1

এসইও কি, ক্যারিয়ার হিসেবে এসইও, কিভাবে শিখবেন, কি কি শিখবেন?

এসইও কি?

SEO মানে ‍Search Engine Optimization। বর্তমান বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষ তার প্রয়োজনীয় তথ্য খুজে পেতে গুগলে সার্চ করে। গুগল তখন তার সার্চ রেজাল্ট পেজে অনেকগুলো সাইটের ফলাফল প্রদর্শন করে। কোনটি প্রথমে কোন ওয়েবসাইটের নাম হয়ত প্রদর্শন করে ২নং পেজে। যেটি প্রথমে দেখা যাচ্ছে সেটি প্রথমে দেখাচ্ছে কারন সেটিকে এসইও করা হয়েছে। কোন ওয়েবসাইটকে সার্চের প্রথমে প্রদর্শন করার জন্য যে প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয়, সেটিকে এসইও বলে। যখন আপনার ওয়েবসাইট সার্চের প্রথমে থাকবে তখন ওয়েবসাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি পায়। আর ভিজিটর বৃদ্ধি হলে ইনকামও বৃদ্ধি পায়। ধরুন, আপনি এসইও শিখবেন, সেজন্য ভালো ব্লগ খুজছেন। তাহলে হয়ত আপনি গুগলে লিখবেন এস ই ও বাংলা টিউটোরিয়াল। তখন সার্চের প্রথমে দেখবেন আমাদের ক্যারিয়ার সোর্স ব্লগ সাইটের নাম। আর এটি দেখে হয়ত আমাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে কেউ প্রবেশ করল, এরপর এখান থেকে তথ্য পেয়ে পছন্দ হলে এখানে থেকে শেখা শুরু করে দিলো। এটি হল এসইওর ফযিলত।

সার্চ ইঞ্জিন কী :

আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় যেকোন বিষয়ের তথ্য জানতে হলে ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে থাকি। তখন সারা বিশ্বের যত ওয়েবসাইটে এ ব্যপারে যেকোন তথ্য আছে, সব আমাদের সামনে চলে আসে। এ বিষয়গুলো জানার এসব উৎসকে সার্চ ইঞ্জিন ( search engine ) বলে। বিখ্যাত কয়েকটি সার্চ ইঞ্জিনের নাম হলোঃ গুগল (google), ইয়াহু (yahoo),বিং( bing) ইত্যাদি ।

এই সব সাইটে আপনি একটি শব্দ সার্চ বক্সে লিখে সার্চ বাটনে ক্লিক করলে , কয়েক সেকেন্ড এর মধ্য অনেক ওয়েবসাইটের লিংক চলে আসে, যেসব লিংকে গেলে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যায় ।

সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে :

সার্চ ইঞ্জিনগুলো তৈরি হয়েছে, মানুষের তথ্য থুজে পাওয়ার জন্য। সেজন্য কোন কিছু সার্চ দিলে যাতে সবচাইতে সেরা তথ্য খুজে পাওয়া যায় সেজন্য সার্চইঞ্জিন সাইটগুলো কিছু পোগ্রাম তৈরি করে রাখে। যেটি সকল সাইটগুলোর মধ্যে কিছু বিষয় তুলনা করে সেরা সাইটগুলোকে সার্চের সামনে নিয়ে আসে। সেরা সাইট নির্বাচন করার জন্য তারা দেখে ওয়েবসাইটটির মানসম্মত কিনা, ওয়েবসাইটের তথ্য সকলের জন্য প্রয়োজনীয় কিনা, ওয়েভসাইটটি কেমন জনপ্রিয়। এগুলোসহ আরও কিছু বিষয় নিয়ে ফলাফল প্রদর্শন করে।

সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং ক্ষেত্রে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ :

ওয়েবসাইট তৈরি হয়  কোম্পানীর পণ্যের প্রসারের জন্য। যতবেশি মানুষ আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিট করবে, ততমানুষ আপনার পণ্য সম্পর্কে কিংবা সার্ভিস সম্পর্কে ধারণা পাবে।  সার্চ ইঞ্জিন কোন একটি ওয়েভ সাইটে ভিজিটরের প্রধান উৎস। শতকরা ৮০% ভিজিটর সার্চ ইঞ্জিন মাধ্যমে কোন ওয়েব সাইটে আসে । ভবিষ্যতে এটি আরও বাড়বে । বিভিন্ন কারণে সার্চ ইঞ্জিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ।

ক) যেকোন ওয়েবসাইটের বেশীর ভাগ ভিজিটর সার্চ ইঞ্জিনে থেকে আসে । প্রতি মাসে প্রায় বিলিয়ন বিলিয়ন সার্চ হয় । United States এ এক জরিপে দেখা গেছে প্রতি মাসে কমপক্ষে ১০ বিলিয়ন সার্চ হয় । (সূএ : com score.2008 )

গ) অনেকে জানেনা তাদের প্রয়োজনীয় কোন তথ্য কোথায় পাওয়া যাবে।সে জন্য তারা সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে সে বিষয় লিখে সার্চ করে । তখন প্রয়োজনীয় সাইটের লিস্ট তাদের কাছে চলে আসে।

ঘ) বিনামুল্যে যেকোন তথ্য খুজে পাওয়া যায়, সেজন্য সবাই এটি ব্যবহার করে।

ঙ) সকল তথ্যে বিশাল ভান্ডার হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন। সেজন্য দিনে দিনে এটির উপর সবার নির্ভরশীলতা দিনে দিনে বাড়ছে।

চ) যেহেতু তথ্য খুজে পেতে সবাই সার্চইঞ্জিনের সাহায্য নিয়ে থাকে, সেজন্য সকল কোম্পানী তাদের পণ্যের প্রচারের জন্য সনাতনী পদ্ধতি ছেড়ে দিয়ে সার্চ ইঞ্জিনের সার্চের প্রথমে তাদের কোম্পানীর ওয়েবসাইটকে রাখতে চায়।

জ) মার্কেটিংয়ের সনাতনী সকল পদ্ধতিগুলো ব্যয়বহুল এবং বর্তমানযুগে কম কাযকরী। অন্যদিকে SEO তে খরচ কম কিন্তু আগের পদ্ধতির চাইতে কমপক্ষে ৬০ভাগ বেশি কাযকরী।

ক্যারিয়ার হিসাবে SEO :

বাংলাদেশে যারা আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ইনকাম করে তাদের বেশিরভাগ এসইও এর মাধ্যমে আয় করে। কারন বাংলাদেশে দক্ষ জনশক্তি কম। সাধারণত যাদের কম্পিউটার সম্পর্কে সাধারন ধারনা আছে, ইংরেজীতে মোটামুটি পারদর্শী, ওয়েবসাইট ভিজিট করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন তারা অতি সহজে এসইও এর কাজে পারদর্শী হতে পারেন। কোন প্রোগ্রামিং ভাষা জানার তেমন দরকার নাই বিধায় এই কাজ অতি সহজে রপ্ত করে দ্রুত কাজ শুরু করা যায় বলে বিশ্বব্যাপী এই কাজে নিয়োজিত আছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ।

১)বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসগুলোতে (odesk.com, freelancer.com ইত্যাদি)ভিজিট করলে দেখা যায়, এসইওর কাজ সবচাইতে বেশি।

২) নিজের একটি ব্লগ সাইটখুলে সেটিকে এসইও করে গুগলের প্রথমদিকে আনতে পারলে যদি ভিজিটর বৃদ্ধি পায় তাহলে অ্যাডসেন্স কিংবা এ ধরনের আরও অনেক বিজ্ঞাপনী সার্ভিসের মাধ্যমে ভাল আয় করা যায়। এপদ্ধতিতে সাধারণত মাসে ১০০ ডলার থেকে ১০০০ডলারের মত আয় করা যায়।

৩) অ্যাফিলিয়েশন্সের আয়ের জন্য প্রধান শর্ত হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটের প্রচুর পরিমানে টার্গেটেড ভিজিটর। আর ভিজিটর আনতে হলে এসইও করতেই হবে। আউটসোর্সিংয়ের এ কাজের মাধ্যমে মাসে আয় করা যায় সাধারণত ৩০০ -২০০০ ডলার।

৪) এসইওর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট গুগলের প্রথমে আনতে পারলে এবং ভিজিটর প্রচুর পরিমানে ওয়েবসাইটে আসলে বিভিন্ন লোকাল কোম্পানীর বিজ্ঞাপন আপনার ওয়েভসাইটে ব্যবহার করে মাসে ৩০০০০ টাকা থেকে ৫লাখ টাকাও আয় করতে পারবেন। যেমন টেকটিউনসে কোন প্রকার এ্যাডসেন্স ব্যবহার করা হয়না। এখানের আয় সম্পূর্ণ লোকাল বিজ্ঞাপন।

৫) এসইও শিখার আরও গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে, এসইও কোর্স একটি কিন্তু আয় করা সেক্টর অনেকগুলো। যেমনঃ ফোরাম পোস্টিং কিংবা ব্লগ কমেন্টিং কিংবা কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কেংবা পুরো এসইও করে আয় করা যায়।

৬) প্রতিদিন মাত্র ২-৩ ঘন্টা সময় দিয়ে এসইও করা যায়। সেজন্য অন্য চাকুরী পাশাপাশি এটি শিখে আয় করা সম্ভব।

কিভাবে শিখবেন এসইও?

আপনার ইংরেজি পড়া এবং বুঝার স্কিল যদি মোটামুটি লেবেলের ভালো হয় তবে আপনি গুগলকে ইউজ করে ভালো মানের কিছু ব্লগ থেকে এসইও’র অনেক অনেক কিছু শিখতে পারেন। আর নেট স্পিড ভালো হলে  ইউটিউব থেকে বিভিন্ন ভিডিও সার্চ করে দেখতে পারেন। বাংলাতেও প্রচুর এসইও গাইডলাইন আছে।

অনেকে অনলাইন থেকে শিখতে গিয়ে ধৈয্য হারিয়ে ফেলেন। যারা এভাবে শিখতে অভ্যস্ত না তারা ট্রেনিং সেন্টারগুলোতে ভর্তি হয়ে ৮০০০ টাকা থেকে ১৫০০০ টাকা খরচ করে পুরো ব্যাপারটি অভিজ্ঞ কারও কাছ থেকে শিখে নিতে পারেন। আমাদের দেশে ইতিমধ্যে এ সম্পর্কিত অনেকগুলো ভালমানের ট্রেনিং সেন্টার গড়ে উঠেছে।

কি কি শিখতে হবে?

এসইও দুইপ্রকার। অনপেজ এসইও এবং অফপেজ এসইও। এ দুটির সকল বিষয় আপনাকে খুব ভালভাবে জানা থাকতে হবে। এসইওর কাজ শুরুর আগে যা যা শিখতে হবে, সেগুলো হলো: কিওয়ার্ড রিসার্চ, বিভিন্ন এইচটিএমএল ট্যাগের ব্যবহার, কনটেন্ট অপটিমাইজেশন, ফোরাম পোস্টিং, ব্লগ কমেন্টিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, ডাইরেক্টরী সাবমিশন, গেস্ট ব্লগিং, প্রেসরিলিজ সহ আরও অনেক কিছু।

সূত্রঃ  ক্যারিয়ার সোর্স ব্লগ




প্রোফেশনাল অফপেজ এসইও ফ্রি বাংলা টিউটোরিয়াল ২০২১

Onpage is a Main Part Before Doing Offpage
সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ কথাটি হল, যদি আপনার সাইটের On-Page Optimization ঠিক না থাকে তবে Off-Page SEO গুরুত্বহীন হয়ে যাবে।

অনপেজ অপটিমাইজেশন এর কাজ মূলত অনপেইজ অপটিমাইজেশনের মতই । ওয়েব সাইট এর ট্রাফিক/ভিজিটর বাড়াতে অফপেজ অপটিমাইজেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । অফপেইজ অপটিমাইজেশন আসলে, অনপেইজ অপটিমাইজেশন কে সাহায্য করে । যখন নতুন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা হয় তখন অনপেইজ অপটিমাইজেশন সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ।
আপনার সাইটের বাহিরে সার্চ ইন্জিন এর নিয়ম নিতি মেনে যে কাজ করা হয় তাকে অফপেইজ এসইও বলা হয়।
এক কথায়: অফপেইজ এর মাধ্যেমে প্রমান করতে হবে যে আপনার কন্টেন্ট ই সেরা। এবং আপনার প্রডাক্টটি সবার জন্য ভালো।

প্রাইভেট ব্লগ নেটওয়ার্ক (PBN) ব্যাকলিংক
প্রাইভেট ব্লগ নেটওয়ার্ক (PBN) ব্যাকলিংক! শুধুমাত্র PBN Link Building করে এবং Social Signal এর মাধ্যমে একটা মানি সাইট রেঙ্কিং করানো সম্ভব।একটা ওয়েব সাইট খুব দ্রুত রেঙ্কিং করানোর জন্য পি. বি. এন ব্যাকলিংক সবথেকে জনপ্রিয় প্রক্রিয়া। তবে এটি অনেক ব্যায়বহুল ! পি. বি . এন অনেকটা ব্লাকহ্যাট এসইও এর মত! আপনার ব্যাকলিংক করার দক্ষতার উপর নির্ভর করবে যে আপনার লিংক বিল্ডিং হোয়াইট হ্যাট হবে না কি ব্লাক হ্যাট হবে। কারণ গুগল যদি বুঝতে পারে আপনার সাইট তাহলে সমস্যা বা ব্লাক হাট হয়ে যাবে। তাই সব আলাদা আলাদা আইডি পাসওয়ার্ড ইউজ করে কিনা এবং ব্যবহার করতে হবে পিবিএন(প্রাইভেট ব্লগ নেটওয়ার্ক)
প্রাইভেট(নিজের)
ব্লগ(ওয়েবসাইট)
নেটওয়ার্ক(অধিনে)
অর্থ্যাত পিবিএন হলো ব্যাকলিংক/লিংকবির্ল্ডিং এর এমন একটি প্রক্রিয়া যে প্রক্রিয়া কৌশলে নিজে কয়েকটি ওয়েবসাইট বানিয়ে নেটওয়ার্কিং এর মাধ্যমে নিজের ওয়েবসাইটে লিংক নেওয়া। এটি একটি কার্যকর এবং শক্তিশালী লিংক বির্ল্ডি স্ট্রাটেজি। কিন্তু সময় সাপেক্ষ এবং ব্যয়বহুল।
ধাপসমূহ:
১.ডোমেইন ক্রয়(এক্সপায়ারড{পিএডিএ ভালো এরকম})
[প্রত্যেক সাইটের জন্য আলাদা আলাদা] ২.হোস্টিং ক্রয়
[প্রত্যেক সাইটের জন্য আলাদা আলাদা] ৩. কোয়ালিটি কন্টেন্ট-২০টি পোষ্ট
[প্রত্যেক সাইটের জন্য আলাদা আলাদা] ৪. এসইও করা[যাতে কিছু ভিজিটর সাইটে আসে] ৫. গুগল যাতে বুঝতে না পারে ওইটা আপনার ওয়েবসাইট
৬. ওই সাইট থেকে লিংক নেওয়া

পিবিএন শক্তিশালি কেন? কারণ গুগল এর কাছে রিলেভেন্ট ওয়েবসাইটের ব্যাকলিংক কোয়ালিটি ব্যাংকলিংক হিসেবে গণ্য হয় , আর পিবিএন সাইট হয় রিলেভেন্ট সাইট সেজন্য অনেক শক্তিশালী।

ওয়েব ২.০
ওয়েব ২.০ ওয়েবসাইট বলতে সেই ওয়েবসাইটগুলো বুঝায় যেই সাইটগুলোর কন্টেন্ট এবং ব্যাকলিংকগুলোর উপর আপনার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রন থাকবে এবং সম্পূর্ণ ফ্রি। যেমন ব্লগার, ওয়ার্ডপ্রেস.কম, টামলার, উইক্স.কম ইত্যাদি সাইট। এখানে লিংক বিল্ডিং প্রসেস খুবই সহজ। তবে ব্যাসিক লিংক বিল্ডিং স্ট্রাটেজি মাথায় রাখতে হবে।

ওয়েব ২.০ কেন করবেন?
১.ওয়েব ২.০ করে আপনি আপনার ওয়েব সাইট বা ব্লগ এর জন্য ভালো মানের ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করতে পারবেন ।
২.ওয়েব ২.০ করে আপনি হাই রেঙ্কিং সাইট গুলো থেকে ব্যাকলিঙ্ক নিতে পারবেন ।
৩.ওয়েব ২.০ দ্বারা যে সকল ব্যাকলিঙ্ক নিবেন সেই, ব্যাকলিঙ্ক গুলো সার্চ ইঞ্জিন রেঙ্কিং ও অন্যান্য রেঙ্কিং বাড়তে সাহায্য করবে ।

কিছু ওয়েব 2.0 ওয়েবসাইটের ঠিকানা:
http://youtube.com 9
http://twitter.com 10
http://wikipedia.org 9 00
http://instagram.com 9
http://pinterest.com 9
http://wordpress.com 9
http://blogger.com 9
http://flickr.com 9
http://tumblr.com 8
http://imdb.com 8
http://wikia.com 8

কিভাবে করবেন?
আচ্ছা, এই লিষ্ট গুলোতে প্রবেশ করলেই বুঝবেন কিভাবে করবেন। উদাহারণ: ব্লগারে গিয়ে ক্রিয়েট নিউ সাইট এ আপনার সাইট রিলটেড একটি নাম দিয়ে একটি ব্লগস্পট সাইট বানান(আপনার সাইটের সাথে যাতে পুরো পুরো মিল না থাকে) যেমন: আপনার সাইটের নাম “কলেজ” আপনি বানাবেন “ইউনিভার্সিটি” এরকম নাম দিয়ে মানে সেম নিচ রিলেটেড যেমন ২ টাই এডুকেশন রিলেটেড। তারপর আপনি ওই ব্লগস্পট এ অন্তত ৭০% ইউনিক কন্টেন্ট দিন। এভাবে ২০ টা আপনার সিাইট রিলেটেড কন্টেন্ট দিন(পোষ্ট কিন্তু আপনার মেইন যে পোষ্ট সেম টাইটেল বা কন্টেন্ট এর সাথে মিল থাকা যাবে না তবে রিলেটেড হবে যেমন: আপনার মেইন পোষ্ট যে পোষ্ট এ ব্যকিলিংক নিবেন সেই পোষ্টের নাম: ইউনিভার্সিটি নিউজ, ব্লগ সাইটে লিখলেন “ ভার্সিটি নিউজ ২০১৯ এবং কৌশলে সবার শেষে আপনার মেইন ওয়েবসাইটির লিংক দিয়ে দিন। এভাবে উপরে দেওয়া সব সাইট গুলোতে একান্ট করুন এবং ব্যংকলিংক নিন সহজে , বিনা খরচে।

ডকুমেন্ট শেয়ারিং ব্যাকলিংক
ওয়েবসাইটের বিভিন্ন তথ্য সমৃদ্ধ ডকুমেন্ট , ব্যবসায়িক ডকুমেন্ট প্রভৃতি জনপ্রিয় ডকুমেন্ট শেয়ারিং সাইটে যেমন- Slideshare, Issue ইত্যাদিতে শেয়ার করা যায় । ডকুমেন্ট শেয়ারিং খুব সহজ একটা ব্যাকলিংক বিল্ডিং প্রক্রিয়া। অনলাইনে অনেক ওয়েবসাইট আছে যারা আপনাকে আপনার নিজের তৈরী ডকুমেন্ট যেমন, স্লাইড, পি ডি এফ, ভিডিও শেয়ার করতে দিবে।
আপনার নিশ রিলেটেড কিছু ডকুমেন্ট তৈরী করতে হবে। এবার ডকুমেন্ট শেয়ারিং সাইটে তা আপলোড দিয়ে, ডেসক্রিপশনে সুন্দর করে ওই বিষয়টার বর্ণনা দিতে হবে এবং তার মধ্যে আপনার সাইটের লিংটা দিয়ে দিতে হবে।

Websites Page Rank
http://issuu.com
http://www.slideshare.net
https://www.dropbox.com
http://www.scribd.com
https://en.calameo.com
http://www.4shared.com
http://www.smashwords.com
http://www.yudu.com
http://www.mediafire.com
http://www.authorstream.com
https://www.wattpad.com/

PDF Document Sharing Sites with PR5, PR4, PR3:

http://www.slideboom.com
http://fileden.com
http://www.zippyshare.com
http://www.smashingapps.com
http://www.adrive.com
http://www.wikiupload.com
http://www.edocr.com
http://docs.thinkfree.com
http://sharesend.com

উপরের দেওয়া ডকুমেন্ট শেয়ারিং সাইট গুলোতে যান , তার পর সাইট আপ করুন, এবং লগইস করুন, প্রফাইল এ যে যে তথ্য চায় তা দিন। তার পর আপনার ডকুমেন্ট , স্লাইড শো, পিডিএফ ফাইল আপলোড করুন এবং আপনার পোষ্ট এর বা সাইটের লিংক টি দিয়ে দিন । ব্যাস ব্যংকলিংক লিংক হয়ে গেল।আপনার ব্লগ/সাইটের নিশ রিলেটেড কিছু ebook, pdf file এবং Presentation তৈরী করে সেইগুলা বিভিন্ন হাই পেজ র্যাঙ্ক, এলেক্সা র্যাঙ্ক ও ডোমেইন অথরিটির ডকুমেন্টস শেয়ারিং সাইটে প্রকাশ করতে পারেন। ডকুমেন্টস গুলো তৈরী করার সময় ডকুমেন্টের ভিতরে আপনার সাইটের লিংক দিয়ে দিন। তাহলে সহজেই হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক পাবেন।

বি:দ্র: স্পামিং সাইটে ব্যাংকলিংক করা যাবে না। প্রত্যেকটি সাইটের ডিএ , পিএ চেক করে নিতে হবে তার পর কাজ করতে হবে । তাছাড়া র‌্যাংকিং এর উল্টা পেনাল্টি পাবেন। উপরে আমি রিসার্চ করে বের করেছি েএরকম ২০টি সাইট লিংক দিয়ে দিলাম । আপনারা এগুলো সাইট এ লিক করতে পারেন।

