এবং অফ-পেজ অপটিমাইজেশন হলো অর্গানিক সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন করার ২ টি পদ্ধতি বা টাইপ।
a. পেইড সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন:
গুগলে সার্চ দিলে মাঝে মাঝে দেখবেন সার্চ রেজাল্টের ডানে বা উপরে ভিন্ন রং (সাধারনত হালকা খয়েরি) কিছু লিংক থাকে (যে শব্দ দিয়ে সার্চ দিয়েছেন সেটা সংশ্লিষ্ট)।এগুলি পেইড লিংক অর্থ্যাৎ এর জন্য গুগলকে অর্থ দিতে হয়েছে।এই ধরনের অপটিমাইজেশনকে পেইড এসইও (Paid SEO) বলে।
b. অর্গানিক সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন:
যে লিংকগুলি সার্চ রেজাল্ট পেজে সাধারনভাবে প্রদর্শিত হয় মানে গুগল এগুলি কোন বিশেষ রং দিয়ে হাইলাইট করেনা এগুলি অর্গানিক লিংক।এই ধরনের অপটিমাইজেশনকে অর্গানিক এসইও (Organic SEO) বলে। এটাকে এলগরিদমিক SEO ও বলে।
(বিঃদ্রঃ আমরা শুধু অর্গানিক সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (Organic SEO) শিখবো , পেইড সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (Paid SEO) নয়।)
অরগানিক এসইও :
  1. * অন-পেজ অপটিমাইজেশনঃ
অন-পেজ অপটিমাইজেশন এ যে কাজ গুলো করা লাগে তারমধ্যে মেটা ট্যাগের ব্যবহার (Meta Tag), টাইটেল ট্যাগের ব্যবহার করা (Title Tag), কি-ওয়ার্ড ট্যাগ ব্যবহার (Key-word Tag), ডেসক্রিপশন ট্যাগের ব্যবহার (Description Tag), অলটার ট্যাগের ব্যবহার (ALT Tag), পেজ এবং পেজে বিদ্যমান ফাইলের নাম করণ, কনটেন্ট এর মাঝে কি-ওয়ার্ড এর ব্যবহার করা, এক্সএমএল সাইট ম্যাপ তৈরি করা ( XML Sitemap, তাছাড়া বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে সাইট সাবমিট করা ইত্যাদি কাজ করা। প্রতিনিয়ত এগুলোর উন্নতি সাধনে চেস্টা করে যান তবে সফল ভাবে আপনি নিজেও পারবেন ওয়েবসাইটের অন-পেজ অপটিমাইজেশন সফল করে তুলতে ।
2. *অফ-পেজ অপটিমাইজেশন বা লিংক বিল্ডিং:
অনেকে লিংক বিল্ডিংটাকে অফ পেইজের একটা কাজ মনে করে । আসলে অফপেইজের জন্য আপনি যাই করবেন সবই লিংক বিল্ডিং এর অন্তর্ভুক্ত। অফপেইজ এসইও কে একটি বিল্ডিং এর পিলার এর সাথে তুলনা করা জেতে পারে । একটি বিল্ডিং এর খুটি যত মজবুত বিল্ডিংটি তত মজবুত ও দীর্ঘ স্থায়ী হয় । তেমনি অফপেইজ এসইও কে একটি সাইটের খুটি বলা যেতে পারে । সাইটের এসইও মজবুদ করতে হলে অফপেইজ এসইও খুব ভালো ভাবে সম্পাদন করতে হবে ।
অফ-পেইজ অপটিমাইজেশনের ক্ষেত্রে প্রধান আলোচ্য বিষয় সমূহঃ
a. সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম: বর্তমান সময়ের জন্য সামাজিক মাধ্যম এর চাইতে বড় এবং শক্তিশালী প্রচার মাধ্যম আর কোথাও নেই ।
সামাজিক মাধ্যমের মাঝে লিংকড ইন, টুইটার, ফেসবুক, ইউটিউব, রেডিট, পিন্টারেস্ট এগুলো অন্যতম এবং সর্বাধিক ব্যবহৃত ।
b. ব্যাক লিংক তৈরিঃ
আফপেইজ এসইও অনেক বিশাল বিষয়, আপনাকে অনেক সময় নিয়ে এখানে কাজ করতে হবে। অফপেইজ এসইওতে আপনাকে যে বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করতে হবে সেগুলো হচ্ছে –
  •  Social Bookmarking
  •  Blogging
  •  Forum Marketing
  •  Search Engine Submission
  •  Directory Submission
  •  Local Listings
  •  Article Submission
  •  Answer Questions
  •  Web 2.0
  •  Video Marketing
  •  Business Reviews
  •  Guest Posting etc..
অবশ্য অনপেইজ এসইও ও খুব গুরুত্ব সহকারে সম্পন্ন করতে হবে । নাহলে জিনসটা ভিতরে খারাপ রড দিয়ে বাহিরে খুব জাকজমক করে আস্তর করার মতন হয়ে যাবে ।
এখন বলতে পারেন ভাই আপনার কথা মতো ডোমেন- হোস্টিং নিলাম ! সাইট এর অন-পেইজ অপটিমাইজেশন, অফ-পেইজ অপটিমাইজেশন করলাম সাইট এর ভিজিটর ভালো এখন আয় করবো কিভাবে। আয়ের কথাটা আসলে আমি সবার শেষে বললাম , কারন আগে ওয়েব সাইটটার ব্যাপারে পুরোপুরি ধারণা নেন ; তারপর আয় নিয়ে ভাবেন।

