সবার জন্য ই-কমার্স ওয়েবসাইট!

যারা এখনো ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করেন নি বা দ্বিধা-দন্দ্বের মধ্যে আছেন যে কিভাবে শুরু করবেন? আমরা আপনাকে দিতে চাই পরিপূর্ণ গাইডলাইন।

নতুনরা যাতে সহজেই ই-কমার্স বিজনেসে আসতে পারে সে জন্যই আমরা নিয়ে এসেছি “ই-কমার্স startup প্যাকেজ”

🛍ই-কমার্স startup প্যাকেজ🛒

যা যা থাকছে প্যাকেজেঃ
👉 একটি ডট কম (.com) ডোমেইন।
👉 2GB SSD হোস্টিং।
👉 ফিক্সড ডিজাইনের একটি পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইট
👉 একটি মোবাইল এপস (Android)
👉 ফ্রি SSL সার্টিফিকেট
👉 প্রিমিয়াম থিম
👉 রেস্পন্সিভ ডিজাইন
👉 টাইটেল, মেনু, ক্যাটাগরি, কন্টাক্ট
👉 কুপন সিস্টেম
👉 অর্ডার গ্রহণ, অর্ডার এডিট
👉 অটো ইন-ভয়েস তৈরি,
👉 ইন-ভয়েস এডিট
👉 লাইভ ডেলিভারি স্ট্যাটাস, ‍শিপমেন্ট
👉 ফেসবুক মেসেঞ্জার, কোম্পানি ইমেইল
👉 বেসিক SEO, Google Analytics System
👉 পেমেন্ট গেটওয়ে ইন্সটল – বিকাশ, রকেট, নগদ, ক্রেডিট কার্ড, মাস্টার কার্ড ইত্যাদি।
**************************
ওয়েবসাইট এর ফিচার সমূহঃ
✍️১) প্রিমিয়াম থিম
✍️২) মোবাইল/ট্যাব/কম্পিউটার ফ্রেন্ডলি রেসপন্সিভ ডিজাইন
✍️৩) লাইভ চ্যাট অপশন
✍️৪) পেমেন্ট মেথড (বিকাশ, রকেট, COD ইত্যাদি)
✍️৫) Home page slider ডিজাইন
✍️৬) প্রথম 20 টা পন্য এড করে দেয়া হবে।
✍️৭) ওয়েবসাইটে নতুন অর্ডার হলে Email এ নোটিফিকেশন যাবে
✍️৮) ফুল ডায়নামিক ওয়েবসাইট
✍️৯) লাইফটাইম সার্পোট এন্ড আপডটে
✍️১০) এসইও ফ্রেন্ডলি ডিজাইন ।
✍️১১) Temaviwer/Anydesk এর মাধ্যমে লাইফ টাইম সাপোর্ট।

💠 “কাস্টমার সেটিসফেকশন আমাদের প্রধান টার্গেট”

 




একটি ওয়েবসাইটই হতে পারে আপনার সারা জীবনের স্থায়ী উপার্জনের মাধ্যম

প্রথমে জেনে নেই, কেন ওয়েবসাইট তৈরি করে?

একটি ওয়েবসাইট হচ্ছে আপনার যে কোন প্রতিষ্ঠানের অনলাইন পরিচয়। যে কোন কোম্পানি, স্কুল, কলেজ ইত্যাদি সকল প্রতিষ্ঠান তাদের নামে ওয়েবসাইট করে থাকে যাতে করে ইন্টারনেটে তাদের সম্পর্কে জানা যায় এবং তাদের বিভিন্ন সেবা বা সার্ভিস সম্পর্কে মানুষ যেন সহজেই জানতে পারে। এই জাতীয় ওয়েবসাইট গুলো হচ্ছে মূলত প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট।
কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইটের বাইরেও কিন্তু রয়েছে আরও প্রচুর ওয়েবসাইট যেগুলো হচ্ছে ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক। এই ধরণের ওয়েবসাইট গুলোতে সাধারণত বিভিন্ন টিপস, ট্রিক, আইডিয়া, বিনোদন, খবর ইত্যাদি বিষয় দেয়া হয়ে থাকে। এই গুলোকে আপনি অ-প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট ও বলতে পারেন। এই ধরনের ওয়েবসাইট গুলো করা হয় সাধারণত সখের বসে অথবা, লং টাইম ব্যাবসা করার জন্য।

 

শুরুতেই বলে নেই, নতুনদের মাঝে ওয়েবসাইট বা ব্লগ নিয়ে বেশ ভাল কনফিউশন দেখা যায়। আসলে ব্লগ হচ্ছে এক ধরনের ওয়েবসাইট যেখানে নিয়মিত বিভিন্ন বিষয়ে লিখালিখি করা হয়। সেটা হতে পারে যে কোন বিষয়। আর ওয়েবসাইট হচ্ছে এক ধরনের সাইট যেখানে সাধারণত তেমন কোন চেঞ্জ হয় না, বা যেখানে লিখালিখির ব্যাপার থাকে না। আপনি ওয়েবসাইট বা ব্লগ যেটাই করুন না কেন সেখান থেকে অবশ্যই আয় সম্ভব। চলুন সামনের দিকে এগুনো যাক।

আপনি কি বিষয়ে ওয়েবসাইট/ব্লগ তৈরি করবেন?

আসলে প্রথম অবস্থায় সবচাইতে বড় যে সমস্যাটি হয় সেটি হচ্ছে, কোন বিষয়ে ওয়েবসাইট বা ব্লগ করবেন সেটাই খুজে না পাওয়া? এটার মূল কারন হচ্ছে তাড়াহুড়া করা। আমরা যখন কোন উৎসাহমূলক লিখা পড়ি বা কারন সফলতার গল্প শুনি তখনই মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি আমিও তেমন হব, এর জন্য যত পরিশ্রম করতে হয় করব। হ্যা, এমন ভাবাই শ্রেয়। কিন্তু আমাদের প্রধান সমস্যা হচ্ছে আমরা ধৈর্য্য ধরার চেস্টা করতে পারি না, আমাদের সব কিছু ইন্সট্যান্ট বা তৎক্ষণাৎ দরকার। আর এই জন্য শেষ পর্যন্ত আমাদের তেমন কিছুই হয় না। আর তাই যেহেতু আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট একদিন বা দুইদিনের জন্য নয়, যেহেতু এটা সারা জীবনের জন্য তাই হুট করেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবেন না যে আপনি কোন বিষয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করবেন। ভাবুন, দেখুন, শুনুন, বুঝুন তারপর সিদ্ধান্ত নিন আপনি কি করবেন এবং কেন করবেন এবং কিভাবে করবেন?