প্রশ্ন-উত্তর সাইটের লিংক – Quora
Quora কি?
বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় Question/Answer Website এখানে World এর সব ধরনের Topic এর উপর আলচনা করা হয় এবং Question/Answer করা হয়।
Quora তে অনেক Advance Features রয়েছে। এখানে আপনারা পছন্দ মত Audience কে Target করে Question করতে পারবেন এবং তাদের সাথে Communication করতে পারবেন Post Commenting এর মধ্যে। LinkedIn এর মত করে এখানে Content Post/Publish করে যায়!
আচ্ছা, বিষয় হলো যে, Quora হলো একটি ওয়েবসাইট যেখানে বিভিন্ন মানুূষ বিভিন্ন প্রশ্ন করে। এই প্রশ্নের উত্তর বিভিন্ন মানুষ দেয়। এটা অনেকটা ব্লগ কমেন্ট এর মতো,
যেমন: কেউ যদি জানতে চায় যে, বাংলাদেশের স্বাধিনতা কত তারিখ? এখন আপনার একটি পোষ্ট রয়েছে যে, বাংলাদেশের স্বাধিনতা এত তারিখে বা এরকম একটি পোষ্ট রয়েছে। তখন আপনি ওই েব্যক্তির প্রশ্নের নিচে উত্তর অপশনে আপনি উত্তর দিলেন এবং আপনার সাইটের লিংক দিয়ে দিলেন। ওই ব্যক্তি আপনার উত্তর টি পড়ল এবং যদি প্রয়োজন মনে করে তাহলে আপনার সাইটে প্রবেশ করতে পারে। বা প্রবেশ নাই করুক, আপনার ব্যংকলিক হয়ে গেল।
https://www.quora.com
https://www.trulia.com/voices/qa
http://www.askdeb.com
https://www.theanswerbank.co.uk
https://www.computerhope.com/qanda.htm
https://www.mathoverflow.net
https://www.justanswer.com
https://www.reddit.com/r/AskReddit
https://www.experts-exchange.com
https://www.enotes.com/homework-help

Guest Post – গেস্ট পোস্ট
অনলাইনে এমন অনেক সাইট আছে যারা ভালো মানের লেখকদের লেখা সাইটে পোষ্ট করে থাকে এবং সাইটে এমন একটি অপশন রাখে যার নাম “Write For Us”, অর্থাৎ তার জন্য লেখা দিবেন।
তবে এখানে এসকল সাইটে আপনি চাইলেই আপনার লেখা দিতে পারবেন না। কারন এই “Write For Us” পেজের কিছু নিয়ম থাকে। আপনাকে সেগুলি মেনে কাজ করতে হবে।
https://www.24techy.com/guest-post/ এইটা হলো একটি গেষ্ট পোষ্টিং সাইট ওখানে গিয়েই দেখবেন , যে গেষ্ট পোষ্ট করুন এবং পোষ্ট করার কিছু নিয়মাবলী।

যে কারণে গেস্ট ব্লগিং করবেন / গেস্ট ব্লগিং এর সুবিধা?
*নিজের ব্র্যান্ড তৈরী করা।
*নির্দিষ্ট রিডার বা কাস্টমার টার্গেট করা।
*নিজের সাইট এর জন্য শক্তিশালী লিংক বিল্ড করা।
*সাইট এর জন্য ট্রাফিক বৃদ্ধি করা
*বিভিন্ন ব্লগারদের সাথে যোগাযোগ তৈরী করা।
*নিজের অভিজ্ঞতা অন্যদের সাথে শেয়ার করা।
নিজের রাইটিং দক্ষতা বাড়িয়ে তোলা ইত্যাদি।
কিভাবে গেস্ট ব্লগিং সাইটগুলো খুঁজে বের করবেন?
গেস্ট ব্লগিং সাইট গুলো খুঁজে বের করতে গুগলে সার্চ করেন।
Your Keyword “Write for us”
Your Keyword “guest post”
Your Keyword “guest blog”
Your Keyword “guest blogging”
Your Keyword “guest posting”
Your Keyword “Submit a guest post”
Your Keyword “submit post”
Your Keyword “Submit blog post”
Your Keyword “Add blog post”
Your Keyword “Submit an article”
Your Keyword “Suggest a guest post”
Your Keyword “Submit your content”

কয়েকটি সাইটের লিষ্ট:
http://theguardian.com,
http://mashable.com,
http://businessinsider.com,
http://forbes.com

ফোরাম পোষ্টিং কি?
ফোরাম পোস্টিং হচ্ছে অফপেজ SEO এর একটি কৌশল।। অনেকে মনে করে ফোরামের ব্যাকলিংক নাকি SEO -তে কাজে আসে না। আপনি সঠিভাবে ফোরাম পোষ্ট করতে পারলে, ফোরামের ব্যাকলিংক হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক হিসেবে কাজ করবে। ফোরাম পোষ্টিং এ ব্যাকলিংক পেতে হলে, আপনাকে প্রচুর পরিশ্রম করতে হবে। আর অফপেজের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হচ্ছে ব্যাক লিঙ্ক তৈরি করা। যা আপনার ওয়েবসাইটের রেঙ্কিং বাড়াতে সাহায্য করে। তবে ফোরামের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে মানসম্পন্ন তথ্য উপস্থাপন করা, মানসম্পন্ন তথ্য আপনাকে মানসম্পন্ন ব্যাক লিঙ্ক পেতে সাহায্য করবে। এভাবেই আপনি আপনার ওয়েবসাইটের ব্যাকলিঙ্ক করে রেঙ্ক বাড়িয়ে গুগুল সার্চ রেজাল্ট পেজের শুরুতে থাকতে পারবেন ।
কীওয়ার্ড সম্পর্কিত ফোরাম পোস্টিং সাইট খুজে বের করুন।
“SEO” forum
“SEO forum”
intitle:” SEO” forum
inurl:” SEO” forum
ধরুন আপনার কিওয়াড হলো এসইও েতাহলে উপরের মতো করে লিখুন।
অবশ্যই ফোরামের ও ডিএ, পিএ , অথরিটি জেনে তারপর কাজ করতে হবে। যেকোন ফোরামে কাজ করলে স্পামিং হবে। সো শুধু হাই কোয়ালিটি গুলো থেকে ব্যাংকলিংক নিন।

ব্রোকেন লিংকস (Broken Links)
মনে করুন আপনার একটি জব রিলেটেড সাইট আছে। সাইটটির নাম, জব.কম। আপনি সাইটের জন্য কন্টেন্ট লিখলেন, এবং কন্টেন্ট এ এক্সটারনাল লিংক হিসেবে টপিকস অন্য কোন সাইটের ১বা ২ টি লিংক এড করলেন। কিন্তু কয়েকমাস পর ঐ সাইট টি ইনএকটিভ হয়ে গেল (অথবা সাইট উনার লিংকটি চেঞ্জ করে ফেললে)। তখন কোন ভিজিটর যখন আপনার সাইট থেকে ঐ সাইট এ যাওয়ার চেষ্টা করবে, লিংক টি 404 ERROR দেখাবে। আর এটাকেই বলে ব্রোকেন লিংক(ডেইথ লিংক)।
যেমন: আপনার সাইট জব.কম আরেক জনের সাইট নাম বিডিজব.কম এখান আপনি বিডিজব কে কে একটি আউটবাউন্ট লিংক দিলেন পোষ্ট এর মধ্যে । কিন্তু কিছুদিন পর বিডিজব.কম সািইট টি নষ্ট হয়ে গেছে বা যে পোষ্টের লিংক দিয়েছেন সেই পোষ্ট এর ইউআরএল চেন্জ করে ফেলেছে , তাহলে ওই লিংক আপনার সাইটে রেখে কি করবেন? বা রাখা ঠিক হবে না কারণ এটা গুগল ভালো চোখে দেখবে না সাইটের জন্য ক্ষতিকর। বা ইউজার ওই লিংক এ ক্লিক করলে লিংক নোট ফাউন্ড দেখাবে।
এই সুযোগে ধরুন আমি একটি টুলস এর মাধ্যমে জানতে পারলাম যে আপনার ওই পোষ্ট থেকে যাকে ব্যাকলিংক দিয়েছেন সেই সাইটি তো আর নেই, তখন আমি আপনাকে বলবো ভাই আপনি যাকে লিংক দিয়েছেন তার সাইট তো আর নেই , আমার এরকম একটি পোষ্ট আছে আমার সাইটের লিংক টা দিয়ে দিন আপনার সাইট এ। তখন আপনি আমার সাইটটার লিংক দিয়ে দিলেন এবং ব্যাকলিংক হয়ে গেল। আমি আপনাকে ইমেইল এর মাধ্যমে জানাবো আপনার ব্রোকেন লিংক এর কথা। আপনি খুশি হবে যে , ওই লোক এত কষ্ট করে আমার সাইটের একটি ব্রোকেন লিংক বের করেছে তারমানে তার সাইট টা এখানে দেয়। কেন? আপনার সাইটের লিংক দিবে জানেন? কারণ হলো- ব্রোকেন লিংক থাকলে সাইট মালিক এর ক্ষতি হবে আর আপনি ক্ষতির বিষয় টি জানালেন এবং এরকম একটি ভালো আটিকেল লিংক দিয়ে দিলেন।

ইনফোগ্রাফিক সাবমিশন (Info graphics submission)
​ইনফো অর্থাৎ লেখচিত্র। তার মানে ভিজিটরের নিকট আপনার সাইটের বিভিন্ন তথ্য চিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা-ই হচ্ছে ইনফোগ্রাফিক সাবমিশন। বর্তমানে এ ধরনের ব্যকলিংক বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। কোন একটি ইনফোগ্রাফ ভালো হলে খুব সহজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পরে বলে প্রচুর ভিজিটর পাওয়া যায়। আপনার যদি একটি ইনফুগ্রাফিক ভালো হয় তাহলে প্রচুর পরিমান মানুষ সেগুলি সাইটে ইউজ করবে এবং সেখান থেকে ব্যাকলিংক পাবেন এবং সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার হওয়ার কারণে প্রচুর ভিউ পাবেন।
কিছু জনপ্রিয় ইনফোগ্রাফিক্স সাবমিশন সাইট:
#1 Graphs.net
#2 Infographics Archive
#3 Infographics Showcase
#4 Infographic Bee
#5 Cool Infographics

আর্টিকেল সাবমিশন – Article Submission
প্রচুর হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক এর জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ন মাধ্যম হলো Article Submission। আপনি যদি এসইও তে একবারে নতুন হয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে এটি হয়তো আপনার জন্য কিছুটা কষ্ট হতে পারে। কারন- Article Submission এর জন্য ভালো মানের কন্টেন্ট রাইটার হতে হয়। এছাড়া এটি কিছুটা ধৈর্য্যশীল আর সময়ের প্রয়োজন হয়। ব্লগে ভিজিটর আনতে বর্তমান সময়ে অন্যতম জনপ্রিয় একটি উৎস হচ্ছে আপনার ওয়েব ব্লগের পোস্টসমূহ বিভিন্ন আর্টিকেল সাবমিশন সাইটে সাবমিট করা। Articlesphere , Ezine এর মতন আর্টিকেল সাবমিশন সাইটে ব্লগের জনপ্রিয় পোস্ট সাবমিট করলে ,তা পাঠকদের কাছে সুন্দর লাগলে পাঠকরা আপনার ব্লগে আসবে । এছাড়া আপনার ব্লগ পোস্ট অনেক সোশ্যাল সাইটে শেয়ার হবে , এতে করে দ্রুত ট্রাফিক তৈরি হবে এবং ব্লগের র‍্যাংকিং ভালো হবে ।
http://hubpages.com
http://www.selfgrowth.com
http://www.sooperarticles.com
http://www.articlesfactory.com
http://www.pubarticles.com

ছবি শেয়ারিং – Photo Sharing
ফটোবাকেট, ফ্লিকার এর মতন বিভিন্ন ফটো শেয়ারিং সাইটে ওয়েবসাইট ব্লগের ছবি শেয়ার করা যায় , এধরণের বিভিন্ন সাইটে অনেক ভিজিটর আসে । যেখান থেকে অনেক ভিজিটর আপনার ব্লগের জন্যে পেতে পারেন ।
Some Photo Sharing Site List.
instagram.
Facebook.
Imgur.
Photobucket.
Flickr.
Pinterest.
Tinypic.
Imageshack.

আরএসএস ফিড সাবমিশন – RSS Feed Submission :
ডিরেক্টরি সাইটের মতো অনেক ধরনের সাইট আছে, যেখানে আপনি আপনার ব্লগের RSS Feed এর লিংক পাবলিশ করতে পারেন। ফলে যখন আপনার ব্লগে নতুন পোষ্ট পাবলিশ করবেন, তখন অটোমেটিকভাবে পোষ্টের লিংকগুলো ঐ RSS Feed ডিরেক্টরিতে চলে যাবে এবং আপনি কোয়ালিটি ব্যাকলিংক পেয়ে যাবেন।
http://www.rss-verzeichnis.de/anmelden.php
http://www.feedage.com/
http://ngoid.sourceforge.net/sub_rss.php
http://www.rapidfeeds.com/
https://feedfury.com/

প্রেস রিলিজ সাবমিশন – Press Release Submission :
হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক পাওয়ার জন্য গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা পালন করে। এজন্য আপনাকে হাই পেজ র্যাঙ্ক এবং ডোমেইন অথরিটি Press Release সাইট খুঁজতে হবে। এরপর সেই সাইটগুলোতে আপনার ব্লগ/সাইট সম্পর্কে Unique Press Release সাবমিট করতে হবে। যেন তা খুব সহজভাবে প্রকাশ হয়।
Best Press Release Submission Sites
http://didyouknew.com/
http://www.prnewswire.com
http://www.mashable.com
http://www.highwire.org
http://www.prnewswire.com/

সোশ্যাল বুকমার্কিং (Social Bookmarking)
বিভিন্ন Social Media সাইটে আপনার সাইট লিংক শেয়ার করে, আপনার সাইটে/ব্লগে যে রেফারাল ভিজিটর পান তা হচ্ছে Social Media Sharing। এটি রেফারেল ভিজিটর না, বরং সার্চ ইঞ্জিনে আপনার সাইট/ব্লগের র্যাঙ্কিং বাড়াতে অনেক ভুমিকা পালন করে। তাছাড়া Social Media সাইটের মাধ্যমে হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংকও পাওয়া সম্ভব।
বর্তমান সময়ে বিশ্বের একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া হচ্ছে রেডিট!
রেডিট যেহেতু আমেরিকান সাইট সেহেতু এখানের প্রায় ৭০% ইউজারই আমেরিকান। যারা আমেরিকান ট্রাফিক নিয়ে কাজ করতে চান তাদের জন্য রেডিট নিঃসন্দেহে একটি ভালো প্লাটফর্ম।
রেডিটে মার্কেটিং করতে হলে রেডিটের কিছু বিষয় সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকতে হবে।

কয়েকটি সোশাল বুকমার্কিং সাইট হলো:
Pinterest.
StumbleUpon.
Dribble.
Pocket.
Digg.
Reddit.
Slashdot.

ভিডিও শেয়ারিং (Video Sharing)
ইউটিউব, ভিমিও এর মতন জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং সাইটগুলোতে ব্লগের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভিডিও শেয়ার করা যায় ব্লগ সাইটের নাম অনুযায়ী ভিডিও চ্যানেল করে। এতে করে যেসকল ব্যক্তি ব্লগ সাইটে ভিজিট করতে চায় , তারা খুব সহজে চ্যানেল থেকে লিংক ফলো করে ব্লগে যেতে পারবে. ভিডিও শেয়ার করার মাধ্যমে আপনার ব্র্যান্ডের প্রচার ও খুব ভালো ভাবে করা সম্ভব। হয়।“ যেমন: আপনি একটি পোষ্ট লিখলেন, “নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ। আপনি ঠিক রকম একটি ভিডিও স্লািইড শো, বা ফেস ব্যবহার করে একটি ভিডিও বানালেন এবং ওই ভিডিও টি ইউটিউবে ছাড়লেন। এখন ডেসক্রিপশন বাক্সে এ আপনার সাইটের বা পোষ্টর লিংক টা দিয়ে দিন । এতে আপনার সাইটের ট্রাফিক পেলেন। আপনার ভিডিও টি সার্চের প্রথম পাতায় আসতে পারে যদি ভালো করে অপটিমাইজ কেরতে পারেন।

টেক্সট থেকে ভিডিওর গুরুত্ব ?
*বড় কোন আর্টিকেল পড়া অনেকেই পছন্দ করে না। এ ধরনের *অডিয়েন্সদের আপনার ওয়েবসাইটে নিয়ে আসার জন্য ভিডিও খুব ভালো একটা মাধ্যম
*ভিডিও যে কোন ডিভাইস ( মোবাইল, ল্যাপটপ, ট্যাব ) থেকে খুব সহজেই দেখা যায়।
*সোসাল মিডিয়ায় ভিডিও শেয়ার করা সহজ ।
*আপনার মূল্যবান তথ্য খুব সহজেই সুন্দর এবং সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশ করতে পারেন।
*ভিডিও সঠিকভাবে অপ্টিমাইজ করে পোস্টিং এর মাধ্যমে সেটা *গুগুল ভিডিও সার্চ পেজের প্রথমেই থাকার সম্ভাবনা থাকে ।
http://Youtube.com,
http://vimeo.com,
http://viddler.com,
http://metacafe.com,
http://dailymotion.com

কমেন্ট লিংক (Comment Links)
আপনি আপনার সাইটের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল রেখে অন্যান্য মানসম্মত ব্লগের আর্টিকেলে কমেন্টের মাধ্যমে আপনার সাইটের জন্য ব্যাকলিংক পেতে পারেন।

নিচের পদ্ধতিতে নিজের কীওয়ার্ড রিলেটেড ব্লগ খুজে বের করুন।
ধরুন আপনি এসইও SEO কিওয়ার্ড বা SEO রিলেটেড ওয়েবসাইট এর জন্য কমেন্ট ব্যাকলিংক করার জন্য ব্লগ খুজছেন তাহলে নিচের মতো করে SEO এর জায়গায় অন্য যেকোন কিওয়ার্ড লিখে গুগলে সার্চ দিলে অনেক সাইট পাবেন যেগুলো থেকে কোয়লিটি ব্যকলিংক করতে পারবেন। তবে অবশ্যই ইন্টারনেট থেকে পি এ , ডি এ চেক করে তার পর ব্যকলিংক করবেন।
বি:দ্র: রিলেভেন্ট সাইট ছাড়া ব্যাকলিংক করলে স্পামিং হবে এবং সাইটের জন্য ক্ষতিকর।

আরেকটি কথা: যে শুধু কমেন্ট সেকশন এ গিয়ে লিখলেন যে, ”নাইচ”, “দারুন” এরকম লিখে আপনার সাইটের লিংক দিয়ে চলে আসলেন তাহলে আপনার কমেন্ট আপ্রভুপ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তাই এরকম করে লিখতে হবে যে, আমি আপনার পোষ্ট টি পড়ে এই এই বিষয় সম্পর্কে জানলাম এবং আমার ভালো লেগেছে এবং আমি আরো ভালো পোষ্ট পেতে চাই, আমার ও এরকম একটি পোষ্ট রয়েছে , লিখে আমার সাইটের লিংক দিয়ে দিবেন ।
“SEO” site:.gov inurl:blog “post a comment”
“SEO” site:.edu inurl:blog “post a comment”
“SEO” “This blog uses premium CommentLuv”
“SEO” “Notify me of follow-up comments?”
“SEO” “add to this list” site:squidoo.com
লেখাটি ভালো লেগে থাকলে অবশ্যই শেয়ার করবেন, ধন্যবাদ।

অফপেজ অপটিমাইজেশন করার জন্য আপনাকে নিম্নরূপ কাজগুলো করতে হবে–
1. Web 2.0
2. link building বা Backlinks
3 Directory Submission
4. Social Media সাইটে লিঙ্ক শেয়ার করা
5. Email Marketing
6. Video Marketing
7. Forum Posting
8. Document Sharing
9. RSS Feed Submission
10. Press Release
11. Guest Posting
12. Article Submission
13. Blog comments

সবশেষে বলব, শুধু ব্যাকলিংকের জন্য ব্যাকলিংক করে কোন লাভ নাই। এটা আপনার ওয়েবসাইটকে হয়ত ১সপ্তাহের জন্য গুগলের টপ সার্চে নিয়ে আসবে কিন্তু পরে ওয়েবসাইটকে গুগলের কোথাও খুজে পাবেননা। পেঙ্গুইন আপডেটের পর যারা ব্যাকলিংক তৈরি করতে পারাকে এসইওর কাজ মনে করে তাদের অনেকেই ইতিমধ্যে এসইওর জগত থেকে বিদায় নিয়েছে আরও অনেকের বিদায় নেয়ার সময় হয়েছে। ৫০০০-১০০০০ ব্যাকলিংক করে এখন আর গুগলের টপে আসা যায়না। টপে আসতে হলে রিলেটেড সাইট সময় নিয়ে খুজে বের করে কোয়ালিটি ব্যাকলিংক তৈরি করতে হয়।




ইনভেস্ট ছাড়াই ১৪টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া

এই তথ্যপ্রযুক্তির যুগে চাকরির আশায় বসে বসে বেকার জীবনযাপন করার কোন মানে নেই। তবে কী করবেন? ব্যবসা? পুঁজি লাগবে না? না, এই অনলাইনের যুগে একটি কম্পিউটার আর ইন্টারনেট কানেকশন থাকেন পুঁজি ছাড়াই আজ থেকেই আপনি ব্যবসায় নামতে পারেন। আসুন দেখে নেওয়া যাক এমন ১৪টি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া

০১. এসইও কনসালটেন্ট : আপনি কি সার্চ ইঞ্জিনের বিষয়ে অভিজ্ঞ? মানে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে জানেন; কিন্তু কোথাও কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন না। প্রতিষ্ঠানের আশায় বসে না থেকে অনলাইনেই শুরু করুন এসইও সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া। অনেক প্রতিষ্ঠান পাবেন যারা আপনার পরামর্শ নেওয়ার জন্য বসে আছে। বিভিন্ন ফ্রিল্যান্স সাইটে এমন কাজ পাবেন। না হলে সোজা গুগল সার্চ দিন।

০২. বিজনেস প্রশিক্ষণ : আপনার ব্যবসা সম্পর্কে ভাল ধারণা থাকতেই পারে। কিন্তু পয়সার অভাবে নিজের স্বপ্ন অনুযায়ী একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করতে পারছেন না। আপনার এই অভিজ্ঞতা বসে বসে নষ্ট করার কোন মানে নেই।
অনলাইনে এমন অনেককে পাবেন যারা নতুন ব্যবসা শুরু করতে চাইছে। লিংকডইনে যান, সেখানে আপনি ব্যবসা সংক্রান্ত আর্টক্যাল লিখতে পারবেন। এর দ্বারা সেখানে আপনি অনেক ক্লায়েন্ট পাবেন। তাদের সদুপদেশ দিয়ে নিজের মেধা এবং অভিজ্ঞতা ঝালিয়ে নিতে পারবেন। সেই সঙ্গে টু-পাইস ইনকাম তো আছেই।

০৩. স্পেশালাইজড রিটেইলার : বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও অনলাইনে পণ্য কেনাবেচা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এখন দেশের সব বড় শহরগুলোতেই স্পেশালাইজড শপ বা সুপারশপ আছে। এদের মধ্যে অনেক ছোট বড় প্রতিষ্ঠান আছে যারা অনলাইনে নিজেদের প্রতিষ্ঠানের প্রচার এবং বিজনেস শুরু করতে ইচ্ছুক। সেই সব প্রতিষ্ঠানের কোন একটির সঙ্গে চুক্তি করে আপনি তাদের পণ্যসম্ভার দিয়ে একটি অনলাইন শপ চালু করে ফেলতে পারেন। ঘরে বসে হয়ে যান রিটেইলার শপার।

০৪. সোশ্যাল মিডিয়া পরামর্শক : তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সোশ্যাল সাইটগুলো চরম উত্কর্ষ অর্জন করেছে। জীবনের সব সমস্যার সমাধান যেন হয়ে উঠছে ফেসবুকের মত মাধ্যমগুলো। নিত্য নতুন ফিচারের পাশাপাশি বাড়ছে সোশ্যাল সাইট হ্যাক করে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার করার মত ঘটনা। আপনার যদি সোশ্যাল সাইটগুলোর ব্যবহারবিধি, নিরাপত্তাসহ ফ্রেন্ড-ফলোয়ার বৃদ্ধির বিভিন্ন ট্রিকস জানা থাকে হবে আপনি হয়ে যেতে পারেন সোশ্যাল মিডিয়া কনসাল্টেন্ট। এমনটা করলে অনেক ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাজ পেতে পারেন।

০৫. ওয়েব ডিজাইন : বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত বিজনেস এটা। এখন একটি ছোটখাট প্রতিষ্ঠানও চিন্তা করে তাদের একটা ওয়েবসাইট থাকা দরকার। আপনার যদি ওয়েব ডিজাইন জানা থাকে তবে বসে থাকার কোন মানে নেই। ফ্রিল্যান্স সাইটগুলোতে নিজের পোর্টফোলিও পোস্ট করুন। একটি নমুনা ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে রাখুন। বাজারদর বিবেচনা করে সাশ্রয়ী পারিশ্রমিক ঘোষণা করুন। আপনাকে আর ঠেকায় কে?

