1

প্রোফেশনাল অফপেজ এসইও ফ্রি বাংলা টিউটোরিয়াল ২০২১

Onpage is a Main Part Before Doing Offpage
সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ কথাটি হল, যদি আপনার সাইটের On-Page Optimization ঠিক না থাকে তবে Off-Page SEO গুরুত্বহীন হয়ে যাবে।

অনপেজ অপটিমাইজেশন এর কাজ মূলত অনপেইজ অপটিমাইজেশনের মতই । ওয়েব সাইট এর ট্রাফিক/ভিজিটর বাড়াতে অফপেজ অপটিমাইজেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । অফপেইজ অপটিমাইজেশন আসলে, অনপেইজ অপটিমাইজেশন কে সাহায্য করে । যখন নতুন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা হয় তখন অনপেইজ অপটিমাইজেশন সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ।
আপনার সাইটের বাহিরে সার্চ ইন্জিন এর নিয়ম নিতি মেনে যে কাজ করা হয় তাকে অফপেইজ এসইও বলা হয়।
এক কথায়: অফপেইজ এর মাধ্যেমে প্রমান করতে হবে যে আপনার কন্টেন্ট ই সেরা। এবং আপনার প্রডাক্টটি সবার জন্য ভালো।

প্রাইভেট ব্লগ নেটওয়ার্ক (PBN) ব্যাকলিংক
প্রাইভেট ব্লগ নেটওয়ার্ক (PBN) ব্যাকলিংক! শুধুমাত্র PBN Link Building করে এবং Social Signal এর মাধ্যমে একটা মানি সাইট রেঙ্কিং করানো সম্ভব।একটা ওয়েব সাইট খুব দ্রুত রেঙ্কিং করানোর জন্য পি. বি. এন ব্যাকলিংক সবথেকে জনপ্রিয় প্রক্রিয়া। তবে এটি অনেক ব্যায়বহুল ! পি. বি . এন অনেকটা ব্লাকহ্যাট এসইও এর মত! আপনার ব্যাকলিংক করার দক্ষতার উপর নির্ভর করবে যে আপনার লিংক বিল্ডিং হোয়াইট হ্যাট হবে না কি ব্লাক হ্যাট হবে। কারণ গুগল যদি বুঝতে পারে আপনার সাইট তাহলে সমস্যা বা ব্লাক হাট হয়ে যাবে। তাই সব আলাদা আলাদা আইডি পাসওয়ার্ড ইউজ করে কিনা এবং ব্যবহার করতে হবে পিবিএন(প্রাইভেট ব্লগ নেটওয়ার্ক)
প্রাইভেট(নিজের)
ব্লগ(ওয়েবসাইট)
নেটওয়ার্ক(অধিনে)
অর্থ্যাত পিবিএন হলো ব্যাকলিংক/লিংকবির্ল্ডিং এর এমন একটি প্রক্রিয়া যে প্রক্রিয়া কৌশলে নিজে কয়েকটি ওয়েবসাইট বানিয়ে নেটওয়ার্কিং এর মাধ্যমে নিজের ওয়েবসাইটে লিংক নেওয়া। এটি একটি কার্যকর এবং শক্তিশালী লিংক বির্ল্ডি স্ট্রাটেজি। কিন্তু সময় সাপেক্ষ এবং ব্যয়বহুল।
ধাপসমূহ:
১.ডোমেইন ক্রয়(এক্সপায়ারড{পিএডিএ ভালো এরকম})
[প্রত্যেক সাইটের জন্য আলাদা আলাদা] ২.হোস্টিং ক্রয়
[প্রত্যেক সাইটের জন্য আলাদা আলাদা] ৩. কোয়ালিটি কন্টেন্ট-২০টি পোষ্ট
[প্রত্যেক সাইটের জন্য আলাদা আলাদা] ৪. এসইও করা[যাতে কিছু ভিজিটর সাইটে আসে] ৫. গুগল যাতে বুঝতে না পারে ওইটা আপনার ওয়েবসাইট
৬. ওই সাইট থেকে লিংক নেওয়া

পিবিএন শক্তিশালি কেন? কারণ গুগল এর কাছে রিলেভেন্ট ওয়েবসাইটের ব্যাকলিংক কোয়ালিটি ব্যাংকলিংক হিসেবে গণ্য হয় , আর পিবিএন সাইট হয় রিলেভেন্ট সাইট সেজন্য অনেক শক্তিশালী।