৬. চলুন দেখি ওয়েব সাইট থেকে কিভাবে আয় করা সম্ভবঃ

ক. বিজ্ঞাপন থেকে আয়ঃ
আপনার ওয়েবসাইটে যদি বেশ ভাল ট্রাফিক (ট্রাফিক হচ্ছে ভিজিটর বা মানুষ যারা আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করবে) থাকে তাহলে আপনি আপনার ওয়েবসাইটে অন্যান্য কোম্পানীর বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করিয়ে সেখান থেকে আয় করতে পারেন। যেমন- আমরা প্রায় সময়ই বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ঢুকলে ওয়েবসাইটের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন পন্যের বিজ্ঞাপন দেখে থাকি। এই জাতীয় বিজ্ঞাপন গুলো ওয়েবসাইটে প্রদর্শন করানোর মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারেন। আপনার ওয়েবসাইটে যে কোম্পানির বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করাবেন সেই কোম্পানী আপনাকে একটি নির্দিষ্ট মূল্য পে করবে তাদের বিজ্ঞাপন আপনার ওয়েবসাইটে প্রদর্শন করানোর জন্য।
তাহলে এবার বলতে পারেন, এই সকল কোম্পানির বিজ্ঞাপন পাব কোথায়? এই ধরনের বিজ্ঞাপন পাওয়ার জন্য অনলাইনে অনেক জনপ্রিয় সাইট আছে (যেমন- গুগল অ্যাডসেন্স)। তাছাড়া আরো অনেক বিজ্ঞাপন এর সাইট আছে এই সকল সাইট থেকে কিভাবে অ্যাড নিবেন এবং কিভাবে আয় হবে সেটা নিয়ে ইনশাআল্লাহ পরবর্তীতে বিস্তারিত আলচনা করা হবে। এখন শুধুওয়েবসাইট থেকে আয় করার কিছু প্রসেস সম্পর্কে জানি।
খ. নিজের কোন পন্য বিক্রি করে আয়ঃ
আপনার ওয়েবসাইট যদি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং প্রতিদিন বেশ ভাল ট্রাফিক থাকে তাহলে আপনি আপনার নিজের তৈরি করা কোন পন্যের বিজ্ঞাপন সেখানে দিতে পারেন এবং সেখান থেকে আপনি আপনার পন্যের জন্য বেশ ভাল সেল পেতে পারেন। তবে এটা শুধুমাত্র, যদি আপনার তৈরি করা কোন প্রোডাক্ট থাকে তাহলেই সম্ভব। আপনার যদি বিক্রি করার মত কোন পণ্য না থাকে তাহলে এই ক্ষেত্রে সম্ভব নয়।
গ. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়ঃ
 অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে অনেকটা সেলসম্যান এর মত। এখানে, আপনাকে বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য বিক্রি করে দিতে হবে এবং প্রতিবার যখন আপনি অন্য কোম্পানির কোন পণ্য আপনার নিজের মাধ্যমে বিক্রি করতে পারবেন তখন আপনাকে সেই বিক্রয়কৃত অর্থ থেকে কমিশন দেয়া হবে। আপনি চাইলে আপনার ওয়েবসাইটে এই জাতীয় মার্কেটিং করতে পারেন। নিজের সাইট বা ব্লগ করে আমাদের দেশে অনেকেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করছেন। কাজেই আপনিও এই জাতীয় কাজ করে আয় করতে পারেন।
ঘ. ইমেইল কালেকশনঃ
আমরা সবাই মোটামুটি কম বেশি নেট থেকে বই, গান, ভিডিও ইত্যাদি ডাউনলোড করে থাকি। তবে, মাঝে মাঝে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে বই বা মুভি ডাউনলোড করতে গেলে আমরা দেখে থাকি আমাদের ইমেইল অ্যাড্রেস দিতে বলে। আমরা ইমেইল অ্যাড্রেস দিলে তারপর আমাদেরকে সেটা ডাউনলোড করতে দেয়। কিন্তু কেন এমনটা হয়, কেন ইমেইল এর ঠিকানা চায় ওই ডাউনলোড সাইট গুলো? এটা হচ্ছে এই জন্য যে, আপনি গান ডাউনলোড করার সময় আপনার যে ইমেইল এড্রেসটি দিবেন সেটি ওই ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ সংরক্ষন করে রাখবে। এই ভাবে যতজন ওই গানটি ডাউনলোড করতে তত জনের ইমেইল অ্যাড্রেস তার কাছে থাকবে। এই ভাবে ধরলাম, ১০০০ জনের ইমেইল ওই ওয়েবসাইটের মালিকের কাছে জমা হল। এবার তিনি ওই ১০০০ ইমেইল অ্যাড্রেস বিভিন্ন ইমেইল মার্কেটারদের কাছে বিক্রি করতে পারবেন। কারন, অধিকাংশ ইমেইল মার্কেটিং এর জন্য অ্যাক্টিভ ইমেইল অ্যাড্রেস এর তালিকা প্রয়োজন পরে। এই জন্য বিভিন্ন ইমেইল মার্কেটাররা ইমেইল অ্যাড্রেস কিনে নেয় নিজেদের মার্কেটিং করার জন্য। আর আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে এবং আপনি এইভাবে ইমেইল অ্যাড্রেস সংগ্রহ করতে পারেন, তাহলে আপনিও এই ইমেইল অ্যাড্রেস গুলো বিক্রি করে আয় করতে পারেন।
কিন্তু সব কথার বড় কথা হল, ওয়েবসাইটে যদি ট্রাফিক বা ভিজিটর না থাকে তাহলে কোন লাভই নেই। কারন, যে সাইটের ভিজিটর নেই সেই সাইটে কেউই টাকা খরচ করে বিজ্ঞাপন দিবে না। আর তাই যে কোন ওয়েবসাইট আপনার আয়ের উৎস তখনই হবে যখন আপনার সাইটটি জনপ্রিয় হয়ে উঠবে এবং প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ লোক আপনার সাইট ভিজিট করবে। কিন্তু এই পর্যায়ে একটি ওয়েবসাইটকে নিয়ে আসার জন্য প্রয়োজন প্রচুর পরিশ্রম আর ধৈর্য্য।