০৬. আবেদনপত্র/কভার লেটার লেখা : আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে অনেক শিক্ষিত মানুষ সুন্দর করে একটি চাকরির আবেদনপত্র লিখতে জানে না। কিন্তু চাকরিক্ষেত্রে একটি সুন্দর গ্রহণযোগ্য আবেদনপত্র কিংবা কভার লেটার অন্যদের সঙ্গে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। আপনার এই বিষয়ে অভিজ্ঞতা থাকলে লিংকডইন কিংবা সোশ্যাল সাইটগুলোয় এই বিষয়ে ক্লায়েন্ট খুঁজতে পারেন। ক্লায়েন্ট যে পাবেন এতে কোন সন্দেহ নেই।

০৭. টাস্ক ম্যানেজার/সহকারী : আপনার যদি ভাল অর্গানাইজিং দক্ষতা থাকে তবে আপনি এই ব্যবসার উপযুক্ত। আপনি কি অনলাইনের বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধান দিতে পারেন? তবে আপনার এই দক্ষতা একজন ব্যাক্তিগত সহকারী কিংবা অনলাইন টাস্ক ম্যানেজার হিসেবে কাজে লাগাতে পারেন। TaskRabbit কিংবা Zirtual এর মত কোম্পানীগুলো টাকার বিনিময়ে আপনার মত মানুষকেই খুঁজে থাকে। এসব সাইটে আপনি ডাটা রিসার্চ, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্টেন্ট সহ বিভিন্ন কাজে সহকারীর দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

০৮. প্রফেশনাল ফ্রিল্যন্সার : ফ্রিল্যান্সিং বলতে সাধারণত অবসর সময়ের কাজকেই আমরা বুঝে থাকি। কিন্তু সময়ের পাশাপাশি ধারণাও পাল্টে গেছে। এখন প্রচুর বেকার তরুণ-তরুণী ফ্রিল্যান্সিংকে মূল পেশা হিসেবে গ্রহণ করছেন। আপনি চাইলে পার্টটাইম কাজও করতে পারেন। বেকার বসে না থেকে আজই যুক্ত হোন ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে।

০৯. অনলাইন মার্কেটিং : আপনি যদি আমাজানের মত সাইটগুলোতে পণ্যের রিভিউ লেখায় অভ্যস্ত থাকেন তবে এখনই তা বন্ধ করুন। কারণ বিনামূল্যে কেন আপনি কোন পণ্যের মার্কেটিং করবেন? ওয়ার্ড অব মাউথ-এর মত অনেক কোম্পানী আছে যারা নিজেদের প্রোডাক্ট অনলাইনে প্রমোট করার জন্য আপনাকে পয়সা দেবে। আপনার যদি প্রচুর ফলোয়ার সমৃদ্ধ সাইট কিংবা সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট থাকে তবে তো সোনায় সোহাগা। আজই লেগে যান কাজে।

১০. ই-বুক লেখক : আপনার লেখালেখির হাত, ভাষার দক্ষতা এবং টাইপিং স্পীড যদি ভাল থাকে তবে আপনি অনায়াসে একজন ই-বুক রাইটার হতে পারেন। এটি অনেক সহজ একটা কাজ। ই-বুকের চাহিদা এত পরিমাণে বাড়ছে যে ই-বুক রাইটার খুঁজতে পাবলিকেশন্সগুলো হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। অনলাইনে এমন গ্রাহক খুঁজে নিতে পারেন সহজেই।

১১. প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান : অনেক ছোটখাট কোম্পানী আছে যাদের কোন আইটি স্পেশালিস্ট নেই। তাদের প্রযুক্তিগত কোন সমস্যা হলে বাইরের লোক ডাকতে হয়। আপনি এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে বসেই শুরু করতে পারেন প্রযুক্তগত পরামর্শ প্রদান। সমস্যা হলে তারা আপনাকে জানাবে এবং আপনি ঘরে বসেই সমাধান দিয়ে দেবেন। আর কী চাই?
১২. ভার্চুয়াল চালান : শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এই কাজটি আপনি নিজেই অহরহ করে থাকেন ব্যাংক কিংবা কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে। আপনার একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে সেখানে গুগল চেকআউটের মত ট্রানজেকশন হ্যান্ডল করতে পারেন। বিভিন্ন ব্র্যান্ড তাদের অনলাইন চালানসমূহ অর্গানাইজ করার জন্য আপনাকে খুঁজে নেবে। আপনি তাদের সাইট থেকে পণ্যের ছবি বিবরণ কপি করে নিজের ওয়েবসাইটে আনুন। তারপর নির্দিষ্ট আর্থিক চুক্তির বিনিময়ে নেমে পড়ুন পণ্য বিক্রয়ে।

১৩. হস্তশিল্প বিক্রেতা : অটোমেটিক মেশিনের যুগে হস্তশিল্পের কদর মোটেই কমেনি। বরং প্রচারের অভাবে এই প্রাচীণ শিল্প মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছে না। আপনি এমন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে পারেন। তাদের পণ্য আপনি অনলাইনে বিক্রি করবেন। গ্রাহকের কাছ থেকে নির্দিষ্ট সার্ভিস চার্জ নিয়ে আপনি কুরিয়ারের মাধ্যমে পণ্য পৌঁছে দিতে পারেন তাদের কাছে।

১৪. অ্যাপ ডেভলপার : স্মার্টফোনের যুগে অ্যাপের ছড়াছড়ি। মানুষ এখন কম্পিউটারে বসে সাইট ব্রাউজ করার চাইতে স্মার্টফোন অ্যাপেই কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। তাই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এখন অ্যাপ ডেভলপিংয়ে আগ্রহী। আপনি যদি কোডিং সম্পর্কে ভাল জেনে থাকেন তবে লেগে পড়ুন অ্যাপ ডেভলপিংয়ে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করতে পারেন। এছাড়া বিভিন্ন সফওয়্যার ডেভলপার কোম্পানীও অনলাইনে ডেভলপার চায়। প্রথমে নিজে একটি আকর্ষণীয় অ্যাপ তৈরি করে নমুনা হিসেবে দেখান এবং যৌক্তিক পারিশ্রমিক দাবি করুন। আপনার কাজ পাওয়া নিশ্চিত।




ব্যবসার প্রসারে সোশ্যাল মিডিয়া কীভাবে ব্যবহার করবেন?

ব্যবসার প্রসারে সোশ্যাল মিডিয়া কীভাবে ব্যবহার করবেন?

ব্যবসার প্রসারে সোশ্যাল মিডিয়া - ক্যারিয়ারকী (CareerKi)

সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে তা শুধু ব্যক্তিগত ব্যবহারের মাধ্যমে সীমাবদ্ধ নেই। বরং ব্যবসায়িক আর প্রাতিষ্ঠানিক কাজেও এর বহুল ব্যবহার লক্ষণীয়। আপনি যদি কোন ব্যবসা চালিয়ে থাকেন, তাহলে সোশ্যাল মিডিয়া হতে পারে আপনার প্রচারণার একটি উপযুক্ত মাধ্যম। এর জন্য ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, টুইটার, গুগল প্লাস, লিংকডইনসহ বিভিন্ন প্লাটফর্মে ব্যবসায়িক অ্যাকাউন্ট রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। আপনার ব্যবসার প্রসারে সোশ্যাল মিডিয়া কীভাবে কাজে লাগাতে পারেন, তা নিয়ে এবারের লেখা। নির্দিষ্ট কোন প্লাটফর্মের উপর জোর দেয়া হয়নি এখানে। বরং সাধারণ কিছু পরামর্শ দেয়া রয়েছে।

আপনি কাদের কাছে ব্যবসায়িক প্রচারণা চালাতে চান, সে সম্পর্কে ধারণা রাখুন।

সোশ্যাল মিডিয়ার পরিসর অনেক বড়। এগুলোতে বিভিন্ন বয়সের ব্যবহারকারী থাকলেও তাদের সবার চাহিদা আপনার পণ্য বা সার্ভিসের সাথে যায় না। তাই ঠিক কোন ধরনের কাস্টমারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন, সে ব্যাপারে পরিকল্পনা করুন। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হলে জরিপ বা সার্ভে চালানোর ব্যবস্থা করুন। মনে রাখুন যে, সোশ্যাল মিডিয়াতে সময় দেয়া আপনার জন্য এক ধরনের ব্যবসায়িক বিনিয়োগ।

ব্র্যান্ড তৈরিতে মনোযোগ দিন।

নির্দিষ্ট কিছু পণ্য বা সার্ভিসের নাম নিয়ে আমাদের একটা ভালো ধারণা থাকে। আমরা সে পণ্য বা সার্ভিসের সাথে যুক্ত প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে না জানলেও এ ভালো ধারণা কাজ করে। এখানেই ব্র্যান্ডিংয়ের গুরুত্ব।

সোশ্যাল মিডিয়াতে বাকি আর দশটা ব্যবসার মতো শুধু নিজের ব্যবসার গুণগান না করে ফলোয়ারদের জন্য আকর্ষণীয় কিছু পোস্ট করুন। ধরা যাক, আপনি শাড়ি বিক্রি করেন। এক্ষেত্রে শুধু শাড়ির দামসহ ছবি পোস্ট না করে কোন উপলক্ষে কেমন শাড়ি ভালো মানায়, তা নিয়ে একটা লেখা প্রকাশ করুন। অথবা এমন একটি ভিডিও বানান যেখানে একজন শাড়ির ডিজাইনার দেখাচ্ছেন তার কাজের প্রক্রিয়া। এ ধরনের কন্টেন্ট নিয়মিত তৈরি করে ফলোয়ারদের সাথে শেয়ার করুন। এতে করে আপনার পরিচিতি শাড়ির ব্যবসার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং শাড়িকে কেন্দ্র করে একটি ব্র্যান্ড আপনি গড়ে তুলতে পারবেন ধীরে ধীরে।

কাস্টমারদের ভাষায় কথা বলুন।

ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক ভাষার ব্যবহার লক্ষণীয় ও প্রত্যাশিত। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়াতে অধিকাংশ মানুষ হালকা মেজাজে থাকেন। তাই সিরিয়াস ভাষায় কথাবার্তা চলে কম। এ ব্যাপারটি আপনার ব্যবসায়িক প্রচারণায় বিবেচনা করুন।

সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার ফলোয়াররা কোন বিষয়ে কীভাবে কথা বলেন, সে ব্যাপারে জানুন। তাদের পছন্দ-অপছন্দ সম্পর্কে ধারণা রাখুন। সে অনুযায়ী আপনার ব্যবসায়িক পেইজের স্ট্যাটাস, ছবি, ভিডিওসহ বিভিন্ন কন্টেন্টের ভাষায় সামঞ্জস্য নিয়ে আসুন।

কাস্টমারদের কথা শুনুন।

সোশ্যাল মিডিয়া এক ধরনের ফ্রি কাস্টমার সার্ভিস। তাই ফলোয়াররা আপনার ব্যবসায়িক পেইজের কন্টেন্টে যেসব মন্তব্য করেন, সেগুলো গুরুত্ব সহকারে পড়ুন। এমনকি কেউ নেতিবাচকভাবে কথা বললেও তার সমস্যা অনুধাবন করুন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন। কেউ কোন বিষয়ে সমস্যায় পড়লে যথাসম্ভব সহায়তা দেবার চেষ্টা থাকা জরুরি।

নিয়মিত আপডেট দিন।

ব্যবসায়িক প্রচারের জন্য আপনাকে সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রতিনিয়ত সময় দিতেই হবে। এর জন্য ঘণ্টায় ঘণ্টায় কন্টেন্ট পোস্ট করার দরকার নেই। একটি নির্দিষ্ট সময়ে – যখন আপনার অধিকাংশ ফলোয়ার অ্যাক্টিভ থাকে – আপনার ব্যবসায়িক পেইজ আপডেট করুন।

সোশ্যাল মিডিয়াতে সাধারণ ব্যবসায়িক অ্যাকাউন্ট রাখার পাশাপাশি পেইড প্রমোশন (Paid Promotion) চালানো যায়। সে বিষয়ে কথা হবে আরেকদিন। আপনার ব্যবসার প্রসারে সোশ্যাল মিডিয়া কীভাবে ব্যবহার করেন, তা আমাদেরকে জানাতে পারেন কমেন্টের মাধ্যমে




বাংলাদেশে অনলাইন ব্যবসার চ্যালেঞ্জ

বাংলাদেশে অনলাইন ব্যবসার চ্যালেঞ্জ

ক্যারিয়ার কন্টেন্ট - ক্যারিয়ারকী (CareerKi)

এককালে বাজার বলতে আমরা বুঝতাম গ্রাম-শহরের ধারে কোন একটা হই-হট্টগোলে ভরা জায়গা। ক্রেতা-বিক্রেতা আসছে, দরদাম হচ্ছে। কিন্তু যুগ এখন এত এগিয়েছে, বাজার বলে কোন নির্দিষ্ট জায়গা নেই – বাজার আছে সবখানেই। প্রযুক্তির ছোঁয়ায় আজ ঘরে বসেই বাজারদর করতে পারছে মানুষ। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অনলাইনে ব্যবসার প্রসার। তবে এখনো বহু সীমাবদ্ধতা রয়েছে এ খাতে। বাংলাদেশে অনলাইন ব্যবসার চ্যালেঞ্জ নিয়ে জেনে নিন এবারের লেখায়।

ব্যবসার ক্ষেত্র ও সম্ভাবনা

অন্যান্য ব্যবসার মতো ইন্টারনেটেও ব্যবসার ক্ষেত্র নির্ধারণ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আপনি যদি কাঁচা শাকসবজি সরবরাহের ব্যবসা করেন, তবে নিঃসন্দেহে তা ফ্যাশন পণ্য সরবরাহের থেকে কম অনলাইন-নির্ভর হবে। আবার, আপনার রেস্টুরেন্টের ব্যবসা থাকলে এমনভাবে ইন্টারনেটে আপনার উপস্থিতি দরকার, যেন আপনি খাবার ডেলিভারির সার্ভিস দিতে পারেন। এক্ষেত্রে সূক্ষ্মভাবে ব্যবসার সম্ভাবনাগুলো ভাবতে হয়।

রেজিস্ট্রেশন ও ট্রেড লাইসেন্স

প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ব্যবসা করতে গেলে প্রতিষ্ঠানের রেজিস্ট্রেশন ও ট্রেড লাইসেন্স প্রয়োজন। সাথে দরকার হয় ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার। এটি অনলাইন ব্যবসার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। যারা নতুন ব্যবসা শুরু করেন, তাদের অনেকে এসব ব্যাপারে অনভিজ্ঞ হয়ে থাকেন। এছাড়া কাজগুলো বেশ সময়সাপেক্ষ।

ওয়েবসাইট তৈরি

অনলাইন বিজনেস করতে গেলে আপনার একটি অনলাইন ঠিকানা থাকা জরুরি। প্রযুক্তি বিষয়ে অনভিজ্ঞ হয়ে থাকলে ওয়েবসাইট তৈরি ও আপডেট করার কষ্টকর ও ব্যয়বহুল হয়ে থাকে। বর্তমানে গুগলের মাই বিজনেস সার্ভিসের কারণে এ কাজটা কিছুটা সহজ হয়েছে।

অনলাইন লেনদেনের ব্যবস্থা

অনলাইন ব্যবসায় লেনদেনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আপনি ডিজিটাল অর্থ লেনদেনের সাহায্য নিলে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আর কোন কোন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে লেনদেন নিশ্চিত করবেন তা ঠিক করা – এসব ব্যাপারে আপনাকে যথেষ্ট সচেতন হতে হবে।

মার্কেটিং

ইন্টারনেটে ব্যবসার প্রচলন বাংলাদেশে খুব যে জেঁকে বসেছে, তা নয়। নতুন কাস্টমার খোঁজার জন্য আপনার অনলাইন মার্কেটিংয়ের পরিকল্পনা ভালো হতে হবে। এক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে ফেসবুক পোস্ট – বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করতে হবে আপনাকে।

সরবরাহ

ক্রেতাদের কাছে পণ্য কীভাবে সরবরাহ করবেন, সেটি আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনার প্রতিষ্ঠানকেই সরবরাহের দায়িত্ব নিতে হবে বা কোন ডেলিভারি প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করতে হবে। অন্যদিকে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি করে থাকলে কাস্টমস সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও চিন্তা করা প্রয়োজন।




প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট তৈরি করার পূর্বে যে বিষয়গুলি আপনাকে জানতেই হবে

বর্তমানে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে প্রত্যেকটি নিজের প্রতিষ্ঠানটিকে ডিজিটালাইজেশনের দিকে নিয়ে যেতে প্রয়োজন হয় একটি ওয়েবসাইটের। ছোট বা বড় যে মাপেরই হোক আপনার প্রতিষ্ঠান একটি ওয়েবসাইট কিন্তু প্রয়োজন হয়।

তাই যদি আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি ওয়েবসাইট নির্মাণ করতে চান তাহলে সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই বেশ কিছু বিষয়ে আপনাকে জানতেই হবে। তা না হলে আপনি ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন। যে বিষয়গুলো জানতে হবে তা আমি এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে আলোচনা করছি।

ওয়েব সাইট কি

আপনার প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট হচ্ছে আপনার প্রতিষ্ঠান একটি ভার্চুয়াল পরিচিতি। যেখানে আপনার প্রতিষ্ঠান সকল তথ্য ডাটা উপাত্ত দেয়া থাকবে। যেকোনো ইউজার বা ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইট টা দেখলেই বুঝতে পারবে আপনার প্রতিষ্ঠানে কোন ধরনের সার্ভিস, কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন।

ওয়েবসাইট কিভাবে কাজ করেঃ

ওয়েবসাইট হল একটি ভার্চুয়াল প্লাটফর্ম, যে কেউ তার ইলেকট্রিক ডিভাইসের সাহায্যে ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপনার বিজনেস সম্পর্কে জানতে পারবে। আর একটি ওয়েবসাইটের জন্য প্রয়োজনীয় একটি ডোমেইন (ওয়েবসাইটের নাম) এবং হোস্টিং (ওয়েবসাইটের স্পেস বা জায়গা)। একটি নির্ধারিত ওয়েব হোস্টিং এর মধ্যে আপনার ডোমেইন দিয়ে

ডোমেইন-হোষ্টিং

একটি ওয়েবসাইট বানাতে হলে আপনাকে অবশ্যই ডোমেইন এবং হোস্টিং সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। হোস্টিং সার্ভার সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে, স্টিকার ব্যান্ডউইথ ক্যাপাসিটি এবং স্পেস ক্যাপাসিটি সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এবং দাম সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে আমি তারপরও ছোট্ট করে একটি দামের ধারণা দিয়ে দিচ্ছি।

ডোমেইন এর দামঃ বিভিন্ন এক্সটেনশন একটি ডোমেইন এর দাম 1000 টাকা থেকে 12000 টাকা হতে পারে। (বাৎসরিক)

হোস্টিং এর দামঃ হোস্টিং স্পেস এবং ব্যান্ডউইথ এর বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে ভালো মানের ওয়েব স্পেস বা হোস্টিং এর দাম জিবির  ওপর ডিপেন্ড করে। ১ জিবি ১১৫০ টাকা, ১০ জিবি ৭৫০০ টাকা।

প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বা ওয়েবসাইটের ভাষা

এখন কথা হল আপনি ডোমেইন এবং হোস্টিং সম্পর্কে ভালো ধারনা নিয়েছেন কিন্তু আপনি যে ওয়েবসাইটটি তৈরি করবেন সেটি কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে বা সিএমএস দিয়ে তৈরি করবেন। সেজন্য আপনার এটিকে ম্যানেজমেন্ট করার জন্য অবশ্যই ডেভলপারকে বলে দিতে হবে কোন সিএমএস বা কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে আপনার ওয়েবসাইটটি তৈরি হবে। তাই বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (CMS) সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে।

কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম CMS

এখানে আমি CMS বা কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করছি। আপনার ওয়েবসাইট পরিচালনা করার একটি অন্যতম মাধ্যম। আপনি যদি ডাইরেক্ট পিএইচপি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে কোনরকম CMS ব্যবহার করা ছাড়াই একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেন তাহলে সে ওয়েবসাইটটি পরিচালনা করতে আপনার পক্ষে অনেক কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে। সেই সাথে যদি একটি CMS ব্যবহার করেন তাহলে আপনার ওয়েবসাইটটি ম্যানেজ করতে খুবই সহজ হয়ে যাবে।