ব্লগ বা ওয়েবসাইটের বিষয় নির্বাচন করার ক্ষেত্রে কিছু টিপসঃ

ব্লগ বা সাইটের বিষয় নির্বাচন করার ক্ষেত্রে নিচের টিপস গুলো আপনাকে হেল্প করতে পারে-
আপনি ভাল জানেন এবং আপনার ইন্টারেস্ট আছে এমন যে কোন বিষয়েই আপনি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। আপনি যেটাই জানুন না কেন সেটা নিয়েই শুরু করে দিতে পারেন লিখালিখি। শেয়ার করুন আপনার নিজের জ্ঞান। সেটা কোন বিষয় সেটা কোন ব্যাপার না, কোয়ালিটি থাকলে সব বিষয়েই সাইট করা যায়। এমন অনেকেই আছেন যারা তাদের সখের অনেক কিছু নিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করেও সেখান থেকে প্রতি মাসে কয়েক হাজার ডলার আয় করছেন।
আপনি যে বিষয়টি ভালো জানেন বা পারেন সেই বিষয়টিকে ওয়েবসাইট বানানোর কাজে লাগাতে পারেন। যেমন ধরুন, আপনি একজন ওয়েব ডিজাইনার। তাহলে আপনি চাইলে ডিজাইন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখালেখির অভ্যাস করতে পারেন। আপনার সাইটে প্রতিদিন, সম্ভব না হলে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একটি করে পোস্ট দিতে পারেন। চেস্টা করুন যেটা সেটা ইন্টারেস্টিং হয় এবং মানুষ বা ভিজিটর যাতে সেটা পড়ে নতুন কিছু জানতে পারে। এই ভাবে লিখতে থাকলে দেখবেন একসময় আপনি পার্মানেন্ট ভিজিটর পেয়ে যাবে যারা আপনার সাইট নিয়মিত ভিজিট করবে।
তবে এই ক্ষেত্রে, কখনো হেজিটেশনে ভুগবেন না যে কি লিখব, কেমন হবে, কেউ পছন্দ করবে কিনা? আপনি সেটাই লিখবেন যেটা আপনি জানেন। লিখতে লিখতেই এক সময় আপনি আপনার ব্লগকে জনপ্রিয় করে তুলতে পারবেন। আপনি যত লিখবেন আপনার লিখা তত আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে থাকবে। একবার ব্লগ জনপ্রিয় হয়ে উঠলে সেখানে আপনি অন্যান্য লেখকদের ও আমন্ত্রণ করতে পারেন আপনার ব্লগ লিখার জন্য। এবং অন্যান্য ব্লগাররাও যদি আপনার ব্লগে লিখা শুরু করে দেয় তাহলেই তো কেল্লাফতে ! এরপর আপানাকে আর আশা করি পেছনে ফিরতে হবে না।
এই ভাবে যদি একটি সাইট কে দাড় করিয়ে ফেলতে পারেন তাহলে এখানে বিজ্ঞাপন সহ উপরোল্লেখিত উপায় সমূহ অবলম্বন করে আপনি আপনার ওয়েবসাইটকে পার্মানেন্ট আয়ের উৎস হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন।
আসুন আমরা জানি একটা ওয়েব সাইট থেকে আয় করতে হলে কি কি স্ট্যাপ বা ধাপ আপনাকে অনুসরণ করতে হবেঃ

১. ডোমেন নেইম (Domain Name) নেয়া?

একটি ডোমেন নেইম (Domain Name) হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটের অপরিবর্তনীয় নাম। যা ব্যবহার করে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা আপনার ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করতে পারেন। যেমন কেউ যদি ফেইসবুক এ অ্যাক্সেস করতে চায় তখন ব্রাঊজারের অ্যাড্রেসবার –এ www.facebook.com লিখে Enter চাপলে ফেইসবুক –এর ওয়েবসাইট চলে আসে। এই www.facebook.com হল ফেইসবুক এর ডোমেন নেইম। একটি ডোমেন নেইম ইন্টারনেটে কম্পিউটারগুলি শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। কম্পিউটার আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার করে, যা বেশ বড় আকারের গাণিতিক সংখ্যা যা আমাদের অর্থাৎ মানুষের জন্য মনে রাখা অত্যন্ত কঠিন। এই কারণে, ইন্টারনেটে যে কোন সংস্থা সনাক্তকরণের জন্য আইপি অ্যাড্রেস এর পরিবর্তে ডোমেন নেইম ব্যবহার করা হয়।
একটি ডোমেন নেইম (Domain Name) অক্ষর এবং সংখ্যার সমন্বয় হতে পারে, এবং এটি বিভিন্ন ডোমেন নেইম এক্সটেনশানগুলির সমন্বয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে, যেমন .com, .net, .gov, .org, .com.bd এবং আরও অনেক কিছু। আপনি ডোমেন নেইম ব্যবহার করার হলে প্রথমে ডোমেন নেইম রেজিস্টার করা আবশ্যক। প্রতিটি ডোমেইন নাম অনন্য। কোনও দুটি ওয়েবসাইটের একই ডোমেইন নাম থাকতে পারে না। যদি কেউ www.mydomain.com– এ টাইপ করে তবে এটি mydomain ওয়েবসাইটে যাবে এবং অন্য কোথাও যাবে না।
আরেকটা কথা খেয়াল রাখবেন, আপনি যে বিষয় নিয়ে ওয়েবসাইট নিতে ইচ্ছুক নামটা যেন তাঁর রিলেটেড হয়। ধরুন আপনি ইন্টারনেট বা টেকনোলজি রিলেটেড সাইট নিবেন এই ক্ষেত্রে আপনার ডোমেন নেম’টা শুনেই যেন সবাই বুজতে পারে এটা টেকনোলজি রিলেটেড সাইট।

২. ওয়েব হোস্টিং (Web Hosting) নেয়া?

ওয়েবসাইট গুলো এমন ভাবে তৈয়ার করা যাতে পৃথিবীর যে কেউ যে কোন জায়গা থেকে দেখতে পারে। তাই ওয়েবসাইটের কনটেন্ট (গান, ছবি, আর্টিকেল, ভিডিও ইত্যাদিকে কনটেন্ট বলে) যাতে সবাই দেখতে পারে তার জন্যে কনটেন্টগুলোকে ২৪ ঘণ্টা এবং ৭ দিনই ইন্টারনেট সংযোগ আছে এমন জায়গায় রাখতে হবে। আর এ জায়গাটা হতে পারে কোনো কম্পিউটারের হার্ড-ড্রাইভ যার সাথে ইন্টারনেটের ২৪ ঘণ্টা সংযোগ রেয়েছে। এক কথায়, আপনার ওয়েবসাইটের যাবতীয় তথ্য এমন জায়জায় রাখবেন যাতে করে যে কেউ আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে তথ্যগুলি দেখতে পারে, এটাই হচ্ছে হোস্টিং।
কোথায় থেকে ডোমেন-হোস্টিং নিবেনঃ
আপনার যদি অনলাইন সাপোর্ট করে এমন মাষ্টার কার্ড থাকে তাহলে HostGator, Samahar Sof, Kona Server  , 1&1 Web Hosting, InMotion, DreamHost, Liquid, GoDaddy, Hostwinds, a2hosting, namecheap, namesilo ইত্যাদি অনেক বিদেশী ডোমেন হোস্টিং কোম্পানি আছে যারা কিনা ভালো সার্ভিস দেয়। তাদের থেকে নিতে পারেন।
তাছাড়া মাষ্টার কার্ড না থাকলেও বিকাশ বা ব্যাংক ট্রান্সফার এর মাধ্যমে আপনি ইচ্ছে করলে বাংলাদেশে অনেক ডোমেন হোস্টিং প্রভাইডার কোম্পানি আছে যারা কিনা ভালো সার্ভিস দেয়, তাদের থেকেও ডোমেন হোস্টিং নিতে পারেন। তবে অচেনা কারো থেকে নেয়ার আগে তাদের রিভিউ এবং অন্যদের কাছ থেকে জেনে শুনে নেবেন। কারন, আমরা বাঙ্গালী , সো প্রতারণা আমাদের ট্যাডিশন।
আমার চেনাজানা কিছু বাংলাদেশী ডোমেন-হোস্টিং প্রভাইডার আছে যারা এখন বিদেশী কোম্পানি গুলোর মতোই ভালো সার্ভিস দেয়। আমি এখন পর্যন্ত তাদের কাছ থেকে ভালো সার্ভিসই পেয়েছি। যাই হোক, আপনার সুবিধা মতো যেকোন ভালো কোম্পানি থেকে নিয়ে নিতে পারেন।
তবে, আপনি যেখান থেকেই ডোমেন নেইম (Domain Name) এবং হোস্টিং (Hosting) নেন না কেন এই বিষয় গুলো যাচাই করে নিবেন। হোস্টিং এর Bandwidth, Compatibility, Reliability, Security ইত্যাদি বিষয়াদি। এখানে আরও কিছু বিষয় রয়েছে, যেমন সিকিউরিটি অ্যাক্সেস, লোডিং স্পীড কেমন, ২৪ ঘণ্টা সার্ভার চালু থাকবে কিনা ইত্যাদি। এই গুলি সরাসরি ডোমেন হোস্টিং সাপোর্টে জিজ্ঞেস করে নিবেন। ডোমেন হোস্টিং এর দাম একত্রে বাৎসরিক হিসেবে ২০০০ টাকা থেকে পেতে পারেন। রেট টা মূলত নির্ভর করে Bandwidth, Compatibility , Disk Space এই গুলির উপর। এই গুলি যতো বাড়বে টাকার পরিমাণ ও বাড়বে।