Your Online Business Partner.

ডোমেইন রেজিঃ করুন মাত্র ৪৯ টাকায়…

.com, .net, .org, .me, .media, domains, .computer, .digital, .ltd, .school, .university, .clinic, .tv, xyz, .help সহ আরো প্রায় ১৫০০ নতুন ডোমেইন পাওয়া যাচ্ছে । স্বল্প মূল্যে আপনার পছন্দের ডোমেইনটি রেজিঃ করার এখনই সুবর্ণ সুযোগ। ৳ ৪৯ টাকার অফারটি শুধুমাত্র ১ম বছরের জন্য ও  বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত কোম্পানি , এনজিও , ফাউন্ডেশন, সংস্থা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

আমরা যে সকল ওয়েবসাইট ও সফটওয়্যার তৈরি করে থাকিঃ

✪ কোম্পানীর ওয়েবসাইট                                                            ✪ মুদির দোকান ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪ নিউজ পেপার ওয়েবসাইট                                                        ✪ ট্র্যাভেল এজেন্সি উইথ প্যাকেজ বুকিং সফটওয়্যার

✪  ফ্যাশন হাউসের ওয়েবসাইট                                                    ✪ পয়েন্ট অফ সেল, টিকেট বুকিং সফটওয়্যার

✪  ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট                                                  ✪ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪  ট্র্যাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজ্ম ওয়েবসাইট                                         ✪ ব্লাড ডোনেসন ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪  বিউটি পার্লার এবং জিমের ওয়েবসাইট                                      ✪ ইনভেন্টরী এন্ড স্টক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪  ফাইনেন্সিয়াল এসোসিয়েশন ওয়েবসাইট                                    ✪  গার্মেন্টস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪  ইন্টেরিয়র ডিজাইন কোম্পানী ওয়েবসাইট

আরো জানতে ও সেবা পেতে এখুনি রিসেলার, সেলার সেন্টারে সরাসরি যোগাযোগ করুন।

আকর্ষণীয় কমিশনে রিসেলার ও সেলার সেন্টার দেয়া হচ্ছে…

⌂ প্রধান কার্যালয়ঃ সিকদার প্লাজা (১ম ও ২য় তলা), লতাপাতা বাজার, কাপাসিয়া, গাজীপুর – ১৭৩০

মোবাইলঃ ০১৭১১১১৩৮৫২ , ই-মেইলঃ support@samaharsoft.net

আশা করি এই পোস্টটি আপনাকে দরকারী কিছু তথ্য দিয়েছি। পরবর্তী পোস্ট পাওয়ার জন্য সাথেই থাকুন…