প্রচলিত কয়েকটি CMS:

  • WordPress
  • Drupal
  • Joomla
  • Magento
  • Kentico CMS
  • RYPO3
  • SharePoint
  • PastaShop
  • SiteCore

এছাড়াও অনেক ওপেনসোর্স CMS মার্কেটে প্রচলিত রয়েছে।

ওয়েবসাইটের ক্যাপাসিটিঃ

একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার পূর্বে অবশ্যই আপনাকে একটি ম্যাপিং তৈরি করে নিতে হবে আপনার ওয়েবসাইটটির ক্যাপাচিটি কত হবে বা আপনার ওয়েবসাইট এর পরিধি কত হবে সে অনুযায়ী আপনার একটি ওয়েবসাইটের বাজেট নির্ধারণ করতে হবে।

একটি ছোটখাটো ওয়েবসাইট তৈরি করতে গেলে আপনাকে ৮ হাজার টাকা থেকে শুরু করে 20 হাজার টাকা খরচ হতে পারে, কিন্তু আপনার ওয়েবসাইটে যদি অনেক বড় হয় তাহলে সেক্ষেত্রে আপনার খরচের পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা হয়ে যেতে পারে।

ওয়েবসাইটের ডিজাইনঃ

তারপর যে বিষয়টি আপনার মাথায় রাখতে হবে ওয়েবসাইট ডিজাইন। কেমন হবে সেটি আপনাকে নির্ধারণ করে দিতে হবে বা ডেভলপার উপরে ছেড়ে দিতে পারেন তাদের মন মত তারাই ডিজাইন করে দেবে।

কি পরিমান খরচ হতে পারেঃ

খরচের দিক থেকে যদি একটি ওয়েবসাইট ডিজাইন করে নিতে চান সেটা আগেও একবার বলেছি আবারো বলছি, বর্তমানে একটি মাঝারি মানের ওয়েবসাইট তৈরি করতে 5000 টাকা থেকে শুরু করে 50 হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে।

এবং বড় ধরনের কোনো ওয়েবসাইট হলে সেটি কয়েক লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে সেটি নির্ভর করবে আপনার ওয়েবসাইটের কোয়ালিটি এবং ক্যাপাসিটি এবং তার ডিজাইনের ওপর।

কোথায় থেকে ডিজাইন করিয়ে নেবেনঃ

কাকে দিয়ে আপনার ওয়েবসাইট ডিজাইন করিয়ে নেবেন এর জন্য আপনি দ্বিধায় রয়েছেন? বর্তমানে আমাদের বাংলাদেশে ইন্ডিয়াতে অনেক ফ্রিল্যান্সার রয়েছে যারা খুব ভালো মানের ওয়েব ডিজাইন করে থাকে আপনি চাইলে তাদের সাথে কন্টাক করে আপনার ওয়েব সাইটটি ডিজাইন করে নিতে পারেন।

এছাড়া আপনি চাইলে বিভিন্ন ধরনের ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম থেকে কোন ফ্রিল্যান্সারকে হায়ার করে আপনি আপনার স্বপ্নের ওয়েবসাইটটিকে তৈরি করে নিতে পারেন।

এছাড়াও বিভিন্ন ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি রয়েছে যারা ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট এর ওপর সার্ভিস দিয়ে থাকে আপনি চাইলে তাদের কোন একটি কোম্পানি থেকে আপনার ওয়েবসাইটে চাহিদা অনুযায়ী একটা সার্ভিস নিয়ে সে মূল্য দিয়ে আপনার ওয়েবসাইটটি তৈরি করে নিতে পারেন।

কিভাবে ম্যানেজ করবেনঃ

আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটটিকে নিজে নিজে ম্যানেজ করতে চান তাহলে আপনার মোটামুটি ভালো সময়ের প্রয়োজন হবে।

সবচেয়ে ভালো হয় যদি আপনি আপনার ওয়েবসাইটে কোন একটি সিএমএস ব্যবহার করে তৈরি করে থাকেন তাহলে খুব অল্প সময়ে আপনি আপনার ওয়েবসাইটটিকে ম্যানেজ করতে পারবেন।




ব্লগিং কি? ব্লগিং করতে এই 31 টি বিষয় আপনাকে জানতেই হবে

ব্লগিং পেশাটা বর্তমানে অনলাইন জুড়ে একটি ট্রেন্ডিং বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে অনেক নতুন নতুন ব্লগার তৈরি হচ্ছে এবং অনেকেই সফল হচ্ছে। আবার অনেকেই ব্লগিং (Blogging) লাইফে এসে কিছুদিন পর ড্রপ আউট হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু কেন? ব্লগিং নিয়ে আজকে আমি বেশ কিছু বিষয়ে আলোচনা করেছি। আপনি যদি ব্লগিং করতে চান, তাহলে অবশ্যই এই বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনাকে জানতে হবে।

একজনের কাছে শুনে, দু/একটি আর্টিকেল পড়ে দু-চারটি ভিডিও দেখেই ব্লগিং-এর ঝাঁপিয়ে পড়লেন। বিষয়টি অতটা সহজ নয়। তাই ব্লগিং শুরু করার আগে আপনি জেনে নিন এই বিষয়গুলি সম্পর্কে । তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার দ্বারা ব্লগিং সম্ভব কিনা।

তবে একটি কথা বলতে পারি আপনি ভালো করে জেনে ব্লগিং সম্পর্কে ভালোভাবে জ্ঞান অর্জন করে  ব্লগিং শুরু করেন তাহলে মাসে 50 হাজার থেকে শুরু করে কয়েক লক্ষ টাকা ইনকাম করা ব্যপারই না।

আপনি যদি এই বিষয়গুলো সম্পর্কে আগে থেকেই জেনে থাকেন তাহলে তো আমি মনে করবো আপনি ব্লগিং জীবনে সফল হয়ে গিয়েছেন। আর যদি নতুন হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই এই বিষয়গুলো ফলো করুন তাহলে খুব দ্রুত ব্লগিং সাফল্য অর্জন করতে পারবেন।

প্রথমে আমরা ব্লগিং এর সাথে পরিচিত হয়ে নিইঃ

ব্লগিং কি? কেন ব্লগিং করবেন?

সহজভাবে বলতে গেলে, ব্লগিং হলো অনলাইনে কোন একটি বিষয় সম্পর্কে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়া। আরেকটু বিস্তারিত বলতে গেলে: কোন একটি উদ্দেশ্যে একটি নির্ধারিত বিষয় সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে সেগুলো সারা বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ইউজারদের সুবিধার জন্য উপস্থাপন করা। যাতে একজন ইউজার এর কোন একটি বিষয় সম্পর্কে জানতে চাইলে খুব সহজেই ইন্টারনেটে সার্চ করে জেনে নিতে পারে।

অর্থাৎ: মনে করুন আপনার একটি মোবাইল ফোনের মেমোরি কার্ড থেকে সকল মিডিয়া ডিলিট হয়ে গিয়েছে। কিন্তু আপনি জানেন না সেই মিডিয়াগুলো পুনরায় কিভাবে ফিরিয়ে আনবেন। তাই আপনি “ডিলেট মিডিয়া ফিরে পাওয়ার উপায়” ইন্টারনেটে সার্চ করলেন। সঙ্গে সঙ্গে নিচে অনেকগুলো সমাধান সহ রেজাল্ট চলে আসছে। এবং আপনি সেখান থেকে যে কোন একটি রেজাল্টের উপর ক্লিক করে জেনে নিলেন কিভাবে আপনার মিডিয়াগুলো পুনরায় ফিরে পেতে পারেন।

এখন আপনার সার্চ রেজাল্টে যতগুলো লিংক এসেছে এর প্রত্যেকটি এক একটি ব্লগ। এবং যারা এই ব্লগ গুলো কে নির্মাণ করে সার্ভিস দিচ্ছে তারা হচ্ছেন ব্লগার। এবং এই পেশাটি হচ্ছে ব্লগিং। আশা করি বোঝাতে পেরেছি।

ব্লগিং কেন করবেনঃ মানুষ বিভিন্ন কারণে ব্লগিং করে তার মধ্যে অন্যতম কিছু কারণ হচ্ছে,

  • নিজের পেশা হিসেবে অর্থ উপার্জন করার জন্য ব্লগিং করা।
  • শখের বশে ব্লগিং করা।
  • পার্ট টাইম ব্যবসা হিসাবে ব্লগিং করা।
  • আপনি যে বিষয় গুলো জানেন সে বিষয়গুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে ভালোবাসেন। তাই আপনার বিষয় গুলো ছড়িয়ে দেয়ার জন্য ব্লগিং করা।

আজকে আমরা মূলত আলোচনা করছি প্রথম বিষয়টি নিয়ে অর্থাৎ, পেশা হিসেবে কিভাবে ব্লগিং করতে হবে। ব্লগিং করে কিভাবে টাকা উপার্জন করা যায় এবং নিজের ক্যারিয়ার গড়া যায়। আর আপনি যদি ব্লগিং করে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে চান তাহলে ব্লগিং শুরু করার পূর্বে নিচের বিষয়গুলো আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে।

১।  ব্লগিং করার উদ্দেশ্য

ব্লগিং এর ব্যাপারে আলোচনা করতে গেলে প্রথমে যে বিষয়টি আসে সেটি হলো আপনি ব্লগিং কেন করতে চাচ্ছেন। আপনার ব্লগিং এর উদ্দেশ্য কি। আপনার ব্লগিং করার উদ্দেশ্য যদি টাকা ইনকাম করা হয় তথা ক্যারিয়ার ডেভেলপ করা হয়, তাহলে অবশ্যই ব্লগিং করার শুরুতে আপনাকে প্ল্যানিং করতে হবে।

আর যদি শখের বসে ব্লগিং করেন তাহলে সেটা ভিন্ন কথা। আজ আমরা সে বিষয়ে যাবনা।

যেহেতু আমার উদ্দেশ্য হলো ব্লগিং করে নিজের ক্যারিয়ার গড়া অর্থাৎ টাকা ইনকাম করা। দূর করার শুরুতে জিরো ভাবে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যে আমি অবশ্যই ব্লগিং করে সফল হতে পারব। আর যদি আপনি প্ল্যানিং না করে শুরু করেন তাহলে ব্লগিং ক্যারিয়ার এলোমেলো হয়ে যেতে পারে।

ব্লগিং করার উদ্দেশ্য সেট করার সময় যে বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখা উচিতঃ

  • প্রথমে নিজে নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন যে আপনি ব্লগিং করতে পারবেন কিনা? যদি উত্তর না হয় তাহলে এখনো ছেড়ে দিন।
  • আর যদি আপনার উত্তর হ্যাঁ হয় তাহলে নিচের বিষয়গুলো ফলো করে আজকেই ব্লগিং শুরু করে দিন।
  • আর যদি আপনার এমন মনে হয় যে আজ ব্লগিং শুরু করব যদি তিন মাসের মধ্যে কোন একটি পর্যায়ে যেতে পারি তাহলে ব্লগিং করব অন্যথায় ছেড়ে দেবো। এরকম পরিকল্পনা থাকলে তাহলে আজও ব্লগিং এর চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। কেননা আপনি যদি ব্লগিং এর জন্য পুরোপুরি নিজের মাইন্ড কে সেট না করতে পারেন তাহলে আপনার দ্বারা ব্লগিং করা হবে না।
  • অথবা আপনি মনে মনে ধারণা করছেন আপনি অবশ্যই ব্লগিং করতে পারবেন, কিন্তু মন থেকে আপনার এই সমস্ত কাজগুলো ভালো লাগেনা। কিছুটা ইচ্ছের বিরুদ্ধে জোর করে শুরু করতে যাচ্ছেন। যদি আপনার পরিস্থিতি এমন হয় তাহলে আপনি আরও ভাবুন।

একটা কথা মনে হলো: বহু আগে শুনেছিলাম, “পৃথিবীতে সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো অন্যের পকেট থেকে টাকা বের করে নিজের পকেট এ আনা ” প্রবাদটি একেবারেই সত্য। কথাটি  কিন্তু অবশ্যই আপনার মাথায় রাখতে হবে।

যাই হোক, এবার আসছি আপনি কি ধরনের ব্লগিং করবেন। এ বিষয়টি জানতে অবশ্যই জানতে হবে ব্লগিং এর ধরন গুলো সম্পর্কে।

৮। ওয়েবসাইট এর পোষ্ট এবং পেজ কিভাবে কাজ করে

একটি ওয়েবসাইটে আপনার কনটেন্ট দুইভাবে পাবলিশ করা যায় একটি হলো একটি ব্লগ পোস্ট এর মাধ্যমে অথবা আপনি চাইলে আপনার আর্টিকেলটি একটি পেজ এর মাধ্যমেও প্রকাশ করতে পারবেন।

নরমালি যে সমস্ত নিউজ বা তথ্যসমূহ সচারাচর আপডেট করা হয় সেগুলো পোস্ট আকারে করা হয়। এবং এগুলি একটি ব্লগে নিয়মিত কনটেন্ট। এছাড়া বেশকিছু নির্ধারিত করে পাবলিশ করা হয় যেগুলো একটি ওয়েবসাইট এর মধ্যে থাকে এবং সব সময় একই রকম থাকে।

একটি ওয়েবসাইটের যে সকল পেজ থাকেঃ কাহারো প্রথম লেভেলে ১০ জন অর্থাৎ ডিরেক্ট ১০জন মেম্বার হলে তখন সে ওয়ান স্টার মেম্বার হয়ে যাবের। About Us, Contact Us, Member, Frontend Dashboard, Pricing, Product, Privacy Policy, Term & Condision.

#৯। আর্টিকেল রাইর্টি কি? কিভাবে আর্টিকের লিখতে হয়

আর্টিকেল তথা কনটেন্ট হলো একটি ওয়েবসাইটের প্রাণ। অর্থাৎ একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট পরিচালনা করতে হলে অবশ্যই আর্টিকেল রাইটিং শিখতে হবে। অন্যথা একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ পরিচালনা করা সম্ভব নয়। ওয়েবসাইটে আর্টিকেল লিখতে হলে একটি ওয়েব আর্টিকেল এর বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে সেগুলো অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। যেমন, এট্রাক্টিভ হিডিং, আর্টিকেল এর সারাংশ, বিস্তারিত আলোচনা, এবং সমাপনী। এবং একটি আর্টিকেল এর মধ্যে কিছু মিডিয়া ইন্টারনাল এবং এক্সটারনাল লিঙ্ক করতে হয়।

#১০। পার্মালিংক কি? পার্মালিংক কেমন হওয়া উচিৎ

ব্লগিং করতে হলে পার্মালিংক সম্পর্কে অবশ্যই আপনার ধারনা থাকতে হবে। পার্মালিনক হল আপনার প্রতিটি আর্টিকেলের আলাদা আলাদা লিংক। যে লিঙ্ক ধরে ভিজিটররা নির্ধারিত একটি আর্টিকেল খুঁজে পাবে। অর্থাৎ আপনার মূল ডোমেইন এর পরে স্ল্যাস (/)  চিহ্ন দিয়ে যে অংশটুকু যুক্ত করা হয় সেটি হল একটি ব্লগের পোস্ট পার্মালিংক। ওয়েবসাইট এর প্রতিটি পোষ্ট ক্যাটাগরি এবং পেজের পার্মালিনক ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে।  যেমন: zmg.com.bd/permalink

#১১। কী ওয়ার্ড কি? কিভাবে কিওয়ার্ড ব্যবহার করবেন

একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য কিওয়ার্ড গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আপনি যখন কোনো একটি কনটেন্ট বা আর্টিকেল লিখবেন তখন অবশ্যই কোনো একটি কিওয়ার্ড কে টার্গেট করে লিখতে হবে। তাহলে আপনার একটি ব্লগ পোস্ট খুব দ্রুত গুগলে রেংক করবে।

কীওয়ার্ড কি?

কিওয়ার্ড হল এমন একটি শব্দ যেটি সার্চ ইঞ্জিনে লিখে কোন একটি বিষয় সার্চ করে। মানুষ যে সমস্ত বিষয় লিখে গুগলে সার্চ করে প্রত্যেকটি শব্দ কিন্তু কিওয়ার্ড নয়। সার্চ করা প্রত্যেকটি শব্দ এক একটি সার্চ কোয়েরি। এবং প্রত্যেকটি সার্চ কোয়েরির মধ্য থেকে বেশ কিছু শব্দ রয়েছে যেগুলো গুগোল এর সার্চ কনসলে নির্ধারিত থাকে।  যে কোন সার্চ কোয়েরি লিখে সার্চ করার পর কোয়েরীগুলো যে কি-ওয়ার্ড এর সাথে ম্যাচ হয় তার উপর নির্ভর করে রেজাল্ট শো করে।

যখন আমরা কোনো কিওয়ার্ড কে টার্গেট করে আর্টিকেল লিখব তখন সেই রিলেটেড যেকোনো কুয়েরি লিখে সার্চ করলে আমাদের সেই আর্টিকেলটি সার্চ রেজাল্ট আসার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।

আর যদি কোন কিওয়ার্ড কে টার্গেট করে আর্টিকেল লেখা না হয়, তাহলে সে আর্টিকেলটি রেজােল্টে আসতে প্রচুর সময় লাগে বা কোন কীওয়ার্ড এর সাথে ম্যাচ না হওয়ার কারণে কখনোই সার্চ রেজাল্টে প্রদর্শিত হয় না।

১২। ইন্টারনাল ও এক্সটারনাল লিংক কি? কিভাবে ব্যবহার করবেন

একটি ওয়েবসাইটের ইন্টারনাল এবং এক্সটারনাল লিংক হলো- যখন একটি আর্টিকেল এর মধ্যে অন্য একটি ওয়েবসাইটের লিংক যুক্ত করে দেয়া হয় তখন সেটাকে এক্সটার্নাল লিনক বলে।

এক্সটারনাল লিংক:  এক্সটার্নাল লিংক এর উপর কোন ভিজিটর ক্লিক করলে ওয়েবসাইট থেকে পুরোপুরি বাহির হয়ে অন্য ওয়েবসাইটে চলে যাবে। এক্সটার্নাল লিংকটি দুইভাবে করা হয় একটি হচ্ছে ডো ফলো এবং অন্য একটি  নো ফলো। এই লিংকগুলি শুধুমাত্র অন্য একটি সাইট রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

ইন্টারনাল লিংক: ইন্টার্নাল একটি আর্টিকেল এর মধ্যে এমন লিংক তৈরী করা যেটি একটি ওয়েবসাইটের অন্য আরেকটি আর্টিকেল এর লিংক। অর্থাৎ লিঙ্গের উপর যদি কোন ভিজিটর ক্লিক করে তাহলে সেই ওয়েবসাইটের অন্য আরেকটি আর্টিকেলে চলে যাবে কিন্তু সে একেবারে ওয়েবসাইটের বাইরে যাবে না।

এই লিংকটি করা হয় যদি আপনার ওয়েবসাইট এ বিভিন্ন ধরনের রিসোর্স থাকে তাহলে একটি আর্টিকেল থেকে অন্য একটি আর্টিকেল এ রেফার করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

#১৩। মিডিয়া কি? কেন মিডিয়া ব্যবহার করবেন

মিডিয়া হলো একটি ওয়েব সাইটের কনটেন্ট এর মধ্যে ব্যবহৃত ছবি, ভিডিও, ডক ফাইল, পিডিএফ ফাইল।  এগুলো বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয়। যেমন: ফিচার ইমেজ, স্কীনসট, ইনফোগ্রাফি, ভিডিও, ইনফোগ্রাফি ইত্যাদি।

#১৪। নেভিগেশন মেনু কি? কেমন নেভিগেশন ব্যবহার করা উচিৎ

ওয়েবসাইটের নেভিগেশন মেনু হলো পুরো ওয়েবসাইটের একটি সাইট ম্যাপ। অর্থাৎ একটি ওয়েবসাইটের উপরের দিকে কিছু মেনুবার থাকবে যেখান থেকে ওয়েবসাইট এর মধ্যে কোথায় কি রয়েছে সেগুলো জানতে পারবে। নেভিগেশন মেনুগুলো ক্যাটাগরি অনুযায়ী বা পেজ অনুযায়ী হতে পারে।

এমনকি একটি ওয়েবসাইটের নির্ধারিত কিছু পেইজ নেভিগেশন এর মাধ্যমে নির্ধারণ করে দেয়া যায় যাতে ভিজিটররা খুব সহজেই সেটিকে খুঁজে পায়।

#১৫। ক্যাটাগরি এবং ট্যাগ

একটি ওয়েবসাইটে বিভিন্ন ধরনের ক্যাটাগরি বা ব্যবহার করা যেতে পারে। ক্যাটাগরি ব্যবহার করার ফলে যে কোন ভিজিটর তাঁর পছন্দনীয় ক্যাটাগরিতে খুব সহজেই তার তথ্য খুঁজে পাবে। আপনার ওয়েবসাইটে যে কয়েকটি বিষয় থাকবে প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা ক্যাটগরির মাধ্যমে প্রকাশ করা যেতে পারে। যেমন: শিক্ষা, স্বাস্থ্যা, প্রযুক্তি, বিনোদন, খেলাধুলা, ডিজিটাল মার্কেটিং ইত্যাদি প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা ক্যাটাগরি।

১৬। গুগল সার্চ কনসোল

গুগল সার্চ কনসোল হলো যেখানে আপনার ওয়েবসাইট টিকে ভেরিফাই করতে হবে। অর্থাৎ গুগল সার্চ কনসোল এর  আপনি গুগলকে বলে দেবেন যেন আপনার ওয়েবসাইটের লেখাগুলো এবং তথ্যগুলো ইনবক্স করে। গুগোল যখন আপনার ওয়েবসাইটকে ইন্ডেক্স করবে তখন আপনার ওয়েবসাইটের  তথ্যগুলো সার্চ রেজাল্ট এ প্রদর্শিত হবে।

গুগল সার্চ কনসোলে আপনি নির্ধারণ করে দিতে পারবেন কোন কোন আর্টিকেল এবং কোন পেজগুলো গুগল ইন্ডেক্স করবে। এবং গুগল সার্চ কনসোল থেকে আপনি দেখতে পারবেন কিকি কিওয়ার্ড বা কোন কোন বিষয়টি গুগল সার্চ রেজাল্ট থেকে ভিজিটররা খুঁজে পাচ্ছে।