৩. সি.এম.এস (CMS) ও থিম সিলেকশন:

প্রচলিত কিছু জনপ্রিয় কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের হলো WordPress, Drupal, Joomla, ExpressionEngine, TextPattern, Radiant CMS, Cushy CMS, SilverStripe ইত্যাদি। তবে সবচেয়ে সহজ ও বহুল ব্যবহৃত CMS হলো WordPress তাছাড়া এর কাজ সহজ করার জন্য অনেক প্লাগিন ব্যবহার করতে পারবেন।
আর থিম এর কথা বলতে গেলে ওয়ার্ডপ্রেসের নিজস্ব ফ্রি থিম, থিম ভান্ডার রয়েছে । এখানে একটি সমস্যা হচ্ছে আপনার প্রয়োজনমত থিম খুজে পাবেন না । দেখা যাবে ডিজাইন পছন্দ হয়েছে ত আপনার প্রয়োজনীয় সব ফিচার নেই । আবার অনেক ফিচার সমৃদ্ধ কিন্তু ডিজাইন ভাল না । আর বেশিরভাগ ফ্রি থিমেই কোন সমস্যা হলে প্রয়োজনের সময় সাপোর্ট পাওয়া যায় না । তবে অনেক ওয়েবসাইট আছে যেখান থেকে আপনি নিশ্চিন্তে ফ্রি থিম ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন । যদিও তাদের থিম সংখ্যা কম । তবে তারা আপনার ১০০ ভাগ প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম । এবং কোন সমস্যা হলে ভাল সাপোর্টও পাবেন । তবে পেইডথিম কিনে নিলে ভালো।

৪. তারপর আসি একটি ইমপরটেন্ট ফেক্টর কিওয়ার্ড রিসার্চ ও কম্পিটিশান অ্যানালাইসিস এর কথাঃ

কিওয়ার্ড রিসার্চঃ
সঠিক কিওয়ার্ড নির্বাচন এবং সার্চ ইঞ্জিনে সেটা রাঙ্কিং করা এসইও তে খুব গুরুত্বপূর্ণ । সঠিকভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারলে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন যুদ্ধে আপনি ৫০% এগিয়ে থাকলেন। কিওয়ার্ড রিসার্সে ভুল হলে প্রতিটা পদে পদে ওয়েবসাইটকে মূল্য দিতে হয় অতএব আপনার বিজনেস এর মূল চাবি হল কিওয়ার্ড রিসার্চ। অনলাইনে কিওয়ার্ড রিসার্সের জন্য অনেক টুলস পাবেন, একটু Google এ সার্চ দেন দেখবেন অনেক ভালোভালো টুলস পেয়ে যাবেন। যেমন,গুগল অ্যাডওয়ার্ডস গুগল এর একটি ফ্রি টুলস। এর মাধ্যমে আপনি গুগল এর পেইড ক্যাম্পেইন সেটআপ এবং সব ধরনের কি-ওয়ার্ড এর লং টেইল কি-ওয়ার্ড এর সাজেশন, সার্চ ভলিউম, বিজ্ঞাপনের কম্পিটিশন এর হার, একটি নির্দিষ্ট সাইটের ক্ষেত্রে কোন কিওয়ার্ডটি বেশি জনপ্রিয় তা খুব সহজে বের করতে পারবেন এবং ইন্টারনেটে কোন কিওয়ার্ডগুলো সবচেয়ে বেশি ব্যাবহৃত হচ্ছে বা সার্চ করা হচ্ছে। এরপর প্রয়োজনমতো সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
[Note: গুগল অ্যাডওয়ার্ডস মাত্র ১ টি টুলস আপনি যদি ভালো কি কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে চান তবে আরো অনেক ভালোভালো টুলস আছে ঐ গুলি দিয়েও আপনাকে কিওয়ার্ড খুঁজতে হবে।]
কম্পিটিশান অ্যানালাইসিসঃ
প্রথমেই বলে রাখা ভাল, কিওয়ার্ড কম্পিটিশান অ্যানালাইসিস একটি জটিল প্রক্রিয়া। অনেকে আবার বলবেন, বিভিন্ন টুলস দিয়ে তো কিওয়ার্ড পেয়েই গেছি তাছাড়া এদের সার্চ ভলিউম, বিজ্ঞাপনের কম্পিটিশন এর হার এই গুলিও জানি, তো আমাকে আবার কম্পিটিশান অ্যানালাইসিস করতে হবে কেন?
আপনাদের কে একটা আমার নিজস্ব ব্যাপার দিয়ে উদাহরণ দেই। ধরেন, আমি কুমিল্লাতে থাকি, কেউ একজন আমাকে বুদ্ধি দিলো যে কুমিল্লা শহরে প্রায় ১০ লাখ মানুষ বাস করে তাই তুমি যদি এখানে একটা রেস্টুরেন্ট দাও তাহলে খুব ভালো চলবে। এখন আমি যখন কম্পিটিশান অ্যানালাইসিস করতে গেলাম তখন দেখলাম কুমিল্লাতে যেমন ১০ লাখ মানুষ বাস করে তেমনি এখানে ১ হাজারের উপরে ভালো রেস্টুরেন্ট বা হোটেল অলরেডি আছে। এখন আমার কাছে ২ টি অপশন। হয় আমাকে রেস্টুরেন্ট দেয়ার কথা বাদ দিতে হবে নতুবা যদি দিতেই হয় তবে যারা যারা রেস্টুরেন্ট বা হোটেল দিয়ে খুব ভালো পজিশনে আছে তাদের সাথে টক্কর দিতে হবে। তারা কি কি আইটেমর খাবার বানায়, তাদের গ্রাহক কারা বেশী, তাদের দুর্বলতা কোথায় বা তাদের অনেক আইটেম খাবারের মধ্যে কোন খাবার টা একটু মানের দিক থেকে অনুন্নত তা বাছাই করতে হবে। আশা করি আমার এই উদাহরনের পরে কম্পিটিশান অ্যানালাইসিস নিয়ে আর কারো দ্বিমত থাকবেনা।
পুরো অ্যানালাইসিস প্রক্রিয়াটি জানতে হলে আপনাকে এসইও-র প্রায় প্রতিটা ফেক্টরের কোর লেভেল (সর্বোচ্চ পর্যায়) পর্যন্ত জানতে হবে। যেমন-
  • পেজ রেংক কি? কিভাবে নির্ধারন হয়?
  • ডোমিন এইজ (Age) কি? EMD কি?
  • ডোমিন অথরিটি কি? পেজ অথরিটির কি?
  • টাইটেল ও ডেস্ক্রিপশন ট্যাগ কি? এই ট্যাগ কিভাবে এসইও তে প্রভাব ফেলে?
  • ব্যাক লিংক কি? ব্যাক লিং কিভাবে পাওয়া যায়? Do-follow, No-follow ব্যাংক লিংঙ্ক কি?
  • ইন্টারনাল লিংক, এক্সস্টার্নাল লিংঙ্ক কি? কিভাবে কাজ করে?
  • এলেক্সা রেংক কি? এলেক্সা রেংক কি? এলেক্সা রেংক কিভাবে কাজ করে?
  • কিওয়ার্ড র্যাং ক ডিফিকাল্টি ইত্যাদি বিষয়ে ভালো ধারণা থাকা চাই।