ওয়েব ২.০
ওয়েব ২.০ ওয়েবসাইট বলতে সেই ওয়েবসাইটগুলো বুঝায় যেই সাইটগুলোর কন্টেন্ট এবং ব্যাকলিংকগুলোর উপর আপনার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রন থাকবে এবং সম্পূর্ণ ফ্রি। যেমন ব্লগার, ওয়ার্ডপ্রেস.কম, টামলার, উইক্স.কম ইত্যাদি সাইট। এখানে লিংক বিল্ডিং প্রসেস খুবই সহজ। তবে ব্যাসিক লিংক বিল্ডিং স্ট্রাটেজি মাথায় রাখতে হবে।

ওয়েব ২.০ কেন করবেন?
১.ওয়েব ২.০ করে আপনি আপনার ওয়েব সাইট বা ব্লগ এর জন্য ভালো মানের ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করতে পারবেন ।
২.ওয়েব ২.০ করে আপনি হাই রেঙ্কিং সাইট গুলো থেকে ব্যাকলিঙ্ক নিতে পারবেন ।
৩.ওয়েব ২.০ দ্বারা যে সকল ব্যাকলিঙ্ক নিবেন সেই, ব্যাকলিঙ্ক গুলো সার্চ ইঞ্জিন রেঙ্কিং ও অন্যান্য রেঙ্কিং বাড়তে সাহায্য করবে ।

কিছু ওয়েব 2.0 ওয়েবসাইটের ঠিকানা:
http://youtube.com 9
http://twitter.com 10
http://wikipedia.org 9 00
http://instagram.com 9
http://pinterest.com 9
http://wordpress.com 9
http://blogger.com 9
http://flickr.com 9
http://tumblr.com 8
http://imdb.com 8
http://wikia.com 8

কিভাবে করবেন?
আচ্ছা, এই লিষ্ট গুলোতে প্রবেশ করলেই বুঝবেন কিভাবে করবেন। উদাহারণ: ব্লগারে গিয়ে ক্রিয়েট নিউ সাইট এ আপনার সাইট রিলটেড একটি নাম দিয়ে একটি ব্লগস্পট সাইট বানান(আপনার সাইটের সাথে যাতে পুরো পুরো মিল না থাকে) যেমন: আপনার সাইটের নাম “কলেজ” আপনি বানাবেন “ইউনিভার্সিটি” এরকম নাম দিয়ে মানে সেম নিচ রিলেটেড যেমন ২ টাই এডুকেশন রিলেটেড। তারপর আপনি ওই ব্লগস্পট এ অন্তত ৭০% ইউনিক কন্টেন্ট দিন। এভাবে ২০ টা আপনার সিাইট রিলেটেড কন্টেন্ট দিন(পোষ্ট কিন্তু আপনার মেইন যে পোষ্ট সেম টাইটেল বা কন্টেন্ট এর সাথে মিল থাকা যাবে না তবে রিলেটেড হবে যেমন: আপনার মেইন পোষ্ট যে পোষ্ট এ ব্যকিলিংক নিবেন সেই পোষ্টের নাম: ইউনিভার্সিটি নিউজ, ব্লগ সাইটে লিখলেন “ ভার্সিটি নিউজ ২০১৯ এবং কৌশলে সবার শেষে আপনার মেইন ওয়েবসাইটির লিংক দিয়ে দিন। এভাবে উপরে দেওয়া সব সাইট গুলোতে একান্ট করুন এবং ব্যংকলিংক নিন সহজে , বিনা খরচে।

ডকুমেন্ট শেয়ারিং ব্যাকলিংক
ওয়েবসাইটের বিভিন্ন তথ্য সমৃদ্ধ ডকুমেন্ট , ব্যবসায়িক ডকুমেন্ট প্রভৃতি জনপ্রিয় ডকুমেন্ট শেয়ারিং সাইটে যেমন- Slideshare, Issue ইত্যাদিতে শেয়ার করা যায় । ডকুমেন্ট শেয়ারিং খুব সহজ একটা ব্যাকলিংক বিল্ডিং প্রক্রিয়া। অনলাইনে অনেক ওয়েবসাইট আছে যারা আপনাকে আপনার নিজের তৈরী ডকুমেন্ট যেমন, স্লাইড, পি ডি এফ, ভিডিও শেয়ার করতে দিবে।
আপনার নিশ রিলেটেড কিছু ডকুমেন্ট তৈরী করতে হবে। এবার ডকুমেন্ট শেয়ারিং সাইটে তা আপলোড দিয়ে, ডেসক্রিপশনে সুন্দর করে ওই বিষয়টার বর্ণনা দিতে হবে এবং তার মধ্যে আপনার সাইটের লিংটা দিয়ে দিতে হবে।