আপনি যদি গুগল সার্চ কনসোলে আপনার ওয়েবসাইট থেকে ভেরিফাই না করেন তাহলে গুগল আপনার ওয়েবসাইটকে চিনতে পারবে না। এবং গুগল সার্চ ইঞ্জিনে কেউ আপনার ওয়েবসাইটকে খুঁজে পাবেনা।

#১৭। সার্চ ইঞ্জিন ইনডেক্স

আপনার ওয়েবসাইটটি তৈরি করার পর বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে ভেরিফাই করতে হবে। এবং বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনকে আপনার ওয়েবসাইট এর ডাটা/সাইটম্যাপ দিয়ে আসতে হবে। যখন বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন আপনার ওয়েব সাইটের সাইটম্যাপ বাড়াটা খুঁজে পাবে তখন তারা আপনার ওয়েবসাইটকে ইন্ডেক্স করবে এবং তাদের রেজাল্টে প্রদর্শিত করবে।

এবং যখন আপনার ওয়েবসাইট এ বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে ইন্টেক্স থাকবে এবং রেজাল্ট দেখাবে তখন বিভিন্ন ভিজিটর কিন্তু অটোমেটিক আপনার ওয়েবসাইটকে খুঁজে পাবে।

#১ ৮। Robot TXT কি? কেন ব্যবহার করবেন

Robot TXT একটি টেক্সট ফাইল। এ ফাইল এর মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনকে বলে দিতে পারবেন তারা কি কি বিষয় ইন্ডেক্স করবে এবং তাদের সার্চ রেজাল্টে দেখাবে। আপনি চাইলে এই ফাইলের মাধ্যমে বেশকিছু পেজ বা ক্যাটাগরি সার্চ ইঞ্জিন থেকে হাইড করে রাখতে পারবেন। তাহলে আপনার হাইড করা বিষয়গুলো সার্চ ইঞ্জিন কখনোই ইন্ডেক্স করবে না।

অর্থাৎ এই ফাইলের মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনকে অনুমতি দেয়া যে আমার ওয়েবসাইটের কি কি বিষয়ে আপনি ভিজিটর দের জন্য ইনডেক্স করতে পারবেন পারবেন এবং কি কি বিষয় ইনডেক্স করতে পারবে না। আপনি চাইলে নির্ধারিত কোন পোস্ট বা পেজ এ ইন্টেক্স এর পারমিশন অফ করে দিতে পারবেন।

#১৯। সাইটম্যাপ কি? কেন কোথায় ব্যবহার করবেন

সাইটম্যাপ হলো আপনার ওয়েবসাইট এর একটি এইচটিএমএল ফাইল যেখানে আপনার ওয়েবসাইট এর সকল লিংকগুলো লিস্ট করা থাকবে। এবং এই সাইটটি প্রতিনিয়ত আপডেট হতে থাকবে।

এখন কথা হল সাইটম্যাপ কেন ব্যবহার করবেন? একারণেই ব্যবহার করতে হয় যেন যেকোনো সার্চ ইঞ্জিন সাইট ম্যাপ ফলো করে আপনার ওয়েবসাইট এর নতুন এবং আপডেট লেখাগুলি দ্রুত ইন্ডেক্স করতে পারে। যখন একটি সার্চ ইঞ্জিনে আপনার ওয়েব সাইটের সাইটম্যাপ সাবমিট করবেন তখন আপনার ওয়েবসাইটটি সার্চ ইঞ্জিন খুব দ্রুত ক্রউল পারে।

#২০। গুগল এনালাইটিক্স

এনালাইটিক্স হলো গুগলের একটি প্রোডাক্ট। গুগল এনালাইটিক্স মূলত ওয়েবসাইটের ভিজিটর পর্যবেক্ষণ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এখানে আপনার ওয়েবসাইটটি ভেরিফাই করার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের গতিবিধি দেখতে পারবেন। এখানে যে সমস্ত সুবিধাগুলো পাবেন সেগুলি হল:

  • আপনার ওয়েবসাইট এ কতগুলো ভিজিটর এসেছে।
  • কোথায় থেকে আপনার ওয়েবসাইটে ইউজার এসেছে।
  • আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর কি কি ডিভাইস ব্যবহার করে প্রবেশ করেছে।
  • এবং কোন ইউজার কতক্ষণ আপনার ওয়েবসাইটে থেকেছে।
  • কোন কোন আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার করে আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেছে।
  • এমনকি গুগল এডসেন্স এর সাথে এনালাইটিক্স যুক্ত করা থাকলে আপনার ওয়েবসাইট থেকে কত টাকা ইনকাম হলো আপনি এখান থেকে দেখতে পারবেন।
  • আপনার ওয়েবসাইটের দৈনিক সাপ্তাহিক মাসিক এবং বাৎসরিক আসছে সকল হিসাব থাকবে গুগল এনালাইটিক্স এ।
  • গুগল এনালাইটিক্স মূলত ওয়েবসাইটের ভিজিটর পর্যবেক্ষণ করার জন্য ব্যবহার করা হয়

#২১। পেজ স্পীড অপটিমাইজেশন

পেজ স্পীড অপটিমাইজেশন হল আপনার ওয়েব সাইট এর গতি বৃদ্ধি করা। যখন একজন ইউজার কোন সার্চ ইঞ্জিনে কোন কিছু খুঁজবে। তখন আপনার ওয়েবসাইটের স্পিড যত বেশি থাকবে তত দ্রুত আপনার ওয়েবসাইট এর রেজাল্ট প্রদর্শিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর যদি আপনার ওয়েবসাইটটি একটু ধীর গতির হয়, তাহলে সার্চ ইঞ্জিন এর রেজাল্ট আসার সম্ভাবনা কমে যায়।

আপনার ওয়েব সাইট এর স্পিড যাতে ফাস্ট হয় সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। অন্যথায় আপনি অনেক ভিজিটর হারাতে পারেন।

কি কি কারণে পেজ স্পিড কমে যায়:

  • ওয়েবসাইটের স্পিড কম হওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে হোস্টিং সার্ভার। আপনার যদি হোস্টিং সার্ভার ভালো থাকে এবং দ্রুত পারফর্ম করে তাহলে আপনার ওয়েব সাইট এর স্পিড অনেকটাই বেড়ে যাবে।
  • অপ্রয়োজনীয় প্লাগিন/ফাংশন ব্যবহার করা।
  • অতিরিক্ত পরিমাণে কোড/স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করা।
  • বড় বড় ইমেজ ব্যবহার করার কারণেও পেজ স্পিড কমে যায়।

২২। ইমেজ অপটিমাইজেশন

আপনার ওয়েবসাইট এর আর্টিকেল এর মধ্যে ইমেজ অফ থে মেসেজ করাটা অত্যন্ত জরুরী। যখন আপনার একটি আর্টিকেল প্রকাশ করবেন তখন সে আর্টিকেল এর ব্যবহার করা প্রত্যেকটি ইমেজ অপটিমাইজ করে দিতে হবে। তাহলে আপনার সে আর্টিকেলটি খুব দ্রুত সার্চ রেজাল্টে আসার সম্ভাবনা থাকে।

অর্থাৎ একটি ইমেজ 3mb রয়েছে এবং সেই ইমেজ অনায়াসে 50kb ব্যাবহার করা যায়, সেক্ষেত্রে আপনাকে বড় ইমেজ ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই।  সেদিকে রেজুলেশন ঠিক রেখে অপটিমাইজ করে তারপর আপলোড করা উচিত।

ইমেজ অফ ফেমাস করার জন্য আপনি কিছু সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও চাইলে অনলাইনে বিভিন্ন টুলস রয়েছে সেগুলোর মাধ্যমে ছবিগুলোকে অপটিমাইজ করে নিতে পারবেন। যেমনঃ tinypng, tinygpg ইত্যাদি।

#২৩। ওয়েব সাইট এসইও

ওয়েবসাইট এসইও তথা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। এটি একটি ওয়েবসাইট এর জন্য আবশ্যকীয় বিষয়। এসইও এমন একটি টেকনিক যার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটি  বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে খুব দ্রুত খুজে পাওয়া যাবে। অর্থাৎ এসইও করার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটটি সার্চ ইঞ্জিন গুরুত্ব দিবে এবং ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটকে খুব দ্রুত সার্চ ইঞ্জিনে খুঁজে পাবে এমন একটি পদ্ধতিই হলো এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন)।

আপনি যদি একটি ব্লগ বা ওয়েব সাইট চালান, অথবা ব্লগিংকে ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চান তাহলে এসইও এর ওপর অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে। অন্যথায় বর্তমানে প্রতিযোগিতার সময় আপনার ব্লগ টি টিকে থাকতে পারবে না।

 

#২৪। অনপেজ অপটিমাইজেশন

অন-পেজ অপটিমাইজেশন SEO(সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন) এর একটি অংশ। অন পেজ অপটিমাইজেশন এর মাধ্যমে আমরা ওয়েবসাইট এর ভিতরে থাকা প্রত্যেকটি বিষয় অপটিমাইজ করে সার্চ ইঞ্জিনের জন্য উপযোগী করে গড়ে তুলতে পারি। এবং আমরা অন পেজ এসইও যত সুন্দর ভাবে পড়তে পারব সার্চ ইঞ্জিন আমাদের ওয়েবসাইটকে ততটাই পছন্দ করবে।

আর যখন সার্চ ইঞ্জিন আমার ওয়েবসাইট কে পছন্দ করবে তখন সার্চ রেজাল্টে আমার ওয়েবসাইটটি প্রথম দিকে আসার সম্ভাবনা থাকে।

অর্থাৎ ওয়েবসাইট এর মধ্যে এমন কিছু টেকনিক ব্যবহার করা যার মাধ্যমে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন ওয়েবসাইটকে দ্রুত খুজে পাবে সেই টেকনিকই হলো অনপেজ এসইও বা অনপেজ অপটিমাইজেশন।

#২৫। অফপেজ অপটিমাইজেশন

অফপেজ অপটিমাইজেশন হলো এসইও এর একটি অংশ। এস ই ও এর মধ্যে অফপেজ অপটিমাইজেশন হলো ওয়েবসাইট এর বাহিরে যে সকল কাজ করা হয়| অর্থাৎ একটি ওয়েবসাইট জনপ্রিয় করে তোলার জন্য বিভিন্নভাবে বিভিন্ন জায়গায় ওয়েবসাইটের মার্কেটিং করাকেই অফ পেজ অপটিমাইজেশন বলে| তবে এই মার্কেটিং এর ফর্মুলা একটু ভিন্ন টাইপের।

নরমালি আমরা যেভাবে একটি ওয়েবসাইট এর মার্কেটিং করে সার্চ এবং ইনকাম বাড়ায় কিন্তু এটি এবং ইনকাম বাড়ানোর জন্য নয়। এই মার্কেটিং হচ্ছে, বিভিন্নভাবে ওয়েবসাইটকে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে জনপ্রিয় করে তোলার একটি পদ্ধতি।

#২৬। সোশ্যাল মিডিয়া সিগনাল

ব্লগিং করতে হলে সোশ্যাল মিডিয়া সিগন্যাল সম্পর্কে অবশ্যই আপনাকে জ্ঞান অর্জন করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়া সিগন্যাল যেমন একটি ওয়েবসাইটের এসইও জন্য প্রয়োজন তেমনি একটি ওয়েবসাইটের মার্কেটিং করার জন্য সোশ্যাল সিগন্যাল অন্যতম পদ্ধতি হিসেবে কাজ করে থাকে।

সোশ্যাল মিডিয়া সিগ্নাল এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটকে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনের কাছে জনপ্রিয় করে তোলা যায় এছাড়াও আপনার বিজনেস সম্পর্কে খুব দ্রুত মার্কেটিং করা যায়।

সোশ্যাল মিডিয়ার সিগনাল হল: আপনার ওয়েব সাইটের কনটেন্ট সার্ভিসসমূহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইটে সুন্দর করে উপস্থাপন করা। আপনার ওয়েব সাইট এর সার্ভিস বা কনটেন্ট যত সুন্দর ভাবে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারবেন আপনার সোশ্যাল সিগন্যাল পাওয়ার সম্ভবনা তত বেশি।

এখানে সিগনাল বলতে বুঝানো হয়েছে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার ওয়েব সাইটের কনটেন্ট বা সার্ভিস শেয়ার করার পর কি পরিমাণে কনভার্ট হচ্ছে। অর্থাৎ কি পরিমানে লোক আপনার সার্ভিস এবং কনটেন্টগুলো কে পর্যবেক্ষণ করছে বা দেখছে।

একটি ওয়েবসাইটের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া সিগন্যাল সংগ্রহ করা যায় ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে। সোশ্যাল মিডিয়া সিগন্যাল ডিজিটাল মার্কেটিং/সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর একটি অংশ বিশেষ।

২৭। ব্যাকলিংক

সহজ ভাষায় ব্যাকলিংক হলো আপনার ওয়েবসাইটের লিংক বা ইউআরএল অন্য একটি ওয়েব সাইটে সাবমিট করার নাম। অর্থাৎ আপনার রিলেটেড ওয়েবসাইটে যেকোনো কনটেন্ট এর মাধ্যে কোন একটি শব্দকে এঙ্কর টেক্স এর মাধ্যমে লিংকিং করাকে ব্যাকলিংক বলে।

ব্যাকলিংক কেন করা হয়: ব্যাকলিংক করার উদ্দেশ্য হলো আপনার ওয়েবসাইট সম্পর্কে ভিজিটর কে জানানো। একজন ইউজার যখন একটি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে এবং সেখানে আর্টিকেল এর মধ্যে যখন আপনার ওয়েবসাইটের লিংক টি দেখতে পাবে সেখানে ক্লিক করে আপনার ওয়েবসাইটে চলে আসবে। এর দ্বারা আপনার ওয়েবসাইটে যেমন একটি ভিজিটর পেলেন তেমনি এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট কে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে জনপ্রিয় করে তুলতে পারবেন।

কিভাবে ব্যাকলিংক করতে হয়: ব্যাকলিংক করার জনপ্রিয় মাধ্যম গুলো হলোঃ

ক) গেস্ট পোস্ট করে ব্যাক লিঙ্ক করা,

খ) কমেন্ট এর মাধ্যমে,

গ) বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ব্যাকলিংক করা,

ঘ) বিভিন্ন আর্টিকেল সাবমিশন ওয়েব সাইটে আর্টিকেল সাবমিট করার মাধ্যমে করা যায়

ঙ) বিভিন্ন ইমেজ বা মিডিয়া শেয়ারিং ওয়েবসাইট কোন ফাইল শেয়ারিং এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের লিঙ্ক করতে পারবেন।

#২৮। ব্লগ থেকে কিভাবে আয় করবেন

#২৯। ব্লগিং করতে কত টাকা খরচ হয়

#৩০। ব্লগিং শিখতে কতদিন সময় লাগে

#৩১। ব্লগিং করে কত টাকা আয় করা যায়




অনলাইন ব্যবসা কি? কিভাবে শুরু করব, লাভজনক অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া

Online Business: বর্তমানে সারাবিশ্বে প্রযুক্তির উন্নয়ন হওয়ার সাথে সাথে ইন্টারনেট জগৎটাও পৌঁছে গেছে অনেক শীর্ষে। কেনাকাটা, বিভিন্ন সেবা থেকে শুরু করে অনলাইনে ব্যবসা (Online Business) করা যাচ্ছে বিভিন্ন সেক্টরে। বর্তমানে অনলাইনে ব্যবসা (Online Business) করে অনেকেই স্বাবলম্বী হচ্ছেন খুব অল্প সময়েই। আবার অনেকেই অনলাইন ব্যবসা থেকে ছিটকে পড়ে যাচ্ছেন।

আজকের এই টিউটোরিয়ালে আমি আলোচনা করব কিভাবে অনলাইনে ব্যবসা (Online Business) করা যায় এবং বেশ কিছু জনপ্রিয় ও লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে। যে ব্যবসা গুলি খুবই সহজ এবং ঘরে বসে পরিচালনা করা সম্ভব।

আলোচনার শুরুতেই জেনে নিতে হবে অনলাইন ব্যবসা আসলে কি? এটা কিভাবে পরিচালনা করতে হয়? অনলাইন ব্যবসা কিভাবে শুরু করবেন? কেমন পুজিঁর প্রয়োজন? কেন মানুষ অনলাইন ব্যবসার দিকে ঝুকছে? এর সবকিছুই থাকছে এই আটিক্যালে।

অনলাইন ব্যবসা কি? What is Online Business?

অনলাইন ব্যবসা হল যে সকল ব্যবসা ঘরে বসে ভার্চুয়াল ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় সেগুলো হচ্ছে অনলাইন ব্যবসা। অর্থাৎ যে সকল ব্যবসা একটি কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট কানেকশনের মাধ্যমে কাস্টমারদের সাথে যোগাযোগ এবং সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব সেগুলি হচ্ছে অনলাইন ব্যবসা।

আমি আরো সহজ করে বলছি, মনে করুন আপনার একটি ওয়েবসাইট রয়েছে সেখানে আপনি গ্যাস সিলিন্ডার রেখে কাস্টমারদের কাছে বিক্রির প্রস্তাব করেছেন। এবং কোন কাস্টমার আপনার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনাকে গ্যাস সিলিন্ডারের অর্ডার করলে আপনি সেই সিলিন্ডারটি তার বাসায় পৌঁছে দেবেন। এই প্রক্রিয়ায় যে ব্যবসা পরিচালনা হয় সেটি হচ্ছে অনলাইন ব্যবসা

আরো একটি উদাহরণ হল: মনে করুন আপনার একটি ওয়েবসাইট রয়েছে সেখানে কিছু নতুন ফিচার যুক্ত করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে আপনি অনলাইনের মাধ্যমে অন্য যে কোন কোম্পানির কাউকে হায়ার করলেন আপনার ওয়েবসাইটে ফিচার যুক্ত করার জন্য। আপনি যে কোম্পানিকে আপনার ওয়েবসাইটটি কাজ করার জন্য দিয়েছেন তাদের যে ব্যবসাটি রয়েছে সেটা হচ্ছে অনলাইন ব্যবসা।অনলানে ব্যবসা কিভাবে শুরু করা যায়

অনলাইন এবং অফলাইন ব্যবসার পার্থক্য/Online vs Ofline Bisiness:

অনলাইন এবং অফলাইন ব্যবসার মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। আপনি যদি অনলাইনে ব্যবসা (Online Business) পরিচালনা করতে চান না সেক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে এ বিষয়গুলো ভালো ভাবে জানতে হবে। অনলাইন এবং অফলাইন ব্যবসার মূল পার্থক্য গুলো নিম্নে আলোচনা করছিঃ

মূল পার্থক্য (Main Deferent )

অনলাইন ব্যবসা হল, যে সকল ব্যবসা শুধুমাত্র ঘরে বসে কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট এর মাধ্যমে পরিচালনা করা সম্ভব সেগুলো।

পক্ষান্তরেঃ কোন নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট ব্যবসা করাই হলো অফলাইন ব্যবসা।

লোকেশন (Location)

অনলাইন ব্যবসা আপনি বিশ্বের যেকোন জায়গা থেকে ঘরে বসে পরিচালনা করতে পারবেন তার জন্য আপনার নির্দিষ্ট কোন জায়গা অথবা প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন নেই। অনলাইন ব্যবসা পরিচালনা করতে শুধুমাত্র আপনার একটি কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ অথবা ভালো মানের একটি স্মার্টফোন ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে যে কোন জায়গা থেকেই পরিচালনা করতে পারবেন।

পক্ষান্তরে যদি অফলাইন ব্যবসা করেন সেক্ষেত্রে আপনার অবশ্যই একটি প্রতিষ্ঠান তথা অফিস প্রয়োজন হবে। তার সাথে প্রয়োজন হবে এসেট্স এবং অন্যান্য যাবতীয় সামগ্রী। এমনকি একটি স্টোর এর ও প্রয়োজন হতে পারে।

বিনিয়োগ (Investment)

অনলাইন ব্যবসাতে বিনিয়োগের দিকে হিসাব করলে বেশকিছু ব্যবসা রয়েছে যেখানে স্বল্প পুঁজি এমনকি পুঁজি ছাড়াও ব্যবসা শুরু করা সম্ভব। তবে হ্যাঁ ম্যাক্সিমাম বিজনেস গুলোতে অল্প পুজিতে শুরু করা সম্ভব। সুতরাং সহজে বোঝা যাচ্ছে অনলাইন ব্যবসা গুলোতে স্বল্প পুঁজিতে এবং অল্প সময় ব্যয় করে ঘরে বসে বিভিন্ন ধরনের ছাড়াই শুরু করা সম্ভব। এমনকি কম বিনিয়োগে বেশি মুনাফা করার একটি বিজনেস হল অনলাইন ব্যবসা।

পক্ষান্তরে: অফ লাইন/ লোকাল ব্যবসা গুলোতে প্রচুর পরিমাণে প্রয়োজন হয় পাশাপাশি ফার্নিচার, ডেকোরেশন, লাইটিং ইত্যাদি বিষয়েও একটি বড় ধরনের খরচের ব্যাপার রয়েছে। এদিকে বিবেচনা করলে অফলাইন অর্থাৎ লোকাল ব্যবসা গুলো বেশি পুঁজি খাটিয়ে বেশি শ্রম দিয়ে যে লাভবান হওয়া সম্ভব, তারচেয়ে অনেক অংশে কম খরচ করে অনলাইন ব্যবসা গুলোতে অধিক মুনাফা অর্জন করার সুযোগ রয়েছে।

শপ (Store):

অনলাইন ব্যবসা শুরু করার জন্য কোন রকম শোরুম বা দোকানের প্রয়োজন হয় না। নিজের যেকোনো একটি জায়গা থেকেই ব্যবসা শুরু করা সম্ভব হয়। যেহেতু অনলাইন ব্যবসা গুলোতে দোকান বা শোরুম এর প্রয়োজন হয় না সেহেতু খুব সহজেই এ ব্যবসাটি শুরু করা যায়। একটি শোরুম বা দোকানের জন্য যে ধরনের পুঁজি প্রয়োজন ছিল সেগুলো অনলাইন ব্যবসার অন্যান্য কাজে খরচ করা যেতে পারে।

পক্ষান্তরে: একটি লোকাল ব্যবসা শুরু করতে হলে অবশ্যই একটি শোরুম এর প্রয়োজন হবে। এবং সেখানে একটি বড় ধরনের বিনিয়োগের প্রয়োজন হয়। তাই অফলাইন বাল্যকাল ব্যবসার চেয়ে অনলাইন ব্যবসাটা শুরু করা খুবই সহজ। এবং এতে অধিক মুনাফা অর্জন করার সুযোগ রয়েছে।