৫. এবার আসি সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর কথাঃ

এসইও আসলে কত প্রকার? আমার এই পোস্ট পড়ার পর অনেকে হয়তো বলবেন, এতো দিন কি তাহলে ভুল জানতাম? তবে যারা জানেন তাদের জন্য গুড লাক। একটি সাইট কিভাবে র‍্যাংক এ আনা যায়, প্রায় ৯৫% এসইও এক্সপার্টরা বলে থাকেন ওয়েব সাইট র‍্যাংকে আনতে ২ প্রকার এসইও করা লাগে। অন পেইজ অপটিমাইজেশন এবং অফ-পেজ অপটিমাইজেশন। আসলে তাদের কথাটা সামান্য একটু ভুলের মধ্যে আছে।
এসইও আসলে দুই প্রকারঃ a. পেইড সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন b. অর্গানিক সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন
আর আমাদের জানা সেই অন পেইজ অপটিমাইজেশন এবং অফ-পেজ অপটিমাইজেশন হলো অর্গানিক সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন করার ২ টি পদ্ধতি বা টাইপ।
a. পেইড সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন:
গুগলে সার্চ দিলে মাঝে মাঝে দেখবেন সার্চ রেজাল্টের ডানে বা উপরে ভিন্ন রং (সাধারনত হালকা খয়েরি) কিছু লিংক থাকে (যে শব্দ দিয়ে সার্চ দিয়েছেন সেটা সংশ্লিষ্ট)।এগুলি পেইড লিংক অর্থ্যাৎ এর জন্য গুগলকে অর্থ দিতে হয়েছে।এই ধরনের অপটিমাইজেশনকে পেইড এসইও (Paid SEO) বলে।
b. অর্গানিক সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন:
যে লিংকগুলি সার্চ রেজাল্ট পেজে সাধারনভাবে প্রদর্শিত হয় মানে গুগল এগুলি কোন বিশেষ রং দিয়ে হাইলাইট করেনা এগুলি অর্গানিক লিংক।এই ধরনের অপটিমাইজেশনকে অর্গানিক এসইও (Organic SEO) বলে। এটাকে এলগরিদমিক SEO ও বলে।
(বিঃদ্রঃ আমরা শুধু অর্গানিক সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (Organic SEO) শিখবো , পেইড সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (Paid SEO) নয়।)
অরগানিক এসইও :
  1. * অন-পেজ অপটিমাইজেশনঃ
অন-পেজ অপটিমাইজেশন এ যে কাজ গুলো করা লাগে তারমধ্যে মেটা ট্যাগের ব্যবহার (Meta Tag), টাইটেল ট্যাগের ব্যবহার করা (Title Tag), কি-ওয়ার্ড ট্যাগ ব্যবহার (Key-word Tag), ডেসক্রিপশন ট্যাগের ব্যবহার (Description Tag), অলটার ট্যাগের ব্যবহার (ALT Tag), পেজ এবং পেজে বিদ্যমান ফাইলের নাম করণ, কনটেন্ট এর মাঝে কি-ওয়ার্ড এর ব্যবহার করা, এক্সএমএল সাইট ম্যাপ তৈরি করা ( XML Sitemap, তাছাড়া বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে সাইট সাবমিট করা ইত্যাদি কাজ করা। প্রতিনিয়ত এগুলোর উন্নতি সাধনে চেস্টা করে যান তবে সফল ভাবে আপনি নিজেও পারবেন ওয়েবসাইটের অন-পেজ অপটিমাইজেশন সফল করে তুলতে ।
2. *অফ-পেজ অপটিমাইজেশন বা লিংক বিল্ডিং:
 
অনেকে লিংক বিল্ডিংটাকে অফ পেইজের একটা কাজ মনে করে । আসলে অফপেইজের জন্য আপনি যাই করবেন সবই লিংক বিল্ডিং এর অন্তর্ভুক্ত। অফপেইজ এসইও কে একটি বিল্ডিং এর পিলার এর সাথে তুলনা করা জেতে পারে । একটি বিল্ডিং এর খুটি যত মজবুত বিল্ডিংটি তত মজবুত ও দীর্ঘ স্থায়ী হয় । তেমনি অফপেইজ এসইও কে একটি সাইটের খুটি বলা যেতে পারে । সাইটের এসইও মজবুদ করতে হলে অফপেইজ এসইও খুব ভালো ভাবে সম্পাদন করতে হবে ।
অফ-পেইজ অপটিমাইজেশনের ক্ষেত্রে প্রধান আলোচ্য বিষয় সমূহঃ
a. সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম: বর্তমান সময়ের জন্য সামাজিক মাধ্যম এর চাইতে বড় এবং শক্তিশালী প্রচার মাধ্যম আর কোথাও নেই ।
সামাজিক মাধ্যমের মাঝে লিংকড ইন, টুইটার, ফেসবুক, ইউটিউব, রেডিট, পিন্টারেস্ট এগুলো অন্যতম এবং সর্বাধিক ব্যবহৃত ।
b. ব্যাক লিংক তৈরিঃ
আফপেইজ এসইও অনেক বিশাল বিষয়, আপনাকে অনেক সময় নিয়ে এখানে কাজ করতে হবে। অফপেইজ এসইওতে আপনাকে যে বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করতে হবে সেগুলো হচ্ছে –
  •  Social Bookmarking
  •  Blogging
  •  Forum Marketing
  •  Search Engine Submission
  •  Directory Submission
  •  Local Listings
  •  Article Submission
  •  Answer Questions
  •  Web 2.0
  •  Video Marketing
  •  Business Reviews
  •  Guest Posting etc..
অবশ্য অনপেইজ এসইও ও খুব গুরুত্ব সহকারে সম্পন্ন করতে হবে । নাহলে জিনসটা ভিতরে খারাপ রড দিয়ে বাহিরে খুব জাকজমক করে আস্তর করার মতন হয়ে যাবে ।
এখন বলতে পারেন ভাই আপনার কথা মতো ডোমেন- হোস্টিং নিলাম ! সাইট এর অন-পেইজ অপটিমাইজেশন, অফ-পেইজ অপটিমাইজেশন করলাম সাইট এর ভিজিটর ভালো এখন আয় করবো কিভাবে। আয়ের কথাটা আসলে আমি সবার শেষে বললাম , কারন আগে ওয়েব সাইটটার ব্যাপারে পুরোপুরি ধারণা নেন ; তারপর আয় নিয়ে ভাবেন।