Websites Page Rank
http://issuu.com
http://www.slideshare.net
https://www.dropbox.com
http://www.scribd.com
https://en.calameo.com
http://www.4shared.com
http://www.smashwords.com
http://www.yudu.com
http://www.mediafire.com
http://www.authorstream.com
https://www.wattpad.com/

PDF Document Sharing Sites with PR5, PR4, PR3:

http://www.slideboom.com
http://fileden.com
http://www.zippyshare.com
http://www.smashingapps.com
http://www.adrive.com
http://www.wikiupload.com
http://www.edocr.com
http://docs.thinkfree.com
http://sharesend.com

উপরের দেওয়া ডকুমেন্ট শেয়ারিং সাইট গুলোতে যান , তার পর সাইট আপ করুন, এবং লগইস করুন, প্রফাইল এ যে যে তথ্য চায় তা দিন। তার পর আপনার ডকুমেন্ট , স্লাইড শো, পিডিএফ ফাইল আপলোড করুন এবং আপনার পোষ্ট এর বা সাইটের লিংক টি দিয়ে দিন । ব্যাস ব্যংকলিংক লিংক হয়ে গেল।আপনার ব্লগ/সাইটের নিশ রিলেটেড কিছু ebook, pdf file এবং Presentation তৈরী করে সেইগুলা বিভিন্ন হাই পেজ র্যাঙ্ক, এলেক্সা র্যাঙ্ক ও ডোমেইন অথরিটির ডকুমেন্টস শেয়ারিং সাইটে প্রকাশ করতে পারেন। ডকুমেন্টস গুলো তৈরী করার সময় ডকুমেন্টের ভিতরে আপনার সাইটের লিংক দিয়ে দিন। তাহলে সহজেই হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক পাবেন।

বি:দ্র: স্পামিং সাইটে ব্যাংকলিংক করা যাবে না। প্রত্যেকটি সাইটের ডিএ , পিএ চেক করে নিতে হবে তার পর কাজ করতে হবে । তাছাড়া র‌্যাংকিং এর উল্টা পেনাল্টি পাবেন। উপরে আমি রিসার্চ করে বের করেছি েএরকম ২০টি সাইট লিংক দিয়ে দিলাম । আপনারা এগুলো সাইট এ লিক করতে পারেন।

প্রশ্ন-উত্তর সাইটের লিংক – Quora
Quora কি?
বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় Question/Answer Website এখানে World এর সব ধরনের Topic এর উপর আলচনা করা হয় এবং Question/Answer করা হয়।
Quora তে অনেক Advance Features রয়েছে। এখানে আপনারা পছন্দ মত Audience কে Target করে Question করতে পারবেন এবং তাদের সাথে Communication করতে পারবেন Post Commenting এর মধ্যে। LinkedIn এর মত করে এখানে Content Post/Publish করে যায়!
আচ্ছা, বিষয় হলো যে, Quora হলো একটি ওয়েবসাইট যেখানে বিভিন্ন মানুূষ বিভিন্ন প্রশ্ন করে। এই প্রশ্নের উত্তর বিভিন্ন মানুষ দেয়। এটা অনেকটা ব্লগ কমেন্ট এর মতো,
যেমন: কেউ যদি জানতে চায় যে, বাংলাদেশের স্বাধিনতা কত তারিখ? এখন আপনার একটি পোষ্ট রয়েছে যে, বাংলাদেশের স্বাধিনতা এত তারিখে বা এরকম একটি পোষ্ট রয়েছে। তখন আপনি ওই েব্যক্তির প্রশ্নের নিচে উত্তর অপশনে আপনি উত্তর দিলেন এবং আপনার সাইটের লিংক দিয়ে দিলেন। ওই ব্যক্তি আপনার উত্তর টি পড়ল এবং যদি প্রয়োজন মনে করে তাহলে আপনার সাইটে প্রবেশ করতে পারে। বা প্রবেশ নাই করুক, আপনার ব্যংকলিক হয়ে গেল।
https://www.quora.com
https://www.trulia.com/voices/qa
http://www.askdeb.com
https://www.theanswerbank.co.uk
https://www.computerhope.com/qanda.htm
https://www.mathoverflow.net
https://www.justanswer.com
https://www.reddit.com/r/AskReddit
https://www.experts-exchange.com
https://www.enotes.com/homework-help