সময় (time table):

সময়ের কথা হিসাব করলে অনলাইন ব্যবসা গুলোতে নির্ধারিত কোন সময়ে কাজ করতে হয় না। অর্থাৎ আপনার ব্যবসাটি অনলাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন কাস্টমারের কাছে পৌঁছাবে এবং বিভিন্ন কাস্টমার আপনার ওয়েবসাইট বা বিজনেসকে দেখতে পারবে এবং সেখানে তারা অর্ডার করবে, পরবর্তীতে আপনি যেকোনো সময় এসে অর্ডারটি কে একসেপ্ট করে ডেলিভারির ব্যবস্থা অথবা সার্ভিস প্রোভাইড করবেন এবং বিনিময়ে কাস্টমারের অ্যাকাউন্ট থেকে আপনার একাউন্টে অটোমেটিক টাকা চলে আসবে।

কিন্তু হ্যাঁ মাঝে মাঝে বিভিন্ন কাস্টমার বিজনেস প্রোভাইডারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করবে সে সমস্ত কাস্টমারের সাথে অবশ্যই যোগাযোগ রাখতে হবে।

পক্ষান্তরে: লোকাল ব্যবসা করতে গেলে যতক্ষণ কাস্টমার আপনার সামনে থাকবে বা কাস্টমারের সেবা প্রদান করবেন ততক্ষণ সে কাস্টমারকে সময় দিতে হবে। অনলাইন ব্যবসাতে একই সাথে কয়েকজন কাস্টমারের সাথে যোগাযোগ মেনটেন করা সম্ভব হয় কিন্তু অফলাইন তথা লোকাল ব্যবসা গুলোতে যখন একটি কাস্টমারের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করবেন তখন অন্যান্য কাস্টমার আপনার জন্য অপেক্ষা করবে।

এই দিক দিয়ে বিবেচনা করলে, অফলাইন ব্যবসা গুলোর চেয়ে অনলাইন ব্যবসা গুলো অনেকাংশে সহজ।

সরঞ্জামাদি (Accessories)

সরঞ্জামাদি কি লাগবে, এ ব্যাপারে বলতে গেলে অনলাইন ব্যবসা গুলোতে সরঞ্জাম বলতে তেমন কিছু লাগেনা শুধু মাত্রঃ একটি কম্পিউটার, ভালো মানের ইন্টারনেট কানেকশন, একটি ওয়েবসাইট, এবং আনুষাঙ্গিক কিছু জিনিসপত্র। মোটামুটি এইসব জিনিসগুলো আপনার প্রস্তুত থাকলে আপনি অনলাইন ব্যবসা শুরু করে দিতে পারেন।

টার্গেটেড কাষ্টমার (Tergeted Customer):

কাস্টমারের কথা বিবেচনা করলে অনলাইন ব্যবসা গুলোর কাস্টমার world-wide তথা সারা বিশ্ব থাকবে, অথবা বিশ্বের যেকোনো একটি অংশকে টার্গেট করে আপনি ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন। মজার বিষয় হলো অনলাইন ব্যবসা গুলোতে আপনি যেই লোকেশন টা কে টার্গেট করে বিজনেস করবেন আপনাকে সেই লোকেশনে উপস্থিত থাকতে হবে না।

আপনি বিভিন্ন ভার্চুয়াল যোগাযোগের মাধ্যমে কাস্টমারদের সাথে যোগাযোগ  রক্ষা করতে পারবেন।

পক্ষান্তরে:  অপ্রচলিত ব্যবসাগুলো করতে গেলে, আপনি যেই এরিয়াকে টার্গেট করে ব্যবসা পরিচালনা করবেন আপনাকে সেই এরিয়াতে অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রয়োজনে আপনার অফিসে কাস্টমার বা অন্যান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে বিভিন্ন মিটিং এ উপস্থিত থাকতে হবে।

কাস্টমারের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করতে হবে, অন্যথায় আপনি একটি প্রচলিত ব্যবসা কোন ভাবেই পরিচালনা করতে পারবেন না। এটা সহজ ভাবে বোঝা যাচ্ছে যে অনলাইন ব্যবসা গুলো বিশ্বের যে কোন জায়গাকে টার্গেট করে যে কোন জায়গা থেকেই করা সম্ভব।

তাই যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বর্তমানে বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অনলাইন ব্যবসা গুলোকে তাদের প্রধান ইনকামের উৎস করে নিচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন/ প্রচার প্রচারণাঃ (Advertisement)

বিজ্ঞাপন অথবা প্রচার-প্রচারণা করার জন্য অনলাইন ব্যবসা গুলোর নরমালি ভার্চুয়াল বিজ্ঞাপন হয়ে থাকে। আর অনলাইন ব্যবসা গুলোর বিজ্ঞাপন প্রচার করা খুবই সহজ। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া, বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ব্যানার বিজ্ঞাপন, ভিডিও বা অডিও বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সারা বিশ্বের যে কোন এরিয়াতে খুব সহজেই প্রচার করা যায়।

অনলাইন ব্যবসা গুলোর ভার্চুয়াল বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য খরচ তুলনামূলক কম। তাই অল্প খরচে বেশি সংখ্যক কাস্টমারের কাছে আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপনটি পৌঁছানো সম্ভব হয়।

পক্ষান্তরে: লোকাল, প্রচলিত ব্যবসার বিজ্ঞাপন করতে গেলে বিভিন্ন টিভি মিডিয়া, প্রেস মিডিয়া, ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে বিজ্ঞাপন প্রচার করতে গেলে অনেক ব্যয়বহুল হয়। তুলনামূলকভাবে অল্পসংখ্যক কাস্টমারের কাছে এই বিজ্ঞাপনটির পৌঁছে। কেননা এক্ষেত্রে টার্গেট করে কোনো কাস্টমারের কাছে বিজ্ঞাপন পৌঁছানো সম্ভব হয় না।

মার্কেটিং (Marketing)

অনলাইন বিজনেস এর মার্কেটিং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়া (Social Media), ছাড়াও বিভিন্ন ভাবে ফ্রি এবং টাকা খরচ করে মার্কেটিং করা সম্ভব হয়। অনলাইন ব্যবসা গুলোর মার্কেটিং করার সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হল:  সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, ইমেইল মার্কেটিং, সিপিএ মার্কেটিং, লিড জেনারেশন, গুগল এডওয়ার্ড, ভিডিও মার্কেটিং ইত্যাদি।

পক্ষান্তরে, প্রচলিত ব্যবসা তথা লোকাল ব্যবসাগুলো মার্কেটিং করতে গেলে দক্ষ জনবল দিয়ে বিভিন্ন সেক্টরে এরিয়াতে মার্কেটিং করতে হয়। লোকাল ব্যবসার মার্কেটিং এর জন্য লোক রেখে মার্কেটিং করতে গেলে প্রচুর টাকা খরচ করতে হয়। অনলাইন ব্যবসা গুলোতে এর ম্যাক্সিমাম গুলিতে বা অল্প টাকা খরচ করেই করা সম্ভব।

কেন অনলাইন ব্যবসা করবেন

উপরে যে সকল বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে এ বিষয়গুলো পড়ার পর অবশ্যই আপনার এই বিষয়টি ক্লিয়ার হয়ে গিয়েছে যে আপনি কেন অনলাইন ব্যবসা করবেন

তারপরও আমি সহজভাবে বলে দিচ্ছি অনলাইন ব্যবসা লোকাল বা প্রচলিত ব্যবসার চেয়ে বিজ্ঞাপন, মার্কেটিং, বিনিয়োগ, , লোকেশন , সময় ইত্যাদি প্রত্যেকটি বিষয়ে একত্রে বিবেচনা করলে অনলাইন ব্যবসা প্রচলিত ব্যবসার চেয়ে অনেক সহজ। অল্প সময়ে অল্প পুঁজিতে অধিক মুনাফা অর্জন করা সম্ভব হয় অনলাইন ব্যবসা গুলো থেকে।

যেহেতু প্রচলিত ব্যবসার চেয়ে অনলাইন ব্যবসা থেকে অধিক মুনাফা অর্জন করা যায় তাই আপনি অনলাইন ব্যবসা শুরু করতে পারেন। তবে হ্যাঁ অনলাইন ব্যবসা করার জন্য আপনাকে অবশ্যই কিছু নিয়মকানুন আইডিয়া নিয়ে তারপরে ব্যবসায় নামতে হবে। আমি এই আর্টিকেলের নিচে দিয়ে দিয়েছি অনলাইন ব্যবসার বেশ কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য। এবং লাভজনক অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া

অনলাইন ব্যবসা শুরু করার জন্য কি কি প্রয়োজন

অনলাইন ব্যবসা শুরু করতে হলে বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে তারপর অনলাইন ব্যবসায় নামতে হবে অন্যথায় আপনি মাঝপথে গিয়ে থেমে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া: (Online Business Idea)

অনলাইন ব্যবসা করতে হলে প্রথমেই যে বিষয়টি আপনার মাথায় রাখতে হবে তা হচ্ছে ভালো একটি ব্যবসার আইডিয়া। আপনি যদি শুরুতে ভালো একটি আইডিয়া না নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন তাহলে সে ব্যবসা থেকে বেশি মুনাফা অর্জন করা সম্ভব হবে না। তাই অনলাইন ব্যবসা শুরু করার পূর্বে আপনাকে মুনাফা বিনিয়োগ লোকেশন বিজনেস প্লান সম্পন্ন ঠিকঠাক করে তারপর ব্যবসায় নামতে হবে।

অনলাইন ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স (Trade Licence for Online Business)

অনলাইন ব্যবসার লাইসেন্স অথবা ট্রেড লাইসেন্স এর কথা বলতে গেলে বর্তমানে ই-কমার্স ব্যবসা করতে গেলে সরকারি বা স্থানীয় সরকার অফিস থেকে একটি ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে। আমাদের দেশের জন্য কতটা ধরাবাধা নিয়ম কানুন এখনো করেনি।

তাই অনেকেই কোন ধরনের ট্রেড লাইসেন্স বা অনলাইন ব্যবসার লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।

অনলাইন ব্যবসার প্রকারভেদ (Kinds of Online Business)

অনলাইনে ব্যবসা (Online Business) এর কয়েকটি ধরন রয়েছে নিম্নে তাহা বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। তারমধ্যে অনলাইন ব্যবসা দুই রকম হয়ে থাকে, ক) সার্ভিস প্রদান অথবা সার্ভিস বিক্রয় এবং অন্যটি খ) পণ্য বিক্রয়

এ দুটি বিষয় সম্পর্কে নিম্নে বিশদভাবে আলোচনা করা হয়েছে।

সার্ভিস প্রদান/বিক্রয় (Service Sales)

অনলাইন ব্যবসার মধ্যে জনপ্রিয় যে ব্যবসা গুলো হচ্ছে সেগুলো হলো সার্ভিস প্রদান অথবা সার্ভিস বিক্রয়।

অনলাইন ব্যবসায়ী সার্ভিস এর ব্যবসা গুলোর মধ্যে সার্ভিসগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়: ১। ডিজিটাল সার্ভিস, ২। সরাসরি সার্ভিস।

ডিজিটাল সার্ভিস: (Digital Service)

যারা অনলাইনে ব্যবসা (Online Business) করে থাকেন তাদের প্রথম পছন্দ হয়ে থাকে ডিজিটাল সার্ভিস গুলোর দিকে। কেননা ডিজিটাল সার্ভিসগুলো প্রদান করতে খুবই সহজ এবং এতে হাতে-কলমে ঘরে বসে কাজ করা সম্ভব হয় ম্যাক্সিমাম গুলোতে। অনলাইনে ব্যবসা (Online Business) ডিজিটাল সার্ভিস গুলোর মধ্যে অন্যতম যে সার্ভিস গুলো হল:

ওয়েব ডিজাইন: (Web Design)

ডিজিটাল সার্ভিস গুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ওয়েব ডিজাইন। যে কেউ চাইলেই এই সেকশনে একটি টিম তৈরি করে একটি অফিস করে সেখানে কিছু ডিজাইনার নিয়ে একটি এজেন্সি করে তুলতে পারেন। এবং বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস থেকে অর্ডার নিয়ে সেই এজেন্সি সদস্যগণ মিলে কাজ করে দিয়ে সহজেই আপনার ব্যবসা থেকে প্রচার ও প্রসার করতে পারেন।

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট: (web development)

ডিজিটাল সার্ভিস গুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। বর্তমান বিশ্বে অসংখ্য ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলোর প্রত্যেকটি ওয়েবসাইট ডেভেলপ করতে হয়। অথবা কোন ওয়েবসাইটের ভিতরগত কোন সমস্যা হলে সেগুলো তারা বাহিরে লোক দিয়ে কাজ করেনি এ সমাধান করে।

আপনি যদি একটি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি তৈরি করতে পারেন তাহলে অনেকে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস থেকে প্রচুর কাজ সংগ্রহ করে আপনাদের মাধ্যমে করে দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন: (Graphic Design)

গ্রাফিক্স ডিজাইন একটি সৃজনশীল পেশা। যদি আপনার ভিতরে ক্রিয়েটিভিটি তথা সৃজনশীলতা থাকে তাহলে খুব সহজেই একটি ছোট্ট টিম নিয়ে গ্রাফিক ডিজাইনে এজেন্সি করে অনলাইন ব্যবসা করতে পারেন।

বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর চাহিদা অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে। তাই আমি অনায়াসে বলতে পারি যদি কেউ গ্রাফিক ডিজাইন সম্পর্কে একটি তৈরি করে এবং বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজ করে খুব দ্রুত এবং ভালো পজিশনে বুঝতে পারবে খুব সহজেই।

লগো ডিজাইন: (Logo Design)

লোগো ডিজাইন হলো গ্রাফিক ডিজাইন এর একটি অংশ। লোগো ডিজাইনে এজেন্সিগুলোকে ছোট ছোট লোগো ডিজাইন করে বড় বড় কোম্পানি থেকে ভালো পরিমাণে আয় করা সম্ভব। যেহেতু এটি গ্রাফিক্সের একটি অংশ তাই এতে প্রচুর সৃজনশীলতার প্রয়োজন রয়েছে।

একজন সৃজনশীল ব্যক্তি ছাড়া গ্রাফিক লাইফে খুব ভালো উন্নতি করতে পারে না। তাই আপনি লোগো ডিজাইনে তৈরি করার শুরুতেই আপনাকে ভাবতে হবে আপনি এ বিষয়ে কতটুকু বুঝেন বা জানেন।

ডোমেইন ব্যবসা: (Domain Business)

প্রতিনিয়ত নানান ধরনের ওয়েবসাইট নির্মাণ হচ্ছে। একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে একটি ডোমেইন বাধ্যতামূলক। তাই যারা ওয়েবসাইট তৈরি করছে তারা অবশ্যই একটি ওয়েবসাইটের জন্য একটি ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করে থাকে। কেউবা করে বড় কোন কোম্পানি থেকে আবার কেউ লোকাল ছোট ছোট কম্পানী থেকে।

আপনি চাইলে ডোমেইন এর যেকোনো একটি প্রোভাইডার থেকে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন এর ব্যবসা শুরু করতে পারেন এতে প্রতিদিন বিক্রি হলে আপনার 2 থেকে 3 ডলার পরিমাণে লাভ থাকবে।

ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন এর রিসেলার ব্যবসা করতে গেলে শুধুমাত্র আপনাকে মার্কেটিং করতে হবে আর একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে সেখানে প্রসেসিং গুলো রেডি রাখতে হবে।

হোস্টিং ব্যবসা: (Web Hosting Business)

হোস্টিং ব্যবসা ডোমেইন ব্যবসার মতই। আপনি একেবারে যেকোনো একটি কোম্পানি থেকে অনেক বেশি নিয়ে একটি হোস্টিং প্যাকেজ কিনবেন। এবং সেটিকে কয়েকভাগে ভাগ করে রিসেলার হিসাবে বিক্রি করবেন।

হোস্টিং এর ব্যবসায়ীরাই অর্ধেক লাভ হয়ে থাকে। অর্থাৎ আপনি যদি 20000 টাকা ইনভেস্ট করেন তাহলে 40 হাজার বা 50 হাজার টাকা ইনকাম করা সম্ভব।

ফটো ও ভিডিও এডিটিং: (Photo and Video Editing)

বর্তমানে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস গুলোতে ফটো অথবা ভিডিও এডিটিং এর প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। আপনি যদি ফটো এডিটিং এর একটি এজেন্সি স্টুডিও নির্মাণ করে সেখানে কিছু লোক রেখে কাজ করতে পারেন, তাহলে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস গুলো আপনাকে কাজ দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

শুধুমাত্র অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে কে ট্রাস্ট অর্জন করে আপনাকে কাজ আদায় করে নিতে হবে।

বিজ্ঞাপন স্ক্রিপ্ট, বিজ্ঞাপন তৈরি: (Advertisement, Sript Making)

বর্তমানে যেহেতু অনলাইন ব্যবসা দিন দিন বেড়েই চলেছে তাই অনলাইন বিজ্ঞাপন স্ক্রিপ্ট এবং এনিমেশন তৈরি এর কাজ গুলোর  রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। যে কোন কোম্পানির অনলাইন ভিত্তিক ব্যবসা গুলোর বিজ্ঞাপনের জন্য বিভিন্ন এজেন্সির করে তাদের বিজ্ঞাপন তৈরী করে নিয়ে থাকে।

কেউ যদি ইচ্ছা করে যে, একটি বিজ্ঞাপন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবে। তাহলে সে খুব সহজেই একটি টিম নিয়ে একটি বিজ্ঞাপন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে।

বিজ্ঞাপন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের জন্য কিছু মার্কেটের হায়ার করে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসগুলোর থেকে অর্ডার নিয়ে সে কাজগুলো খুব সহজেই ঘরে বসে করতে পারে অনলাইনের মাধ্যমে।

আমরা এতক্ষণ জানলাম অনলাইন ব্যবসাতে ডিজিটাল প্রোডাক্ট/সার্ভিস এর ব্যাপারে।

ফিজিক্যাল সার্ভিস (Phisical Service)

এখন আলোচনা করছি অনলাইন ব্যবসার মধ্যে ফিজিক্যাল সার্ভিস গুলো কি কি বা কিভাবে কাজ করে।

ফিজিক্যাল সার্ভিস হল আপনার অনলাইনে ব্যবসার (Online Business) প্রচার-প্রচারণা সবকিছু অনলাইনে হবে। কিন্তু আপনার সার্ভিসটি ফিজিক্যালি দিতে হবে। অর্থাৎ অনলাইনে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অথবা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আপনাকে কাজের অর্ডার দিবে আপনাকে সেই কাজের স্থানে গিয়ে, অথবা লোক পাঠিয়ে সার্ভিসিং করে দিতে হবে।

অনলাইন ব্যবসার মধ্যে ফিজিক্যাল সার্ভিস এর অন্যতম হলো-

অনলাইন কার সার্ভিস (Online Car service)

অনলাইন এ কার সার্ভিস, অর্থাৎ আপনি যে এরিয়াতে সার্ভিস দিচ্ছে এরিয়াতে কারো গাড়ি নষ্ট, পাঞ্ছার, বা সমস্য হলে, গাড়ির মালিক আপনাকে সার্ভিসের জন্য ডাকবে। লোকেশন অনুযায়ী আপনার সার্ভিসের লোক পাঠিয়ে সার্ভিসিং করে দিতে হবে। এ ধরনের সার্ভিসকে ফিজিক্যাল সার্ভিস বলা হয়।

অনলাইল লন্ড্রি (Online Landry)

অনলাইন লন্ড্রী এটি একটি জনপ্রিয় ব্যবসা। অর্থাৎ আপনার লোকাল এরিয়াতে যেসকল লোকেরা আপনাকে লন্ড্রি করার জন্য অর্ডার করবে আপনি আপনার সার্ভিসের মাধ্যমে বাসায় বাসায় গিয়ে তাদের লন্ড্রি সার্ভিস দিতে হবে।

এতে করে এককালীন অথবা সাপ্তাহিক বা মাসিক হারে আপনি কাষ্টমারদের চার্জ করতে পারবেন।

অনলাইন রেস্টুরেন্ট (Online resturant)

অনলাইনে রেস্টুরেন্ট এর ব্যবসা কেউ খুব ভালো একটি ব্যবসা। অর্থাৎ বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট হতে লোকাল এরিয়াতে এবং ডেলিভারি সার্ভিস দিয়ে ব্যবসা করাকেই অনলাইন রেস্টুরেন্ট ব্যবসা বলা হয়। অর্থাৎ রেস্টুরেন্টের একটি ওয়েবসাইট থাকবে এবং লোকজন সেখানে অর্ডার করলে তার বাসায় হোম ডেলিভারি দিতে হবে।

প্রোডাক্ট ক্রয় বিক্রয়- Product Buy sell

অনলাইনে ব্যবসা (Online Business) করার জন্য আরও একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে অনলাইনে প্রোডাক্ট বা পণ্য বিক্রয় করে ব্যবসা করা। অনলাইনে যারা ব্যবসা করছেন তারা যে সমস্ত প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করে থাকেন তারা দুই ধরনের হয়ে থাকে একটি হচ্ছে ডিজিটাল প্রোডাক্ট আরেকটি হচ্ছে ফিজিক্যাল প্রডাক্ট।

ফিজিক্যাল প্রোডাক্ট (Phisical Product)

অনলাইনে প্রোডাক্ট বিক্রি করার জন্য ফিজিক্যাল করে যে সমস্ত প্রোডাক্ট রয়েছে সেগুলি হল যে প্রোডাক্টগুলো হাতে ধরা যায় বা সরাসরি ব্যবহার করা যায় সেটি হচ্ছে ফিজিক্যাল বা ডাইরেক্ট প্রোডাক্ট।

যেমন, রান্না ঘরের যাবতীয় আসবাবপত্র, ইলেকট্রনিক্স পণ্য, ফার্নিচার, ড্রেস, মোবাইল, কম্পিউটার, ইত্যাদি।

ডিজিটাল প্রোডাক্ট (Digital Product)

পক্ষান্তরে অনলাইন ব্যবসার ডিজিটাল প্রোডাক্ট গুলো হল যে সমস্ত প্রোডাক্ট হাতে ধরা ছোঁয়া যায় না কিন্তু সে প্রোডাক্ট গুলো ভার্চুয়াল ভাবে ব্যবহার করা হয়। অনলাইনে ব্যবসার মধ্যে ডিজিটাল প্রোডাক্ট নিয়ে ব্যবসা করলে এটি খুবই লাভজনক ব্যবসা।