৬. চলুন দেখি ওয়েব সাইট থেকে কিভাবে আয় করা সম্ভবঃ

ক. বিজ্ঞাপন থেকে আয়ঃ 
আপনার ওয়েবসাইটে যদি বেশ ভাল ট্রাফিক (ট্রাফিক হচ্ছে ভিজিটর বা মানুষ যারা আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করবে) থাকে তাহলে আপনি আপনার ওয়েবসাইটে অন্যান্য কোম্পানীর বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করিয়ে সেখান থেকে আয় করতে পারেন। যেমন- আমরা প্রায় সময়ই বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ঢুকলে ওয়েবসাইটের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন পন্যের বিজ্ঞাপন দেখে থাকি। এই জাতীয় বিজ্ঞাপন গুলো ওয়েবসাইটে প্রদর্শন করানোর মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারেন। আপনার ওয়েবসাইটে যে কোম্পানির বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করাবেন সেই কোম্পানী আপনাকে একটি নির্দিষ্ট মূল্য পে করবে তাদের বিজ্ঞাপন আপনার ওয়েবসাইটে প্রদর্শন করানোর জন্য।
তাহলে এবার বলতে পারেন, এই সকল কোম্পানির বিজ্ঞাপন পাব কোথায়? এই ধরনের বিজ্ঞাপন পাওয়ার জন্য অনলাইনে অনেক জনপ্রিয় সাইট আছে (যেমন- গুগল অ্যাডসেন্স)। তাছাড়া আরো অনেক বিজ্ঞাপন এর সাইট আছে এই সকল সাইট থেকে কিভাবে অ্যাড নিবেন এবং কিভাবে আয় হবে সেটা নিয়ে ইনশাআল্লাহ পরবর্তীতে বিস্তারিত আলচনা করা হবে। এখন শুধুওয়েবসাইট থেকে আয় করার কিছু প্রসেস সম্পর্কে জানি।
খ. নিজের কোন পন্য বিক্রি করে আয়ঃ 
আপনার ওয়েবসাইট যদি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং প্রতিদিন বেশ ভাল ট্রাফিক থাকে তাহলে আপনি আপনার নিজের তৈরি করা কোন পন্যের বিজ্ঞাপন সেখানে দিতে পারেন এবং সেখান থেকে আপনি আপনার পন্যের জন্য বেশ ভাল সেল পেতে পারেন। তবে এটা শুধুমাত্র, যদি আপনার তৈরি করা কোন প্রোডাক্ট থাকে তাহলেই সম্ভব। আপনার যদি বিক্রি করার মত কোন পণ্য না থাকে তাহলে এই ক্ষেত্রে সম্ভব নয়।
গ. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়ঃ
 অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে অনেকটা সেলসম্যান এর মত। এখানে, আপনাকে বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য বিক্রি করে দিতে হবে এবং প্রতিবার যখন আপনি অন্য কোম্পানির কোন পণ্য আপনার নিজের মাধ্যমে বিক্রি করতে পারবেন তখন আপনাকে সেই বিক্রয়কৃত অর্থ থেকে কমিশন দেয়া হবে। আপনি চাইলে আপনার ওয়েবসাইটে এই জাতীয় মার্কেটিং করতে পারেন। নিজের সাইট বা ব্লগ করে আমাদের দেশে অনেকেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করছেন। কাজেই আপনিও এই জাতীয় কাজ করে আয় করতে পারেন।
ঘ. ইমেইল কালেকশনঃ 
আমরা সবাই মোটামুটি কম বেশি নেট থেকে বই, গান, ভিডিও ইত্যাদি ডাউনলোড করে থাকি। তবে, মাঝে মাঝে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে বই বা মুভি ডাউনলোড করতে গেলে আমরা দেখে থাকি আমাদের ইমেইল অ্যাড্রেস দিতে বলে। আমরা ইমেইল অ্যাড্রেস দিলে তারপর আমাদেরকে সেটা ডাউনলোড করতে দেয়। কিন্তু কেন এমনটা হয়, কেন ইমেইল এর ঠিকানা চায় ওই ডাউনলোড সাইট গুলো? এটা হচ্ছে এই জন্য যে, আপনি গান ডাউনলোড করার সময় আপনার যে ইমেইল এড্রেসটি দিবেন সেটি ওই ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ সংরক্ষন করে রাখবে। এই ভাবে যতজন ওই গানটি ডাউনলোড করতে তত জনের ইমেইল অ্যাড্রেস তার কাছে থাকবে। এই ভাবে ধরলাম, ১০০০ জনের ইমেইল ওই ওয়েবসাইটের মালিকের কাছে জমা হল। এবার তিনি ওই ১০০০ ইমেইল অ্যাড্রেস বিভিন্ন ইমেইল মার্কেটারদের কাছে বিক্রি করতে পারবেন। কারন, অধিকাংশ ইমেইল মার্কেটিং এর জন্য অ্যাক্টিভ ইমেইল অ্যাড্রেস এর তালিকা প্রয়োজন পরে। এই জন্য বিভিন্ন ইমেইল মার্কেটাররা ইমেইল অ্যাড্রেস কিনে নেয় নিজেদের মার্কেটিং করার জন্য। আর আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে এবং আপনি এইভাবে ইমেইল অ্যাড্রেস সংগ্রহ করতে পারেন, তাহলে আপনিও এই ইমেইল অ্যাড্রেস গুলো বিক্রি করে আয় করতে পারেন।
কিন্তু সব কথার বড় কথা হল, ওয়েবসাইটে যদি ট্রাফিক বা ভিজিটর না থাকে তাহলে কোন লাভই নেই। কারন, যে সাইটের ভিজিটর নেই সেই সাইটে কেউই টাকা খরচ করে বিজ্ঞাপন দিবে না। আর তাই যে কোন ওয়েবসাইট আপনার আয়ের উৎস তখনই হবে যখন আপনার সাইটটি জনপ্রিয় হয়ে উঠবে এবং প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ লোক আপনার সাইট ভিজিট করবে। কিন্তু এই পর্যায়ে একটি ওয়েবসাইটকে নিয়ে আসার জন্য প্রয়োজন প্রচুর পরিশ্রম আর ধৈর্য্য।



বিশ্বে সর্বপ্রথম বাঁশের মোবাইল টাওয়ার তৈরি করল বাংলাদেশ

পরিবেশ থেকে পাখিদের উধাও হয়ে যাওয়ার জন্য বিজ্ঞানীরা মোবাইল টাওয়ারকে অনেকটাই দায়ী করেছেন। সারা বিশ্বে ইস্পাত ছাড়া টাওয়ার তৈরির হাজারো প্রচেষ্টা চলেছে। কৃত্রিম তাল গাছ থেকে পাইন, খেজুর গাছ তৈরি করে চলেছে পরীক্ষা। তবে এই প্রথম বার বাঁশের সাহায্যে মোবাইল ফোনের টাওয়ার তৈরি করল বাংলাদেশের এক সংস্থা। ঢাকার উত্তরা এলাকায় একটি বাড়ির ছাদে পরীক্ষামূলক ভাবে এই টেলিযোগাযোগ টাওয়ারটি বসানো হয়েছে। ঢাকার ইডটকো গ্রুপ পরিবেশ বান্ধব এই টাওয়ারটি তৈরি করেছে।

বেশ কিছুদিন ধরেই বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের একটি দল ইস্পাতের বিকল্প হিসাবে বাঁশের ব্যবহার নিয়ে গবেষণা করছিল। পরে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে তাঁরা পরীক্ষা করে। সাফল্যও আসে সেই পরীক্ষায়। ইশতিয়াক আহমেদের মতে, “বাঁশ যেরকম একদিকে সহজলভ্য, অন্য দিকে খরচাও কম। তাই টেলিযোগাযোগের জন্য বাঁশের বিকল্প কিছু নেই।”

১২ দিনের মধ্যে বাঁশের এই টাওয়ারটি তৈরি হয়েছে। গবেষকদের মতে, ঠিকঠাক দেখভাল করলে এই মোবাইল টাওয়ারের মেয়াদ ১০ বছরের কাছাকাছি হতে পারে। প্রায় ২১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাতাসের গতি সহ্য করতে পারবে এই টাওয়ার। একটিতে মোট আটটি অ্যান্টেনা বসানো যাবে। তবে বিশেষ ধরনের এই টাওয়ার তৈরির জন্য দরকার কাঁচা বাঁশ।




ফ্রিজ ব্যবহারে মেনে চলুন কিছু নিয়ম

বাড়ির ফ্রিজটা শখের জিনিসই হয় গৃহকর্ত্রীর। দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য একটি যন্ত্রও বটে। যন্ত্র বলেই মাঝে মাঝে এক-আধটু পরিষ্কার রাখতে হয় ফ্রিজ। সেই সাথে নিশ্চিত হয় পরিবারের সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষা।

ফ্রিজ ব্যবহারে কিছু নিয়ম মেনে চলুন। তাহলে ঘরের সবার স্বাস্থ্য ভালো থাকার পাশাপাশি কিছুদিন পর পর ফ্রিজ ধোয়া-মোছা থেকে বেঁচে যাবেন আপনি।

শাকসবজি কিংবা ফলমূল সবকিছুই ভালো মতো ধুয়ে ফ্রিজে রাখুন। তাহলে ফ্রিজে গন্ধ হবে না। পেঁয়াজ, রসুন ভুলেও কখনো ফ্রিজে রাখতে যাবেন না।

যে কোনো সবজি প্লাস্টিকের প্যাকেটে রাখার চেষ্টা করুন। প্লাস্টিকের প্যাকেটের মুখ ভালো মতো শক্ত করে বন্ধ করে দিন। এতে শাকসবজি ভালো ও টাটকা থাকবে। কাঁচা মরিচের বোটা ফেলে দিয়ে প্লাস্টিকের ব্যাগে মুখ বন্ধ করে রাখুন।

বেশির ভাগ সময় ধনেপাতা, পুদিনাপাতা, লেটুস পাতা ইত্যাদি ফ্রিজে রাখলে শুকিয়ে যায়। এ অবস্থা রোধ করতে পাতাগুলোর গোড়া কেটে তারপর ফ্রিজে রাখুন। সহজে শুকাবে না।

টমেটো ও শসা এক প্যাকেটে না রেখে আলাদা আলাদা প্যাকেটে রাখুন। অনেকদিন টাটকা থাকবে। ডিম রাখার সময় ডিমের মোটা দিকটা নিচের দিক করে রাখলে ডিম অনেকদিন ভালো থাকে।

ডিপ ফ্রিজে ফল বা তরকারি রাখা উচিত নয়। এতে স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়।