Guest Post – গেস্ট পোস্ট
অনলাইনে এমন অনেক সাইট আছে যারা ভালো মানের লেখকদের লেখা সাইটে পোষ্ট করে থাকে এবং সাইটে এমন একটি অপশন রাখে যার নাম “Write For Us”, অর্থাৎ তার জন্য লেখা দিবেন।
তবে এখানে এসকল সাইটে আপনি চাইলেই আপনার লেখা দিতে পারবেন না। কারন এই “Write For Us” পেজের কিছু নিয়ম থাকে। আপনাকে সেগুলি মেনে কাজ করতে হবে।
https://www.24techy.com/guest-post/ এইটা হলো একটি গেষ্ট পোষ্টিং সাইট ওখানে গিয়েই দেখবেন , যে গেষ্ট পোষ্ট করুন এবং পোষ্ট করার কিছু নিয়মাবলী।

যে কারণে গেস্ট ব্লগিং করবেন / গেস্ট ব্লগিং এর সুবিধা?
*নিজের ব্র্যান্ড তৈরী করা।
*নির্দিষ্ট রিডার বা কাস্টমার টার্গেট করা।
*নিজের সাইট এর জন্য শক্তিশালী লিংক বিল্ড করা।
*সাইট এর জন্য ট্রাফিক বৃদ্ধি করা
*বিভিন্ন ব্লগারদের সাথে যোগাযোগ তৈরী করা।
*নিজের অভিজ্ঞতা অন্যদের সাথে শেয়ার করা।
নিজের রাইটিং দক্ষতা বাড়িয়ে তোলা ইত্যাদি।
কিভাবে গেস্ট ব্লগিং সাইটগুলো খুঁজে বের করবেন?
গেস্ট ব্লগিং সাইট গুলো খুঁজে বের করতে গুগলে সার্চ করেন।
Your Keyword “Write for us”
Your Keyword “guest post”
Your Keyword “guest blog”
Your Keyword “guest blogging”
Your Keyword “guest posting”
Your Keyword “Submit a guest post”
Your Keyword “submit post”
Your Keyword “Submit blog post”
Your Keyword “Add blog post”
Your Keyword “Submit an article”
Your Keyword “Suggest a guest post”
Your Keyword “Submit your content”

কয়েকটি সাইটের লিষ্ট:
http://theguardian.com,
http://mashable.com,
http://businessinsider.com,
http://forbes.com

ফোরাম পোষ্টিং কি?
ফোরাম পোস্টিং হচ্ছে অফপেজ SEO এর একটি কৌশল।। অনেকে মনে করে ফোরামের ব্যাকলিংক নাকি SEO -তে কাজে আসে না। আপনি সঠিভাবে ফোরাম পোষ্ট করতে পারলে, ফোরামের ব্যাকলিংক হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক হিসেবে কাজ করবে। ফোরাম পোষ্টিং এ ব্যাকলিংক পেতে হলে, আপনাকে প্রচুর পরিশ্রম করতে হবে। আর অফপেজের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হচ্ছে ব্যাক লিঙ্ক তৈরি করা। যা আপনার ওয়েবসাইটের রেঙ্কিং বাড়াতে সাহায্য করে। তবে ফোরামের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে মানসম্পন্ন তথ্য উপস্থাপন করা, মানসম্পন্ন তথ্য আপনাকে মানসম্পন্ন ব্যাক লিঙ্ক পেতে সাহায্য করবে। এভাবেই আপনি আপনার ওয়েবসাইটের ব্যাকলিঙ্ক করে রেঙ্ক বাড়িয়ে গুগুল সার্চ রেজাল্ট পেজের শুরুতে থাকতে পারবেন ।
কীওয়ার্ড সম্পর্কিত ফোরাম পোস্টিং সাইট খুজে বের করুন।
“SEO” forum
“SEO forum”
intitle:” SEO” forum
inurl:” SEO” forum
ধরুন আপনার কিওয়াড হলো এসইও েতাহলে উপরের মতো করে লিখুন।
অবশ্যই ফোরামের ও ডিএ, পিএ , অথরিটি জেনে তারপর কাজ করতে হবে। যেকোন ফোরামে কাজ করলে স্পামিং হবে। সো শুধু হাই কোয়ালিটি গুলো থেকে ব্যাংকলিংক নিন।