বিশ্বে সর্বপ্রথম বাঁশের মোবাইল টাওয়ার তৈরি করল বাংলাদেশ

পরিবেশ থেকে পাখিদের উধাও হয়ে যাওয়ার জন্য বিজ্ঞানীরা মোবাইল টাওয়ারকে অনেকটাই দায়ী করেছেন। সারা বিশ্বে ইস্পাত ছাড়া টাওয়ার তৈরির হাজারো প্রচেষ্টা চলেছে। কৃত্রিম তাল গাছ থেকে পাইন, খেজুর গাছ তৈরি করে চলেছে পরীক্ষা। তবে এই প্রথম বার বাঁশের সাহায্যে মোবাইল ফোনের টাওয়ার তৈরি করল বাংলাদেশের এক সংস্থা। ঢাকার উত্তরা এলাকায় একটি বাড়ির ছাদে পরীক্ষামূলক ভাবে এই টেলিযোগাযোগ টাওয়ারটি বসানো হয়েছে। ঢাকার ইডটকো গ্রুপ পরিবেশ বান্ধব এই টাওয়ারটি তৈরি করেছে।

বেশ কিছুদিন ধরেই বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের একটি দল ইস্পাতের বিকল্প হিসাবে বাঁশের ব্যবহার নিয়ে গবেষণা করছিল। পরে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে তাঁরা পরীক্ষা করে। সাফল্যও আসে সেই পরীক্ষায়। ইশতিয়াক আহমেদের মতে, “বাঁশ যেরকম একদিকে সহজলভ্য, অন্য দিকে খরচাও কম। তাই টেলিযোগাযোগের জন্য বাঁশের বিকল্প কিছু নেই।”

১২ দিনের মধ্যে বাঁশের এই টাওয়ারটি তৈরি হয়েছে। গবেষকদের মতে, ঠিকঠাক দেখভাল করলে এই মোবাইল টাওয়ারের মেয়াদ ১০ বছরের কাছাকাছি হতে পারে। প্রায় ২১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাতাসের গতি সহ্য করতে পারবে এই টাওয়ার। একটিতে মোট আটটি অ্যান্টেনা বসানো যাবে। তবে বিশেষ ধরনের এই টাওয়ার তৈরির জন্য দরকার কাঁচা বাঁশ।




ফ্রিজ ব্যবহারে মেনে চলুন কিছু নিয়ম

বাড়ির ফ্রিজটা শখের জিনিসই হয় গৃহকর্ত্রীর। দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য একটি যন্ত্রও বটে। যন্ত্র বলেই মাঝে মাঝে এক-আধটু পরিষ্কার রাখতে হয় ফ্রিজ। সেই সাথে নিশ্চিত হয় পরিবারের সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষা।

ফ্রিজ ব্যবহারে কিছু নিয়ম মেনে চলুন। তাহলে ঘরের সবার স্বাস্থ্য ভালো থাকার পাশাপাশি কিছুদিন পর পর ফ্রিজ ধোয়া-মোছা থেকে বেঁচে যাবেন আপনি।

শাকসবজি কিংবা ফলমূল সবকিছুই ভালো মতো ধুয়ে ফ্রিজে রাখুন। তাহলে ফ্রিজে গন্ধ হবে না। পেঁয়াজ, রসুন ভুলেও কখনো ফ্রিজে রাখতে যাবেন না।

যে কোনো সবজি প্লাস্টিকের প্যাকেটে রাখার চেষ্টা করুন। প্লাস্টিকের প্যাকেটের মুখ ভালো মতো শক্ত করে বন্ধ করে দিন। এতে শাকসবজি ভালো ও টাটকা থাকবে। কাঁচা মরিচের বোটা ফেলে দিয়ে প্লাস্টিকের ব্যাগে মুখ বন্ধ করে রাখুন।

বেশির ভাগ সময় ধনেপাতা, পুদিনাপাতা, লেটুস পাতা ইত্যাদি ফ্রিজে রাখলে শুকিয়ে যায়। এ অবস্থা রোধ করতে পাতাগুলোর গোড়া কেটে তারপর ফ্রিজে রাখুন। সহজে শুকাবে না।

টমেটো ও শসা এক প্যাকেটে না রেখে আলাদা আলাদা প্যাকেটে রাখুন। অনেকদিন টাটকা থাকবে। ডিম রাখার সময় ডিমের মোটা দিকটা নিচের দিক করে রাখলে ডিম অনেকদিন ভালো থাকে।

ডিপ ফ্রিজে ফল বা তরকারি রাখা উচিত নয়। এতে স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়।

ফ্রিজে রাখা খাবার বের করে এনে একবার গরম করেই খেয়ে নিন। একবার গরম করে রেখে দিয়ে আবার ঠাণ্ডা করা – এভাবে বার বার চলতে থাকলে খাবারে ব্যাকটেরিয়া আক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।