ফ্রিজে রাখা খাবার বের করে এনে একবার গরম করেই খেয়ে নিন। একবার গরম করে রেখে দিয়ে আবার ঠাণ্ডা করা – এভাবে বার বার চলতে থাকলে খাবারে ব্যাকটেরিয়া আক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।




ফোন চার্জ নিয়ে যত ভুল ধারণা

মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের প্রতিদিনই নিজের ফোনটিকে চার্জ দিতে হয়। এটি একটি অভ্যাসে পরিণত হয়েছে ব্যবহারকারীদের। তবে এই চার্জ দেওয়া নিয়ে কিছু ভুল ধারণা আমরা লালন করি, বা পালন করি। মানে বলা হয়, এটা করলে ফোনের ক্ষতি হবে, ওটা করলে ব্যাটারির সমস্যা হবে ইত্যাদি। প্রায় সব স্মার্টফোনেই থাকে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি। আর মাঝেমধ্যেই এসব ব্যাটারির বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। কিছুদিন আগেই স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৭ মোবাইল ফোনের ব্যাটারি বিস্ফোরণ প্রসঙ্গটি আলোচনায় এসেছে। ফলে ব্যাটারি সংক্রান্ত ভুল ধারণাগুলো আরো পাকাপোক্ত হয়েছে। যদিও  স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৭-এর ব্যাটারি বিস্ফোরণ নির্মাণজনিত ত্রুটি ছাড়া আর কিছুই নয়।

মোবাইল ফোনে যেন আগুন না ধরে যায় সেভাবেই যন্ত্রটির ব্যাটারি বানানো হয়। আর সঠিকভাবে নির্মিত লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি অন্তত আপনার পকেটে জ্বলে উঠবে না। কাজেই অযথা ভয় না পেয়ে চলুন জেনে নিই চার্জ দেওয়া নিয়ে ছয়টি ভুল ধারণার কথা। ধারণাগুলো প্রকাশ করা হয়েছে ম্যাশেবল নামের এক ওয়েবসাইটে।

ধারণা ১ : সারারাত মোবাইলে চার্জ দেওয়া খারাপ

কিছু পুরোনো মডেলের মোবাইল ফোন ছাড়া বেশির ভাগ স্মার্ট ফোন নিজে থেকেই বুঝে নেয় যে তার চার্জ পরিপূর্ণ হয়েছে। যখন চার্জ পূর্ণ হয় তখন নিজে থেকেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে চার্জ নেওয়া বন্ধ করে দেয় ফোন। স্মার্টফোনের এই বৈশিষ্ট্যের কারণেই আপনি নিরাপদ।

ধারণা ২ : সম্পূর্ণ চার্জ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুনভাবে চার্জ দেওয়া যাবে না

এটা সচরাচর না করাই ভালো। লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি আপনার টিভির রিমোটের ব্যাটারির মতো নয় যে ব্যাটারির শক্তি শেষ হওয়ার আগেই নতুন ব্যাটারি ব্যবহার করা যাবে না। অথবা ব্যাটারির চার্জ ফুরিয়ে না গেলে নতুনভাবে চার্জ দেব না- এরকম ধারণা রাখাই উচিত নয়। পুরোনো নিকেল-মেটাল হাইড্রাইড ব্যাটারির মতো মেমোরি এফেক্ট (পুরোনো ব্যাটারির ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ চার্জ শেষ না হলে নতুনভাবে চার্জ না নেওয়াকে বলে মেমোরি এফেক্ট) আপনার নতুন স্মার্টফোন এবং মোবাইল ফোনের ব্যাটারির ক্ষেত্রে নেই। বরং এ রকম মনে করে সম্পূর্ণ চার্জ শেষ করে চার্জ দিলে আপনার মোবাইল ফোনের ক্ষতি হতে পারে। তাই যখন খুশি তখন, উপযুক্ত জায়গা পেলে, সেখানেই চার্জ দেবেন।

ধারণা ৩ : ফোন চার্জের সময় তা ব্যবহার করা যাবে না

চার্জের সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলেও অনেকে পরামর্শ দেন এটি না করার জন্য। কারণ তারা মনে করেন এটি করলে তা মোবাইল ফোনের জন্য ক্ষতির কারণ হবে। যদিও অন্যসব ভুল ধারণার মতো এটিরও কোনো ভিত্তি নেই। এই ভুল ধারণাটি আরো শক্ত হয় ২০১৪ সালে, সেসময় চার্জ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী এক নারীর মৃত্যু হয়। ঘটনাটি ঘটে অস্ট্রেলিয়ায়। যদিও কর্তৃপক্ষ পরে দেখেছেন, কম দামি ইউএসবি চার্জার ব্যবহার করার জন্যই এ ঘটনা ঘটেছিল। তাই চার্জ দিয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিরাপদ, তবে সস্তা চার্জার থেকে সাবধান। আর ভেজা হাতে চার্জ লাগানো মোবাইল না ধরাই ভালো।

ধারণা ৪ : সকল চার্জার একইভাবে নির্মিত

চার্জার আপনার মোবাইল ফোনে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে, এটার মধ্যে আর কতটুকু বৈচিত্র্য থাকতে পারে? চার্জার নিয়ে এ রকম ধারণা অনেকেরই আছে। কিন্তু আসলে একটি ভালো চার্জারের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে। তাই নকল চার্জার ব্যবহার করা উচিত নয়। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ কেন শেরিফ বাজারে অ্যাপলের চার্জারের ছদ্মবেশে থাকা বেশকিছু নকল চার্জার নিয়ে গবেষণা করেছেন। এগুলোই মূলত আপনার মোবাইল ফোনকে নষ্ট করা এবং আগুন ধরিয়ে দেওয়ার জন্য দায়ী। নামকরা ব্র্যান্ডের চার্জার না কিনলেও চার্জারের ভালো-মন্দ দেখে সেটা কেনা উচিত। ভালো চার্জার মানেই আপনার মোবাইল দ্রুত চার্জ হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুতের অতিরিক্ত তাপে তা গলে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে।

ধারণা ৫ : সপ্তাহে সাতদিন ২৪ ঘণ্টা মোবাইল চালু রাখা যাবে না

সারাক্ষণ মোবাইল খোলা রাখলে আপনার ব্যাটারির জীবনের মেয়াদের ওপর প্রভাব পড়তে পারে কিন্তু মোবাইল ফোনটি বন্ধ করে রাখা এর কোনো সমাধান নয়। এ জন্য সপ্তাহে একবার মোবাইল রিবুট অপশন থেকে পুনরায় বুট করে নেওয়া উচিত। এতে আপনার মোবাইলের কর্মক্ষমতা উন্নয়নেও তা সহায়ক হবে।

ধারণা ৬ : ‘লোকেশন সার্ভিস’ বা অবস্থান সংক্রান্ত সেবা আপনার ব্যাটারির ক্ষমতা নষ্ট করছে

মোবাইল ফোনে চালু অ্যাপগুলো যা অবস্থান সংক্রান্ত সেবা দিয়ে থাকে তা ব্যবহারের কারণে ব্যাটারির ধারণ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাবে, এ রকম অভিযোগ অনেকের কাছেই শুনে থাকবেন। আইটি বিষয়ক সাইট অ্যান্ড্রয়েড অথরিটির মতে এই ধারণাটিও ভুল। এ রকম অনেক সেবামূলক অ্যাপ রয়েছে যা ব্যবহার করলে আপনার অ্যাপের চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যেতে পারে, তার মানে এই নয় যে এটি আপনার মোবাইল ফোনের ব্যাটারির জন্য ক্ষতিকর। আপনি আপনার মোবাইল ফোনে লোকেশন সার্ভিস ব্যবহার করতে চাইলে তা নির্বিঘ্নে ব্যবহার করতে পারেন। এটি কখনই আপনার ব্যাটারির জীবননাশ করবে না।