ডিজিটাল প্রোডাক্ট নিয়ে অনলাইন ব্যবসা করলে সুবিধা হল এটি সরাসরি ডেলিভারি দিতে হয় না, অনলাইনের মাধ্যমে ডেলিভারি দেওয়া যায়, এই পণ্যগুলোর ইমেইল অথবা ওয়েবসাইট ডাউনলোড এর মাধ্যমে ডেলিভারি দেওয়া হয়।

অনলাইনে ব্যবসার জন্য জনপ্রিয় ডিজিটাল প্রোডাক্ট, ডোমেইন, হোস্টিং, সফটওয়্যার, মিডিয়া প্লেয়ার, ভার্চুয়াল কার্ড, ভার্চুয়াল একাউন্ট, ওয়েবসাইট প্লাগইন, ওয়েবসাইট টেমপ্লেট, থিম, ইত্যাদি।

অনলাইনে নিজস্ব ব্যবসার আইডিয়া

এছাড়াও আপনি চাইলে অনলাইনে যে কোন একটি বিষয় বা পণ্য নিয়ে আপনি নিজে নিজেই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। অনলাইনে ব্যবসা  (Online Business) করার জন্য কিছু ভার্চুয়াল এবং ডাইরেক্ট পণ্য নিয়ে আলোচনা করলাম।

ব্লগিং- (Blogging)

অনলাইনে নিজস্ব ব্যবসা করার জন্য সবচেয়ে ভালো এবং পপুলার প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে ব্লগিং করা। যে কোন ব্যক্তির চাইলেই কিছু প্রাথমিক ধারনা নিয়ে একটি ওয়েবসাইট বানিয়ে সেখানে ব্লগিং শুরু করতে পারেন এবং ঘরে বসেই আয় করতে পারেন। ব্লগিং এর মাধ্যমে যে সমস্ত পন্থায় আয় করা যায়- গুগল এডসেন্স, এফিলিয়েট মার্কেটিং, ব্যানার বিজ্ঞাপন বিক্রয়, ইত্যাদি।

ইউটিউব (Youtube)

জনপ্রিয় অনলাইন ব্যবসা গুলোর মধ্যে আরও একটি ব্যবসা হলো ইউটিউব। বর্তমানে আমাদের ইন্ডিয়া এবং বাংলাদেশ থেকে প্রচুর পরিমাণে ইয়ং জেনারেশন ইউটিউব থেকে ঘরে বসে আয় করছে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগ ছেলেমেয়েই ইউটিউব থেকে প্রোডাক্ট রিভিউ গুগল এডসেন্স এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে করে আসছেন।

গুগল এডসেন্স (Google Adsense)

গুগল এডসেন্স হতে পারে অনলাইন ব্যবসার আরো একটি অন্যতম মাধ্যম। আপনার যদি গুগল এডসেন্স নিয়ে অনলাইনে বিজনেস করতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই একটি ভালো মানের ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে গুগলের নীতিমালা মেনে।

এফিলিয়েট ব্যবসা (Affiliate Business)

এফিলিয়েট মার্কেটিং:  অনলাইনে ব্যবসার (Online Business) আরও একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হলো এফিলিয়েট মার্কেটিং। এফিলিয়েট মার্কেটিং করে ঘরে বসেই অনলাইনে  ব্যবসা হতে পারে আপনার ক্যারিয়ার। এফিলিয়েট মার্কের্টি করে অনলানে ব্যবসা শুরু করার জন্য প্রয়োজন ধর্য্য।

নিজের অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট (e-commerce business )

অনলাইন ব্যবসা করার জন্য নিজের একটি অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। নিজে অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট তৈরি করে সেখানে নিজস্ব প্রোডাক্ট অথবা অন্যান্য কোম্পানির এফিলিয়েট প্রোডাক্ট বিক্রি করে সেখান থেকে প্রতিনিয়ত আয় করতে পারবেন। এর জন্য আপনি বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া এবং এসইও এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটে প্রচুর পরিমাণে ভিজিটর আনতে পারবেন এবং তাদের কাছে পণ্য বিক্রি করতে পারবেন।

ফেইসবুক মার্কেটিং (Facebook Marketing)

ফেসবুক মার্কেটিং হতে পারে আপনার অনলাইন ব্যবসার একটি অন্যতম মাধ্যম। আপনি চাইলে ফেসবুক মার্কেটিং এর মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ট্রাফিক পাঠানো থেকে শুরু করে বিভিন্ন কোম্পানির প্রোডাক্ট সেল করার জন্য নির্দিষ্ট টার্গেটেড কাস্টমারদের কি করতে পারবেন।

এছাড়াও আপনি চাইলে ফেসবুকে আপনার নিজস্ব প্রোডাক্ট নিজস্ব কাস্টমার তৈরি করে তাদের কাছে বিক্রি করতে পারবেন।

বর্তমানে এ ব্যবসাটি খুবই সময়োপযোগী এবং চলমান প্রক্রিয়া। হাজার হাজার লোক এরপর ফেসবুক মার্কেটিং এর মাধ্যমে তাদের ব্যবসা কে প্রচার এবং প্রসার করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন খুব অল্প সময়েই।

প্রোডাক্ট প্রোমোট (Product Promotion)

আপনার যদি খুব সহজে বা অল্প সময়ে অনলাইন বিজনেস শুরু করতে চান তাহলে প্রডাক্ট প্রমোশন হতে পারে আপনার অনলাইন ব্যবসার একটি প্রধান উৎস। বিভিন্ন কোম্পানির প্রোডাক্ট করে আপনি তাদের প্রোডাক্ট এর জন্য কাস্টমার তৈরি করে দিতে পারেন। সেজন্য আপনি একজন এফিলিয়েট অর হিসেবে কমিশন নিতে পারেন অথবা ডাইরেক্ট পণ্য বিক্রয় করতে পারবেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং (Digital Marketing)

 

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (Social Media Marketing)
এন্ড্রয়েড এপস তৈরি (Android Apps Making)

সর্বোপরি আমাদের পরামর্শঃ

আপনি যদি অনলাইনে বিজনেস করতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই যে ব্যবসায়িক পরিচালনা করবেন তার সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা নিয়ে তারপর শুরু করবেন। মনে রাখবেন আপনি যে ব্যবসায়ী করবেন না কেন সে ব্যবসা সম্পর্কে আপনার অবশ্যই সম্পূর্ণ ধারণা থাকতে হবে।

ব্যবসা কখনো অন্যের উপর নির্ভর করে করা যাবে না। আপনি যদি বিভিন্ন লোক নিয়ে অনলাইন ব্যবসা পরিচালনা করতে যান তাহলে অন্তত লোক গুলো পরিচালনা করার জন্য আপনাকে জ্ঞান অর্জন করতে হবে। আপনার যদি ব্যবসা সম্পর্কে ধারনা না থাকে যত ভাল লোক আপনি হায়ার করুন না কেন আপনি ব্যবসাতে সফল হতে পারবেন না।

বন্ধুরা আমাদের এই আর্টিকেলটি যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। আমাদের লেখা সম্পর্কে আপনার যদি কোন অভিযোগ অথবা পরামর্শ থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানাবেন।




একটি ওয়েবসাইটই হতে পারে আপনার সারা জীবনের স্থায়ী উপার্জনের মাধ্যম

প্রথমে জেনে নেই, কেন ওয়েবসাইট তৈরি করে?

একটি ওয়েবসাইট হচ্ছে আপনার যে কোন প্রতিষ্ঠানের অনলাইন পরিচয়। যে কোন কোম্পানি, স্কুল, কলেজ ইত্যাদি সকল প্রতিষ্ঠান তাদের নামে ওয়েবসাইট করে থাকে যাতে করে ইন্টারনেটে তাদের সম্পর্কে জানা যায় এবং তাদের বিভিন্ন সেবা বা সার্ভিস সম্পর্কে মানুষ যেন সহজেই জানতে পারে। এই জাতীয় ওয়েবসাইট গুলো হচ্ছে মূলত প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট।
কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইটের বাইরেও কিন্তু রয়েছে আরও প্রচুর ওয়েবসাইট যেগুলো হচ্ছে ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক। এই ধরণের ওয়েবসাইট গুলোতে সাধারণত বিভিন্ন টিপস, ট্রিক, আইডিয়া, বিনোদন, খবর ইত্যাদি বিষয় দেয়া হয়ে থাকে। এই গুলোকে আপনি অ-প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট ও বলতে পারেন। এই ধরনের ওয়েবসাইট গুলো করা হয় সাধারণত সখের বসে অথবা, লং টাইম ব্যাবসা করার জন্য।

 

শুরুতেই বলে নেই, নতুনদের মাঝে ওয়েবসাইট বা ব্লগ নিয়ে বেশ ভাল কনফিউশন দেখা যায়। আসলে ব্লগ হচ্ছে এক ধরনের ওয়েবসাইট যেখানে নিয়মিত বিভিন্ন বিষয়ে লিখালিখি করা হয়। সেটা হতে পারে যে কোন বিষয়। আর ওয়েবসাইট হচ্ছে এক ধরনের সাইট যেখানে সাধারণত তেমন কোন চেঞ্জ হয় না, বা যেখানে লিখালিখির ব্যাপার থাকে না। আপনি ওয়েবসাইট বা ব্লগ যেটাই করুন না কেন সেখান থেকে অবশ্যই আয় সম্ভব। চলুন সামনের দিকে এগুনো যাক।

আপনি কি বিষয়ে ওয়েবসাইট/ব্লগ তৈরি করবেন?

আসলে প্রথম অবস্থায় সবচাইতে বড় যে সমস্যাটি হয় সেটি হচ্ছে, কোন বিষয়ে ওয়েবসাইট বা ব্লগ করবেন সেটাই খুজে না পাওয়া? এটার মূল কারন হচ্ছে তাড়াহুড়া করা। আমরা যখন কোন উৎসাহমূলক লিখা পড়ি বা কারন সফলতার গল্প শুনি তখনই মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি আমিও তেমন হব, এর জন্য যত পরিশ্রম করতে হয় করব। হ্যা, এমন ভাবাই শ্রেয়। কিন্তু আমাদের প্রধান সমস্যা হচ্ছে আমরা ধৈর্য্য ধরার চেস্টা করতে পারি না, আমাদের সব কিছু ইন্সট্যান্ট বা তৎক্ষণাৎ দরকার। আর এই জন্য শেষ পর্যন্ত আমাদের তেমন কিছুই হয় না। আর তাই যেহেতু আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট একদিন বা দুইদিনের জন্য নয়, যেহেতু এটা সারা জীবনের জন্য তাই হুট করেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবেন না যে আপনি কোন বিষয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করবেন। ভাবুন, দেখুন, শুনুন, বুঝুন তারপর সিদ্ধান্ত নিন আপনি কি করবেন এবং কেন করবেন এবং কিভাবে করবেন?

ব্লগ বা ওয়েবসাইটের বিষয় নির্বাচন করার ক্ষেত্রে কিছু টিপসঃ

ব্লগ বা সাইটের বিষয় নির্বাচন করার ক্ষেত্রে নিচের টিপস গুলো আপনাকে হেল্প করতে পারে-
আপনি ভাল জানেন এবং আপনার ইন্টারেস্ট আছে এমন যে কোন বিষয়েই আপনি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। আপনি যেটাই জানুন না কেন সেটা নিয়েই শুরু করে দিতে পারেন লিখালিখি। শেয়ার করুন আপনার নিজের জ্ঞান। সেটা কোন বিষয় সেটা কোন ব্যাপার না, কোয়ালিটি থাকলে সব বিষয়েই সাইট করা যায়। এমন অনেকেই আছেন যারা তাদের সখের অনেক কিছু নিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করেও সেখান থেকে প্রতি মাসে কয়েক হাজার ডলার আয় করছেন।
আপনি যে বিষয়টি ভালো জানেন বা পারেন সেই বিষয়টিকে ওয়েবসাইট বানানোর কাজে লাগাতে পারেন। যেমন ধরুন, আপনি একজন ওয়েব ডিজাইনার। তাহলে আপনি চাইলে ডিজাইন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখালেখির অভ্যাস করতে পারেন। আপনার সাইটে প্রতিদিন, সম্ভব না হলে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একটি করে পোস্ট দিতে পারেন। চেস্টা করুন যেটা সেটা ইন্টারেস্টিং হয় এবং মানুষ বা ভিজিটর যাতে সেটা পড়ে নতুন কিছু জানতে পারে। এই ভাবে লিখতে থাকলে দেখবেন একসময় আপনি পার্মানেন্ট ভিজিটর পেয়ে যাবে যারা আপনার সাইট নিয়মিত ভিজিট করবে।
তবে এই ক্ষেত্রে, কখনো হেজিটেশনে ভুগবেন না যে কি লিখব, কেমন হবে, কেউ পছন্দ করবে কিনা? আপনি সেটাই লিখবেন যেটা আপনি জানেন। লিখতে লিখতেই এক সময় আপনি আপনার ব্লগকে জনপ্রিয় করে তুলতে পারবেন। আপনি যত লিখবেন আপনার লিখা তত আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে থাকবে। একবার ব্লগ জনপ্রিয় হয়ে উঠলে সেখানে আপনি অন্যান্য লেখকদের ও আমন্ত্রণ করতে পারেন আপনার ব্লগ লিখার জন্য। এবং অন্যান্য ব্লগাররাও যদি আপনার ব্লগে লিখা শুরু করে দেয় তাহলেই তো কেল্লাফতে ! এরপর আপানাকে আর আশা করি পেছনে ফিরতে হবে না।
এই ভাবে যদি একটি সাইট কে দাড় করিয়ে ফেলতে পারেন তাহলে এখানে বিজ্ঞাপন সহ উপরোল্লেখিত উপায় সমূহ অবলম্বন করে আপনি আপনার ওয়েবসাইটকে পার্মানেন্ট আয়ের উৎস হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন।
আসুন আমরা জানি একটা ওয়েব সাইট থেকে আয় করতে হলে কি কি স্ট্যাপ বা ধাপ আপনাকে অনুসরণ করতে হবেঃ

১. ডোমেন নেইম (Domain Name) নেয়া?

একটি ডোমেন নেইম (Domain Name) হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটের অপরিবর্তনীয় নাম। যা ব্যবহার করে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা আপনার ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করতে পারেন। যেমন কেউ যদি ফেইসবুক এ অ্যাক্সেস করতে চায় তখন ব্রাঊজারের অ্যাড্রেসবার –এ www.facebook.com লিখে Enter চাপলে ফেইসবুক –এর ওয়েবসাইট চলে আসে। এই www.facebook.com হল ফেইসবুক এর ডোমেন নেইম। একটি ডোমেন নেইম ইন্টারনেটে কম্পিউটারগুলি শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। কম্পিউটার আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার করে, যা বেশ বড় আকারের গাণিতিক সংখ্যা যা আমাদের অর্থাৎ মানুষের জন্য মনে রাখা অত্যন্ত কঠিন। এই কারণে, ইন্টারনেটে যে কোন সংস্থা সনাক্তকরণের জন্য আইপি অ্যাড্রেস এর পরিবর্তে ডোমেন নেইম ব্যবহার করা হয়।
একটি ডোমেন নেইম (Domain Name) অক্ষর এবং সংখ্যার সমন্বয় হতে পারে, এবং এটি বিভিন্ন ডোমেন নেইম এক্সটেনশানগুলির সমন্বয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে, যেমন .com, .net, .gov, .org, .com.bd এবং আরও অনেক কিছু। আপনি ডোমেন নেইম ব্যবহার করার হলে প্রথমে ডোমেন নেইম রেজিস্টার করা আবশ্যক। প্রতিটি ডোমেইন নাম অনন্য। কোনও দুটি ওয়েবসাইটের একই ডোমেইন নাম থাকতে পারে না। যদি কেউ www.mydomain.com– এ টাইপ করে তবে এটি mydomain ওয়েবসাইটে যাবে এবং অন্য কোথাও যাবে না।
আরেকটা কথা খেয়াল রাখবেন, আপনি যে বিষয় নিয়ে ওয়েবসাইট নিতে ইচ্ছুক নামটা যেন তাঁর রিলেটেড হয়। ধরুন আপনি ইন্টারনেট বা টেকনোলজি রিলেটেড সাইট নিবেন এই ক্ষেত্রে আপনার ডোমেন নেম’টা শুনেই যেন সবাই বুজতে পারে এটা টেকনোলজি রিলেটেড সাইট।

২. ওয়েব হোস্টিং (Web Hosting) নেয়া?

ওয়েবসাইট গুলো এমন ভাবে তৈয়ার করা যাতে পৃথিবীর যে কেউ যে কোন জায়গা থেকে দেখতে পারে। তাই ওয়েবসাইটের কনটেন্ট (গান, ছবি, আর্টিকেল, ভিডিও ইত্যাদিকে কনটেন্ট বলে) যাতে সবাই দেখতে পারে তার জন্যে কনটেন্টগুলোকে ২৪ ঘণ্টা এবং ৭ দিনই ইন্টারনেট সংযোগ আছে এমন জায়গায় রাখতে হবে। আর এ জায়গাটা হতে পারে কোনো কম্পিউটারের হার্ড-ড্রাইভ যার সাথে ইন্টারনেটের ২৪ ঘণ্টা সংযোগ রেয়েছে। এক কথায়, আপনার ওয়েবসাইটের যাবতীয় তথ্য এমন জায়জায় রাখবেন যাতে করে যে কেউ আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে তথ্যগুলি দেখতে পারে, এটাই হচ্ছে হোস্টিং।
কোথায় থেকে ডোমেন-হোস্টিং নিবেনঃ
আপনার যদি অনলাইন সাপোর্ট করে এমন মাষ্টার কার্ড থাকে তাহলে HostGator, Samahar Sof, Kona Server  , 1&1 Web Hosting, InMotion, DreamHost, Liquid, GoDaddy, Hostwinds, a2hosting, namecheap, namesilo ইত্যাদি অনেক বিদেশী ডোমেন হোস্টিং কোম্পানি আছে যারা কিনা ভালো সার্ভিস দেয়। তাদের থেকে নিতে পারেন।
তাছাড়া মাষ্টার কার্ড না থাকলেও বিকাশ বা ব্যাংক ট্রান্সফার এর মাধ্যমে আপনি ইচ্ছে করলে বাংলাদেশে অনেক ডোমেন হোস্টিং প্রভাইডার কোম্পানি আছে যারা কিনা ভালো সার্ভিস দেয়, তাদের থেকেও ডোমেন হোস্টিং নিতে পারেন। তবে অচেনা কারো থেকে নেয়ার আগে তাদের রিভিউ এবং অন্যদের কাছ থেকে জেনে শুনে নেবেন। কারন, আমরা বাঙ্গালী , সো প্রতারণা আমাদের ট্যাডিশন।
আমার চেনাজানা কিছু বাংলাদেশী ডোমেন-হোস্টিং প্রভাইডার আছে যারা এখন বিদেশী কোম্পানি গুলোর মতোই ভালো সার্ভিস দেয়। আমি এখন পর্যন্ত তাদের কাছ থেকে ভালো সার্ভিসই পেয়েছি। যাই হোক, আপনার সুবিধা মতো যেকোন ভালো কোম্পানি থেকে নিয়ে নিতে পারেন।
তবে, আপনি যেখান থেকেই ডোমেন নেইম (Domain Name) এবং হোস্টিং (Hosting) নেন না কেন এই বিষয় গুলো যাচাই করে নিবেন। হোস্টিং এর Bandwidth, Compatibility, Reliability, Security ইত্যাদি বিষয়াদি। এখানে আরও কিছু বিষয় রয়েছে, যেমন সিকিউরিটি অ্যাক্সেস, লোডিং স্পীড কেমন, ২৪ ঘণ্টা সার্ভার চালু থাকবে কিনা ইত্যাদি। এই গুলি সরাসরি ডোমেন হোস্টিং সাপোর্টে জিজ্ঞেস করে নিবেন। ডোমেন হোস্টিং এর দাম একত্রে বাৎসরিক হিসেবে ২০০০ টাকা থেকে পেতে পারেন। রেট টা মূলত নির্ভর করে Bandwidth, Compatibility , Disk Space এই গুলির উপর। এই গুলি যতো বাড়বে টাকার পরিমাণ ও বাড়বে।

৩. সি.এম.এস (CMS) ও থিম সিলেকশন:

প্রচলিত কিছু জনপ্রিয় কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের হলো WordPress, Drupal, Joomla, ExpressionEngine, TextPattern, Radiant CMS, Cushy CMS, SilverStripe ইত্যাদি। তবে সবচেয়ে সহজ ও বহুল ব্যবহৃত CMS হলো WordPress তাছাড়া এর কাজ সহজ করার জন্য অনেক প্লাগিন ব্যবহার করতে পারবেন।
আর থিম এর কথা বলতে গেলে ওয়ার্ডপ্রেসের নিজস্ব ফ্রি থিম, থিম ভান্ডার রয়েছে । এখানে একটি সমস্যা হচ্ছে আপনার প্রয়োজনমত থিম খুজে পাবেন না । দেখা যাবে ডিজাইন পছন্দ হয়েছে ত আপনার প্রয়োজনীয় সব ফিচার নেই । আবার অনেক ফিচার সমৃদ্ধ কিন্তু ডিজাইন ভাল না । আর বেশিরভাগ ফ্রি থিমেই কোন সমস্যা হলে প্রয়োজনের সময় সাপোর্ট পাওয়া যায় না । তবে অনেক ওয়েবসাইট আছে যেখান থেকে আপনি নিশ্চিন্তে ফ্রি থিম ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন । যদিও তাদের থিম সংখ্যা কম । তবে তারা আপনার ১০০ ভাগ প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম । এবং কোন সমস্যা হলে ভাল সাপোর্টও পাবেন । তবে পেইডথিম কিনে নিলে ভালো।

৪. তারপর আসি একটি ইমপরটেন্ট ফেক্টর কিওয়ার্ড রিসার্চ ও কম্পিটিশান অ্যানালাইসিস এর কথাঃ