সূত্রঃ DLACF.COM 




১০টি ডিসলাইক পড়লে মুছে দেয়া হবে ফেসবুক স্ট্যাটাস

ফেসবুকে ডিসলাইক অপশন আসছে খুব শিগগিরই। সম্প্রতি ফেসবুক সিইও মার্ক জাকারবার্গ নিশ্চিত করেছেন বিষয়টি। ব্যবহারকারীদের মধ্যে যারা নতুন এই অপশনটি নিয়ে বেশ আগ্রহ দেখাচ্ছেন তারাও হয়তো জানেন না যে নতুন এই অপশনে কী অপেক্ষা করছে তাদের জন্য।

ডিসলাইক অপশনের ভয়াবহ একটি অসুবিধার কথা এবার জানিয়ে দিল ফেসবুক। ব্যবহারকারীর দেয়া কোন স্ট্যাটাস যদি দশটির পরিমাণ ডিসলাইক পড়ে তাহলে তাহলে সেই বিষয়টিকে মুছে দেবে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

এ ব্যাপারে জুকারবার্গ জানান, ‘ফেসবুকের মূল লক্ষ্য হচ্ছে মানুষের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করতে সহযোগিতা করা এবং পাশাপাশি মানুষকে একটি প্লাটফর্মে একত্র করা। আমরা ফেসবুকে ডিসলাইক অপশনের যুক্তের জন্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে অনেক বছর যাবত অনুরোধ পেয়ে আসছিলাম। এবার এটি ফেসবুকে যুক্ত করতে যাচ্ছি আমরা। এর মাধ্যমে পোস্ট মুছে ফেলা এবং মনিটর করার কাজও সহজ হয়ে যাবে ফেসবুকের ক্ষেত্রে।’

তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ডিসলাইক অপশনটি ফেসবুকের জন্য লাভের চেয়ে ক্ষতির কারণই হবে। এখান থেকে ব্যবহারকারীদের মধ্যে এক ধরনের হতাশা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন দেখা যাক ডিসলাইক অপশনটি কিভাবে গ্রহণ করেন ব্যবহারকারীরা।




ফেসবুকে কেউ আপনাকে ‘আনফ্রেন্ড’ করলে কীভাবে জানবেন

বন্ধুত্ব তৈরির জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুক । কিন্তু কখনও কখনও ফেসবুক-বন্ধুত্বও বিরক্তি, ভোগান্তির কারণ হয়। এরকম হলে অপছন্দের বন্ধুকে আনফ্রেন্ড করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। এরকমভাবে আপনিও ফেসবুকে কারও অপছন্দের তালিকায় পড়ে যেতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আপনাকেও কেউ আনফ্রেন্ড করে দিতে পারে। ফেসবুক কিন্তু এক্ষেত্রে কোনও নোটিফিকেশন পাঠায় না।

তা হলে অজস্র বন্ধুর মধ্যে কে আপনাকে হঠাৎ আনফ্রেন্ড করলো, তা জানার উপায় কী? উপায় অতি সহজ।

এজন্য আপনাকে ধাপে ধাপে কাজটি সম্পন্ন করতে হবে:

১. প্রথমেই গুগল ক্রোম ব্রাউজার খুলুন।
২. ক্রোমের ডান দিকের উপরের কোণের তিনটি ডট-এ ক্লিক করে ‘সেটিংস’ অপশন-এ যান।
৩.ওপরের দিকে একেবারে বামে ‘এক্সটেনশনস’-এ ক্লিক করুন।
৪. পেজ-এর একেবারে নিচে ‘গেট মোর এক্সটেনশনস’-এ ক্লিক করুন।
৫. সার্চ বক্স-এ লিখুন ‘আনফ্রেন্ড ফাইন্ডার’।
৬. সার্চ রেজাল্ট-এ ঠিক অপশনটির পাশে ‘অ্যাড টু ক্রোম’ অপশনটিকে সিলেক্ট করুন। এক্সটেনশনটি অ্যাড হয়ে যাবে আপনার ব্রাউজারে।
৭. এ বার ক্রোম ব্যবহার করে স্বাভাবিক ভাবে ফেসবুক-এ লগ ইন করুন।
৮. একেবারে ডান দিকের ওপরের কোণে আনফ্রেন্ড ফাইন্ডারের আইকনটিতে ক্লিক করুন। এই এক্সটেনশন দেখিয়ে দেবে, কে আপনাকে আনফ্রেন্ড করেছেন। এমনকী নতুন কেউ আপনাকে আনফ্রেন্ড করলেই আপনার কাছে নোটিফিকেশন চলে আসবে।

তবে এই এক্সটেনশন কেবল মাত্র গুগল ক্রোমের ডেস্কটপ ভার্সনেই কাজ করবে। মোবাইলে এই কৌশলে এক্সটেনশন অ্যাড করা যাবে না।




জেনে নিন মোবাইল দিয়ে আর কাজ করা যায়

আমরা অনেকেই মোবাইলের ব্যবহার বলতে ফেসবুক, গেম খেলা আর মোবাইলে কথা বলাকেই বুঝি। কিন্তু একটি ভালো মানের মোবাইল আপনার ব্যবসা বা অফিসের অনেক কাজকে সহজ করে দিতে পারে। এ জন্য আপনার দরকার  হবে কিছু প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার। মোবাইল ফোন দিয়ে আপনি যে কাজগুলো করতে পারবেন তা নিয়েই আমাদের এবারের আয়োজন।

অফিস কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাজগুলো কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ছাড়া করতে হলে আপনার প্রয়োজন হবে একটি ভালো মানের মোবাইল ফোন। অবশ্যই তা হতে হবে স্মার্ট ফোন। তবে আইফোন, উইন্ডোজ ও অ্যানড্রয়েড—সব ফোনেই সুবিধাগুলো পাওয়া যায়। উইন্ডোজ ফোনে স্থায়ীভাবে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, পাওয়ারপয়েন্ট ও এক্সেল দেওয়া হয়। সঙ্গে স্ক্যানিংয়ের জন্য অফিস লেন্স ও ভিডিও কলের জন্য স্কাইপও দেওয়া থাকে। ড্রপবক্স ও ওয়ানড্রাইভের মতো ফাইল শেয়ার করার সুবিধাও থাকে। চাইলে আপনি আরও ফিচার যুক্ত করে নিতে পারেন। আইফোন বা অ্যান্ড্রয়েডের জন্য আলাদা আলাদ ভার্সনের সফটওয়্যার পাওয়া যায়। সবচেয়ে সহজে পাওয়া যায় অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন সফটওয়্যার।

স্মার্ট ফোন যেটাই হোক, সেক্ষেত্রে ব্যাটারি-লাইফ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রথমেই দেখতে হবে ফোনটির ব্যাটারি যেন এমএএইচ বেশি থাকে। স্টোরেজ সাইজ, ক্যামেরা রেজ্যুলেশন, প্রসেসর যেন চাহিদা সম্পন্ন হয়। ইউএসবি ওটিজি সুবিধা থাকলে সরাসরি পেনড্রাইভ, কি-বোর্ড ও মাউস ব্যবহার করতে পারবেন।

নিরাপত্তা বিষয়ক কাজ

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আপনি আপনার অফিস বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা জনিত কাজগুলো তদারকি করতে পারবেন। আপনার প্রতিষ্ঠানে যদি সিসি ক্যামারা লাগানো থাকে  আর তাতে যদি ইন্টারনেট কানেকশন থাকে তাহলে আপনি আপনার প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় বিষয় আপনার আয়ত্বে রাখতে পারবেন। এজন্য আপনার মোবাইল ফোনের ফিচার হতে হবে  উন্নত।

ডকুমেন্ট তৈরি

ওয়ার্ডে কিছু লেখা, ষ্প্রেডশিটে হিসাব রাখা, প্রেজেন্টেশন স্লাইড তৈরি, ই-মেইল আদান-প্রদান কিংবা ফাইল সংরক্ষণে পিডিএফে রূপান্তর—কম্পিউটারে এসব কাজে সাধারণত ‘মাইক্রোসফট অফিস’ ব্যবহার করা হয়। সম্প্রতি মাইক্রোসফট স্মার্টফোনের জন্যও এ ধরনের অ্যাপ্লিকেশন বিনা মূল্যে ব্যবহারের সুবিধা দিচ্ছে। তাই ফোনেও ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট বা আউটলুক ব্যবহার করা যাবে। স্মার্টফোনে অফিসের কাজ সারার জন্য গুগলেরও রয়েছে অ্যাপ্লিকেশন ‘জি-স্যুট’। পিডিএফ করার ক্ষেত্রে ফোনে কম্পিউটারের চেয়েও সুবিধা বেশি। ফোনের ক্যামেরা দিয়ে ডকুমেন্ট স্ক্যান করে পিডিএফ করা যায়। এ ক্ষেত্রে স্ক্যান করার জন্য ক্যামস্ক্যানার এবং পিডিএফ ফাইল পড়ার জন্য এডোবি রিডার অ্যাপ ডাউনলোড করে নিতে হবে।

মেইল আদানপ্রদান

অফিশিয়াল কাজে ই-মেইল আদান-প্রদান খুবই জরুরি। এ কাজ আরো ভালোভাবে করা যায় আউটলুক ও গুগল ইনবক্স ব্যবহার করে। অনেক প্রতিষ্ঠানেই আজকাল নিজস্ব ই-মেইল সার্ভারের মাধ্যমে অফিশিয়াল মেইল অ্যাড্রেস ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে। এ কাজের জন্য আউটলুক আদর্শ। তবে স্মার্টফোনে অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও অনেক সময় টাচ স্ক্রিনে টাইপ করতে সমস্যা হয়। এ ক্ষেত্রে ব্লুটুথ কি-বোর্ড ব্যবহারে সুবিধা পাওয়া যাবে।

বাইরে থেকে অফিসে কাজ

অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মীদের জন্য স্বতন্ত্র কম্পিউটার না দিয়ে একটি মূল সার্ভারে লগইন করে কাজ করার ব্যবস্থা  রাখে। এতে খরচ ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা কমে। এ ব্যবস্থায় অফিসের বাইরে থেকেও স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের মাধ্যমে কাজ করা যায়। এ জন্য সাধারণত টিম ভিউয়ার, মাইক্রোসফট রিমোট ডেস্কটপ ও ষ্প্ল্যাশটপ অ্যাপ ব্যবহার করা হয়।

ফাইল শেয়ার

অফিসের কাজ বাইরে থেকে করা গেলেও সেগুলো দ্রুত পৌঁছাতে না পারলে সমস্যা। এ ক্ষেত্রে ড্রপবক্স ও গুগল ড্রাইভ কাজের অ্যাপ্লিকেশন। ড্রপবক্স বা গুগল ড্রাইভের মাধ্যমে অনলাইনে ফোল্ডার তৈরি করে সেখানে ফাইল রেখে লিংকটি ই-মেইল করে কাঙ্কি্ষত ব্যক্তিকে পাঠিয়ে দিলেই হলো। এ ক্ষেত্রে ডেস্কস্টপ ও স্মার্টফোনের নির্দিষ্ট কোনো ফোল্ডার নির্বাচন করে রাখলে সুবিধা পাওয়া যাবে বেশি। এতে ফাইল সহজে হারাবে না।

ভিডিও কনফারেন্স

ভিডিও কলের মাধ্যমে এখন জরুরি মিটিংও সেরে নেওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কাজের অ্যাপ্লিকেশন হচ্ছে স্কাইপ। অ্যাপটির মাধ্যমে টিম মিটিং ও সরাসরি আউটলুকে ইভেন্ট তৈরির সুযোগ আছে।

রিমাইন্ডার হিসেবে ব্যবহার

আপনার মোবাইল ফোনটিকে নোটবুক ও রিমাইন্ডার হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন। প্রত্যেকটি স্মার্ট ফোনে রিমাইন্ডার ফিচারটি যুক্ত থাকে। এছাড়াও গুগল ক্যালেন্ডার, মাইক্রোসফট মেইল অ্যান্ড ক্যালেন্ডারের মাধ্যমে একটি সম্মিলিত ক্যালেন্ডার ও শিডিউল তৈরি করা সম্ভব। এর মাধ্যমে কার, কোথায়, কখন কোন কাজ রয়েছে, তা প্রতিষ্ঠানের সবাই জানতে পারে। নোটবুক হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে গুগল প্লেস্টোর থেকে বিভিন্ন অ্যাপস ডাউনলোড করে নিতে পারেন। এই ধরনের অ্যাপের মধ্যে কালার নোট অনেক জনপ্রিয়।




ফেসবুক পাসওয়ার্ড নির্বাচনে যে ৫টি ভুল করবেন না

সাইবার দুর্নীতিবাজদের মধ্যে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। সামান্যতম সুযোগ পেলেই তারা আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি হাতিয়ে নিয়ে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে পারে। সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে ফেসবুক গ্রাহকদেরই। এবং এই সতর্কতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হল, এমন পাসওয়ার্ড নির্বাচন করা, যার নাগাল হ্যাকাররা চট করে পাবে না। এবং সে ক্ষেত্রে শুধু স্পেশাল ক্যারেকটার ও ডিজিটের ব্যবহার, কিংবা বড় পাসওয়ার্ড নির্বাচন করলেই বিপদ এড়ানো যাবে, তা নয়। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, পাসওয়ার্ড তৈরির ক্ষেত্রে কয়েকটি সাধারণ ভুল কমবেশি সকলেই করে থাকেন। কী রকম? আসুন, জেনে নেওয়া যাক—

১. পর পর সংখ্যা ব্যবহার করা: ১,২,৩,৪,৫ কিংবা ০,৯,৮,৭,৬ এই ধরনের কোনও সংখ্যাক্রম কোনও পাসওয়ার্ডের কোনও অংশে রাখবেন না।
২. নিজের নাম বা পদবীর ব্যবহার: আর যাই করুন না কেন, নিজের নাম বা পদবী কোনও রকম ভাবেই পাসওয়ার্ডে ব্যবহার করবেন না। নতুবা অবধারিত ভাবে হ্যাকারদের শিকার হতে হবে।
৩. ব্যক্তিগত নম্বর ব্যবহার: আপনার সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত যে সমস্ত নম্বর, যেমন আপনার জন্মদিন কিংবা ফোন নম্বর পাসওয়ার্ডে রাখবেন না।
৪. পরিচিত কারোর নাম ব্যবহার: আপনার বান্ধবী, স্ত্রী, ভাই-বোন প্রমুখের নামও ফেসবুকে পাসওয়ার্ডে ব্যবহার না করাই ভাল। রাস্তার নাম, পাড়ার নামও এড়িয়ে চলুন।
৫. অদ্ভুত শব্দ ব্যবহার করুন: mdihKocI কিংবা hfJHifu-এরম মতো কোনও শব্দ পাসওয়ার্ডে রাখুন, যার কোনও অর্থই নেই। তার সঙ্গে অবশ্যই জুড়বেন নম্বর (ডিজিট), স্পেশাল ক্যারেকটার (স্টার কিংবা হ্যাশ)। অন্তত ১৪টি ক্যারেক্টার রাখবেন পাসওয়ার্ডে।




ডিজিটাল নথির আওতায় আসবে ৪৩ হাজার সরকারি দফতর

দেশের ৪৩ হাজার সরকারি দফতর ডিজিটাল নথি কার্যক্রমের আওতায় নিয়ে আসতে কাজ করছে সরকার, যেখানে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সহ নতুন নতুন প্রযুক্তির সন্নিবেশ থাকবে।

সম্প্রতি পঞ্চগড়ে ‘সবুজপাতা’ নামে একটি অ্যাপ উদ্বোধন অনুষ্ঠানের ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দিয়ে এ তথ্য জানান তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তৃণমূলে সুষ্ঠুভাবে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করছে এ অ্যাপ। পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে অ্যাপটি উদ্বোধনে ছিলেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

ভিডিও কনফারেন্সে পলক বলেন, দেশের ৩৮০০ ইউনিয়ন ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবলের সংযোগে এসেছে। ১৮ হাজার সরকারি দফতরকে ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি ও সিঙ্গেল নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। দেশের ৪৩ হাজার সরকারি দফতরে ডিজিটাল নথি কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

যেখানে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সসহ নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার থাকবে’- বলেছেন প্রতিমন্ত্রী।