কিওয়ার্ড রিসার্চঃ
সঠিক কিওয়ার্ড নির্বাচন এবং সার্চ ইঞ্জিনে সেটা রাঙ্কিং করা এসইও তে খুব গুরুত্বপূর্ণ । সঠিকভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারলে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন যুদ্ধে আপনি ৫০% এগিয়ে থাকলেন। কিওয়ার্ড রিসার্সে ভুল হলে প্রতিটা পদে পদে ওয়েবসাইটকে মূল্য দিতে হয় অতএব আপনার বিজনেস এর মূল চাবি হল কিওয়ার্ড রিসার্চ। অনলাইনে কিওয়ার্ড রিসার্সের জন্য অনেক টুলস পাবেন, একটু Google এ সার্চ দেন দেখবেন অনেক ভালোভালো টুলস পেয়ে যাবেন। যেমন,গুগল অ্যাডওয়ার্ডস গুগল এর একটি ফ্রি টুলস। এর মাধ্যমে আপনি গুগল এর পেইড ক্যাম্পেইন সেটআপ এবং সব ধরনের কি-ওয়ার্ড এর লং টেইল কি-ওয়ার্ড এর সাজেশন, সার্চ ভলিউম, বিজ্ঞাপনের কম্পিটিশন এর হার, একটি নির্দিষ্ট সাইটের ক্ষেত্রে কোন কিওয়ার্ডটি বেশি জনপ্রিয় তা খুব সহজে বের করতে পারবেন এবং ইন্টারনেটে কোন কিওয়ার্ডগুলো সবচেয়ে বেশি ব্যাবহৃত হচ্ছে বা সার্চ করা হচ্ছে। এরপর প্রয়োজনমতো সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
[Note: গুগল অ্যাডওয়ার্ডস মাত্র ১ টি টুলস আপনি যদি ভালো কি কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে চান তবে আরো অনেক ভালোভালো টুলস আছে ঐ গুলি দিয়েও আপনাকে কিওয়ার্ড খুঁজতে হবে।]
কম্পিটিশান অ্যানালাইসিসঃ
প্রথমেই বলে রাখা ভাল, কিওয়ার্ড কম্পিটিশান অ্যানালাইসিস একটি জটিল প্রক্রিয়া। অনেকে আবার বলবেন, বিভিন্ন টুলস দিয়ে তো কিওয়ার্ড পেয়েই গেছি তাছাড়া এদের সার্চ ভলিউম, বিজ্ঞাপনের কম্পিটিশন এর হার এই গুলিও জানি, তো আমাকে আবার কম্পিটিশান অ্যানালাইসিস করতে হবে কেন?
আপনাদের কে একটা আমার নিজস্ব ব্যাপার দিয়ে উদাহরণ দেই। ধরেন, আমি কুমিল্লাতে থাকি, কেউ একজন আমাকে বুদ্ধি দিলো যে কুমিল্লা শহরে প্রায় ১০ লাখ মানুষ বাস করে তাই তুমি যদি এখানে একটা রেস্টুরেন্ট দাও তাহলে খুব ভালো চলবে। এখন আমি যখন কম্পিটিশান অ্যানালাইসিস করতে গেলাম তখন দেখলাম কুমিল্লাতে যেমন ১০ লাখ মানুষ বাস করে তেমনি এখানে ১ হাজারের উপরে ভালো রেস্টুরেন্ট বা হোটেল অলরেডি আছে। এখন আমার কাছে ২ টি অপশন। হয় আমাকে রেস্টুরেন্ট দেয়ার কথা বাদ দিতে হবে নতুবা যদি দিতেই হয় তবে যারা যারা রেস্টুরেন্ট বা হোটেল দিয়ে খুব ভালো পজিশনে আছে তাদের সাথে টক্কর দিতে হবে। তারা কি কি আইটেমর খাবার বানায়, তাদের গ্রাহক কারা বেশী, তাদের দুর্বলতা কোথায় বা তাদের অনেক আইটেম খাবারের মধ্যে কোন খাবার টা একটু মানের দিক থেকে অনুন্নত তা বাছাই করতে হবে। আশা করি আমার এই উদাহরনের পরে কম্পিটিশান অ্যানালাইসিস নিয়ে আর কারো দ্বিমত থাকবেনা।
পুরো অ্যানালাইসিস প্রক্রিয়াটি জানতে হলে আপনাকে এসইও-র প্রায় প্রতিটা ফেক্টরের কোর লেভেল (সর্বোচ্চ পর্যায়) পর্যন্ত জানতে হবে। যেমন-
  • পেজ রেংক কি? কিভাবে নির্ধারন হয়?
  • ডোমিন এইজ (Age) কি? EMD কি?
  • ডোমিন অথরিটি কি? পেজ অথরিটির কি?
  • টাইটেল ও ডেস্ক্রিপশন ট্যাগ কি? এই ট্যাগ কিভাবে এসইও তে প্রভাব ফেলে?
  • ব্যাক লিংক কি? ব্যাক লিং কিভাবে পাওয়া যায়? Do-follow, No-follow ব্যাংক লিংঙ্ক কি?
  • ইন্টারনাল লিংক, এক্সস্টার্নাল লিংঙ্ক কি? কিভাবে কাজ করে?
  • এলেক্সা রেংক কি? এলেক্সা রেংক কি? এলেক্সা রেংক কিভাবে কাজ করে?
  • কিওয়ার্ড র্যাং ক ডিফিকাল্টি ইত্যাদি বিষয়ে ভালো ধারণা থাকা চাই।

৫. এবার আসি সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর কথাঃ

এসইও আসলে কত প্রকার? আমার এই পোস্ট পড়ার পর অনেকে হয়তো বলবেন, এতো দিন কি তাহলে ভুল জানতাম? তবে যারা জানেন তাদের জন্য গুড লাক। একটি সাইট কিভাবে র‍্যাংক এ আনা যায়, প্রায় ৯৫% এসইও এক্সপার্টরা বলে থাকেন ওয়েব সাইট র‍্যাংকে আনতে ২ প্রকার এসইও করা লাগে। অন পেইজ অপটিমাইজেশন এবং অফ-পেজ অপটিমাইজেশন। আসলে তাদের কথাটা সামান্য একটু ভুলের মধ্যে আছে।
এসইও আসলে দুই প্রকারঃ a. পেইড সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন b. অর্গানিক সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন
আর আমাদের জানা সেই অন পেইজ অপটিমাইজেশন এবং অফ-পেজ অপটিমাইজেশন হলো অর্গানিক সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন করার ২ টি পদ্ধতি বা টাইপ।
a. পেইড সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন:
গুগলে সার্চ দিলে মাঝে মাঝে দেখবেন সার্চ রেজাল্টের ডানে বা উপরে ভিন্ন রং (সাধারনত হালকা খয়েরি) কিছু লিংক থাকে (যে শব্দ দিয়ে সার্চ দিয়েছেন সেটা সংশ্লিষ্ট)।এগুলি পেইড লিংক অর্থ্যাৎ এর জন্য গুগলকে অর্থ দিতে হয়েছে।এই ধরনের অপটিমাইজেশনকে পেইড এসইও (Paid SEO) বলে।
b. অর্গানিক সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন:
যে লিংকগুলি সার্চ রেজাল্ট পেজে সাধারনভাবে প্রদর্শিত হয় মানে গুগল এগুলি কোন বিশেষ রং দিয়ে হাইলাইট করেনা এগুলি অর্গানিক লিংক।এই ধরনের অপটিমাইজেশনকে অর্গানিক এসইও (Organic SEO) বলে। এটাকে এলগরিদমিক SEO ও বলে।
(বিঃদ্রঃ আমরা শুধু অর্গানিক সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (Organic SEO) শিখবো , পেইড সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (Paid SEO) নয়।)
অরগানিক এসইও :
  1. * অন-পেজ অপটিমাইজেশনঃ
অন-পেজ অপটিমাইজেশন এ যে কাজ গুলো করা লাগে তারমধ্যে মেটা ট্যাগের ব্যবহার (Meta Tag), টাইটেল ট্যাগের ব্যবহার করা (Title Tag), কি-ওয়ার্ড ট্যাগ ব্যবহার (Key-word Tag), ডেসক্রিপশন ট্যাগের ব্যবহার (Description Tag), অলটার ট্যাগের ব্যবহার (ALT Tag), পেজ এবং পেজে বিদ্যমান ফাইলের নাম করণ, কনটেন্ট এর মাঝে কি-ওয়ার্ড এর ব্যবহার করা, এক্সএমএল সাইট ম্যাপ তৈরি করা ( XML Sitemap, তাছাড়া বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে সাইট সাবমিট করা ইত্যাদি কাজ করা। প্রতিনিয়ত এগুলোর উন্নতি সাধনে চেস্টা করে যান তবে সফল ভাবে আপনি নিজেও পারবেন ওয়েবসাইটের অন-পেজ অপটিমাইজেশন সফল করে তুলতে ।
2. *অফ-পেজ অপটিমাইজেশন বা লিংক বিল্ডিং:
 
অনেকে লিংক বিল্ডিংটাকে অফ পেইজের একটা কাজ মনে করে । আসলে অফপেইজের জন্য আপনি যাই করবেন সবই লিংক বিল্ডিং এর অন্তর্ভুক্ত। অফপেইজ এসইও কে একটি বিল্ডিং এর পিলার এর সাথে তুলনা করা জেতে পারে । একটি বিল্ডিং এর খুটি যত মজবুত বিল্ডিংটি তত মজবুত ও দীর্ঘ স্থায়ী হয় । তেমনি অফপেইজ এসইও কে একটি সাইটের খুটি বলা যেতে পারে । সাইটের এসইও মজবুদ করতে হলে অফপেইজ এসইও খুব ভালো ভাবে সম্পাদন করতে হবে ।
অফ-পেইজ অপটিমাইজেশনের ক্ষেত্রে প্রধান আলোচ্য বিষয় সমূহঃ
a. সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম: বর্তমান সময়ের জন্য সামাজিক মাধ্যম এর চাইতে বড় এবং শক্তিশালী প্রচার মাধ্যম আর কোথাও নেই ।
সামাজিক মাধ্যমের মাঝে লিংকড ইন, টুইটার, ফেসবুক, ইউটিউব, রেডিট, পিন্টারেস্ট এগুলো অন্যতম এবং সর্বাধিক ব্যবহৃত ।
b. ব্যাক লিংক তৈরিঃ
আফপেইজ এসইও অনেক বিশাল বিষয়, আপনাকে অনেক সময় নিয়ে এখানে কাজ করতে হবে। অফপেইজ এসইওতে আপনাকে যে বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করতে হবে সেগুলো হচ্ছে –
  •  Social Bookmarking
  •  Blogging
  •  Forum Marketing
  •  Search Engine Submission
  •  Directory Submission
  •  Local Listings
  •  Article Submission
  •  Answer Questions
  •  Web 2.0
  •  Video Marketing
  •  Business Reviews
  •  Guest Posting etc..
অবশ্য অনপেইজ এসইও ও খুব গুরুত্ব সহকারে সম্পন্ন করতে হবে । নাহলে জিনসটা ভিতরে খারাপ রড দিয়ে বাহিরে খুব জাকজমক করে আস্তর করার মতন হয়ে যাবে ।
এখন বলতে পারেন ভাই আপনার কথা মতো ডোমেন- হোস্টিং নিলাম ! সাইট এর অন-পেইজ অপটিমাইজেশন, অফ-পেইজ অপটিমাইজেশন করলাম সাইট এর ভিজিটর ভালো এখন আয় করবো কিভাবে। আয়ের কথাটা আসলে আমি সবার শেষে বললাম , কারন আগে ওয়েব সাইটটার ব্যাপারে পুরোপুরি ধারণা নেন ; তারপর আয় নিয়ে ভাবেন।

৬. চলুন দেখি ওয়েব সাইট থেকে কিভাবে আয় করা সম্ভবঃ

ক. বিজ্ঞাপন থেকে আয়ঃ 
আপনার ওয়েবসাইটে যদি বেশ ভাল ট্রাফিক (ট্রাফিক হচ্ছে ভিজিটর বা মানুষ যারা আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করবে) থাকে তাহলে আপনি আপনার ওয়েবসাইটে অন্যান্য কোম্পানীর বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করিয়ে সেখান থেকে আয় করতে পারেন। যেমন- আমরা প্রায় সময়ই বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ঢুকলে ওয়েবসাইটের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন পন্যের বিজ্ঞাপন দেখে থাকি। এই জাতীয় বিজ্ঞাপন গুলো ওয়েবসাইটে প্রদর্শন করানোর মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারেন। আপনার ওয়েবসাইটে যে কোম্পানির বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করাবেন সেই কোম্পানী আপনাকে একটি নির্দিষ্ট মূল্য পে করবে তাদের বিজ্ঞাপন আপনার ওয়েবসাইটে প্রদর্শন করানোর জন্য।
তাহলে এবার বলতে পারেন, এই সকল কোম্পানির বিজ্ঞাপন পাব কোথায়? এই ধরনের বিজ্ঞাপন পাওয়ার জন্য অনলাইনে অনেক জনপ্রিয় সাইট আছে (যেমন- গুগল অ্যাডসেন্স)। তাছাড়া আরো অনেক বিজ্ঞাপন এর সাইট আছে এই সকল সাইট থেকে কিভাবে অ্যাড নিবেন এবং কিভাবে আয় হবে সেটা নিয়ে ইনশাআল্লাহ পরবর্তীতে বিস্তারিত আলচনা করা হবে। এখন শুধুওয়েবসাইট থেকে আয় করার কিছু প্রসেস সম্পর্কে জানি।
খ. নিজের কোন পন্য বিক্রি করে আয়ঃ 
আপনার ওয়েবসাইট যদি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং প্রতিদিন বেশ ভাল ট্রাফিক থাকে তাহলে আপনি আপনার নিজের তৈরি করা কোন পন্যের বিজ্ঞাপন সেখানে দিতে পারেন এবং সেখান থেকে আপনি আপনার পন্যের জন্য বেশ ভাল সেল পেতে পারেন। তবে এটা শুধুমাত্র, যদি আপনার তৈরি করা কোন প্রোডাক্ট থাকে তাহলেই সম্ভব। আপনার যদি বিক্রি করার মত কোন পণ্য না থাকে তাহলে এই ক্ষেত্রে সম্ভব নয়।
গ. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়ঃ
 অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে অনেকটা সেলসম্যান এর মত। এখানে, আপনাকে বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য বিক্রি করে দিতে হবে এবং প্রতিবার যখন আপনি অন্য কোম্পানির কোন পণ্য আপনার নিজের মাধ্যমে বিক্রি করতে পারবেন তখন আপনাকে সেই বিক্রয়কৃত অর্থ থেকে কমিশন দেয়া হবে। আপনি চাইলে আপনার ওয়েবসাইটে এই জাতীয় মার্কেটিং করতে পারেন। নিজের সাইট বা ব্লগ করে আমাদের দেশে অনেকেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করছেন। কাজেই আপনিও এই জাতীয় কাজ করে আয় করতে পারেন।
ঘ. ইমেইল কালেকশনঃ 
আমরা সবাই মোটামুটি কম বেশি নেট থেকে বই, গান, ভিডিও ইত্যাদি ডাউনলোড করে থাকি। তবে, মাঝে মাঝে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে বই বা মুভি ডাউনলোড করতে গেলে আমরা দেখে থাকি আমাদের ইমেইল অ্যাড্রেস দিতে বলে। আমরা ইমেইল অ্যাড্রেস দিলে তারপর আমাদেরকে সেটা ডাউনলোড করতে দেয়। কিন্তু কেন এমনটা হয়, কেন ইমেইল এর ঠিকানা চায় ওই ডাউনলোড সাইট গুলো? এটা হচ্ছে এই জন্য যে, আপনি গান ডাউনলোড করার সময় আপনার যে ইমেইল এড্রেসটি দিবেন সেটি ওই ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ সংরক্ষন করে রাখবে। এই ভাবে যতজন ওই গানটি ডাউনলোড করতে তত জনের ইমেইল অ্যাড্রেস তার কাছে থাকবে। এই ভাবে ধরলাম, ১০০০ জনের ইমেইল ওই ওয়েবসাইটের মালিকের কাছে জমা হল। এবার তিনি ওই ১০০০ ইমেইল অ্যাড্রেস বিভিন্ন ইমেইল মার্কেটারদের কাছে বিক্রি করতে পারবেন। কারন, অধিকাংশ ইমেইল মার্কেটিং এর জন্য অ্যাক্টিভ ইমেইল অ্যাড্রেস এর তালিকা প্রয়োজন পরে। এই জন্য বিভিন্ন ইমেইল মার্কেটাররা ইমেইল অ্যাড্রেস কিনে নেয় নিজেদের মার্কেটিং করার জন্য। আর আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে এবং আপনি এইভাবে ইমেইল অ্যাড্রেস সংগ্রহ করতে পারেন, তাহলে আপনিও এই ইমেইল অ্যাড্রেস গুলো বিক্রি করে আয় করতে পারেন।
কিন্তু সব কথার বড় কথা হল, ওয়েবসাইটে যদি ট্রাফিক বা ভিজিটর না থাকে তাহলে কোন লাভই নেই। কারন, যে সাইটের ভিজিটর নেই সেই সাইটে কেউই টাকা খরচ করে বিজ্ঞাপন দিবে না। আর তাই যে কোন ওয়েবসাইট আপনার আয়ের উৎস তখনই হবে যখন আপনার সাইটটি জনপ্রিয় হয়ে উঠবে এবং প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ লোক আপনার সাইট ভিজিট করবে। কিন্তু এই পর্যায়ে একটি ওয়েবসাইটকে নিয়ে আসার জন্য প্রয়োজন প্রচুর পরিশ্রম আর ধৈর্য্য।



নিজের বিজনেস সম্পর্কে কাস্টমারদের জানানোর জন্যে ওয়েবসাইট তৈরি করুন।

নিজের বিজনেস সম্পর্কে কাস্টমারদের জানানোর জন্যে ওয়েবসাইট তৈরি করুন।আপনি যদি আপনার ব্র্যান্ডের প্রসার চান প্রথমত ওয়েবসাইট তৈরি করুন, যেখানে আপনার বিজনেস তথ্য পাওয়া যাবে।

এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কৌশল-আপনার বিজনেস পরিচিতির জন্যে ওয়েবসাইট তৈরি করুন।এমনভাবে ওয়েবসাইট তৈরি করুন যাতে আপনার ওয়েবসাইট প্রফেশনাল লুক থাকে।

১.ভিজিটরদের জন্যে ব্যবহারউপযোগী ওয়েবসাইট তৈরি করুন।

২.নিয়মিত সঠিক তথ্য দিয়ে ওয়েবসাইট আপডেট রাখুন।

৩.কোম্পানির কাজের ম্যান অনুযায়ী ডিজাইন সুন্দর করুন।

৪.এমন ভাবে কন্টেন্ট তৈরি করুন যাতে ক্লায়েন্ট আপনার পণ্যের ব্যাপারে আকর্ষণবোধ করে।

৫.প্রতিটি পেজে “কল টু অ্যাকশান” বাটন যুক্ত ভিজিটরকে কিনতে বা কেনার ব্যাপারে যোগাযোগ করতে উৎসাহবোধ করে।

৬.ওয়েবসাইটের ভিজিটরদের ট্র্যাকিং করার টুল গুগল আনালাইটিকস ব্যবহার করুন।

৭.ওয়েবসাইট এমন টেকনোলজি ব্যবহার করুন যাতে ভিজিটর এবং সার্চইঞ্জিন উভয়ের জন্যে ব্যবহারযোগ্য হয়।

৮. একটি অ্যাক্টিভ কমিউনিটি তৈরি করুন।ফেসবুক,টুইটার,লিঙ্কডিন সহ বাবি সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি অ্যাক্টিভ কমিউনিটি থাকা ভালো।

৯.সোশ্যাল মিডিয়াতে সক্রিয়ভাবে নিয়মিত অংশগ্রহণের জন্যে ম্যানেজমেন্ট টুলস ব্যবহার করুন।

১০.আপনার টার্গেটকৃত ক্রেতাদের সাথে সোশ্যালমিডিয়াতে বিভিন্ন আলোচনাতে অংশগ্রহণ করুন।

১১.কাউকে মেইল করার সময় আপনার সোশ্যাল মিডিয়া পেজ কিংবা গ্রুপের লিঙ্ক গুলো সিগনেচার হিসাবে ব্যবহার করুন।

১২.আপনার ওয়েবসাইটের সাথে ব্লগ পেজ যুক্ত রাখুন।

এই কাজ গুলো করার আপনাকে অবশ্যই ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে।আপনার বিজনেসকে ব্র্যান্ড হিসাবে গড়তে আজ থেকেই শুরু হোক আপনার প্রথম ধাপ।

 

Your Online Business Partner.

ডোমেইন রেজিঃ করুন মাত্র ৪৯ টাকায়…

.com, .net, .org, .me, .media, domains, .computer, .digital, .ltd, .school, .university, .clinic, .tv, xyz, .help সহ আরো প্রায় ১৫০০ নতুন ডোমেইন পাওয়া যাচ্ছে । স্বল্প মূল্যে আপনার পছন্দের ডোমেইনটি রেজিঃ করার এখনই সুবর্ণ সুযোগ। ৳ ৪৯ টাকার অফারটি শুধুমাত্র ১ম বছরের জন্য ও  বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত কোম্পানি , এনজিও , ফাউন্ডেশন, সংস্থা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

আমরা যে সকল ওয়েবসাইট ও সফটওয়্যার তৈরি করে থাকিঃ

✪ কোম্পানীর ওয়েবসাইট                                                            ✪ মুদির দোকান ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪ নিউজ পেপার ওয়েবসাইট                                                        ✪ ট্র্যাভেল এজেন্সি উইথ প্যাকেজ বুকিং সফটওয়্যার

✪  ফ্যাশন হাউসের ওয়েবসাইট                                                    ✪ পয়েন্ট অফ সেল, টিকেট বুকিং সফটওয়্যার

✪  ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট                                                  ✪ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪  ট্র্যাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজ্ম ওয়েবসাইট                                         ✪ ব্লাড ডোনেসন ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪  বিউটি পার্লার এবং জিমের ওয়েবসাইট                                      ✪ ইনভেন্টরী এন্ড স্টক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪  ফাইনেন্সিয়াল এসোসিয়েশন ওয়েবসাইট                                    ✪  গার্মেন্টস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

✪  ইন্টেরিয়র ডিজাইন কোম্পানী ওয়েবসাইট

আরো জানতে ও সেবা পেতে এখুনি রিসেলার, সেলার সেন্টারে সরাসরি যোগাযোগ করুন।

আকর্ষণীয় কমিশনে রিসেলার ও সেলার সেন্টার দেয়া হচ্ছে…

⌂ প্রধান কার্যালয়ঃ সিকদার প্লাজা (১ম ও ২য় তলা), লতাপাতা বাজার, কাপাসিয়া, গাজীপুর – ১৭৩০

মোবাইলঃ ০১৭১১১১৩৮৫২ , ই-মেইলঃ support@lukiye.com,  support@samaharsoft.net

আশা করি এই পোস্টটি আপনাকে দরকারী কিছু তথ্য দিয়েছি। পরবর্তী পোস্ট পাওয়ার জন্য সাথেই থাকুন…