ব্রোকেন লিংকস (Broken Links)
মনে করুন আপনার একটি জব রিলেটেড সাইট আছে। সাইটটির নাম, জব.কম। আপনি সাইটের জন্য কন্টেন্ট লিখলেন, এবং কন্টেন্ট এ এক্সটারনাল লিংক হিসেবে টপিকস অন্য কোন সাইটের ১বা ২ টি লিংক এড করলেন। কিন্তু কয়েকমাস পর ঐ সাইট টি ইনএকটিভ হয়ে গেল (অথবা সাইট উনার লিংকটি চেঞ্জ করে ফেললে)। তখন কোন ভিজিটর যখন আপনার সাইট থেকে ঐ সাইট এ যাওয়ার চেষ্টা করবে, লিংক টি 404 ERROR দেখাবে। আর এটাকেই বলে ব্রোকেন লিংক(ডেইথ লিংক)।
যেমন: আপনার সাইট জব.কম আরেক জনের সাইট নাম বিডিজব.কম এখান আপনি বিডিজব কে কে একটি আউটবাউন্ট লিংক দিলেন পোষ্ট এর মধ্যে । কিন্তু কিছুদিন পর বিডিজব.কম সািইট টি নষ্ট হয়ে গেছে বা যে পোষ্টের লিংক দিয়েছেন সেই পোষ্ট এর ইউআরএল চেন্জ করে ফেলেছে , তাহলে ওই লিংক আপনার সাইটে রেখে কি করবেন? বা রাখা ঠিক হবে না কারণ এটা গুগল ভালো চোখে দেখবে না সাইটের জন্য ক্ষতিকর। বা ইউজার ওই লিংক এ ক্লিক করলে লিংক নোট ফাউন্ড দেখাবে।
এই সুযোগে ধরুন আমি একটি টুলস এর মাধ্যমে জানতে পারলাম যে আপনার ওই পোষ্ট থেকে যাকে ব্যাকলিংক দিয়েছেন সেই সাইটি তো আর নেই, তখন আমি আপনাকে বলবো ভাই আপনি যাকে লিংক দিয়েছেন তার সাইট তো আর নেই , আমার এরকম একটি পোষ্ট আছে আমার সাইটের লিংক টা দিয়ে দিন আপনার সাইট এ। তখন আপনি আমার সাইটটার লিংক দিয়ে দিলেন এবং ব্যাকলিংক হয়ে গেল। আমি আপনাকে ইমেইল এর মাধ্যমে জানাবো আপনার ব্রোকেন লিংক এর কথা। আপনি খুশি হবে যে , ওই লোক এত কষ্ট করে আমার সাইটের একটি ব্রোকেন লিংক বের করেছে তারমানে তার সাইট টা এখানে দেয়। কেন? আপনার সাইটের লিংক দিবে জানেন? কারণ হলো- ব্রোকেন লিংক থাকলে সাইট মালিক এর ক্ষতি হবে আর আপনি ক্ষতির বিষয় টি জানালেন এবং এরকম একটি ভালো আটিকেল লিংক দিয়ে দিলেন।

ইনফোগ্রাফিক সাবমিশন (Info graphics submission)
​ইনফো অর্থাৎ লেখচিত্র। তার মানে ভিজিটরের নিকট আপনার সাইটের বিভিন্ন তথ্য চিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা-ই হচ্ছে ইনফোগ্রাফিক সাবমিশন। বর্তমানে এ ধরনের ব্যকলিংক বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। কোন একটি ইনফোগ্রাফ ভালো হলে খুব সহজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পরে বলে প্রচুর ভিজিটর পাওয়া যায়। আপনার যদি একটি ইনফুগ্রাফিক ভালো হয় তাহলে প্রচুর পরিমান মানুষ সেগুলি সাইটে ইউজ করবে এবং সেখান থেকে ব্যাকলিংক পাবেন এবং সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার হওয়ার কারণে প্রচুর ভিউ পাবেন।
কিছু জনপ্রিয় ইনফোগ্রাফিক্স সাবমিশন সাইট:
#1 Graphs.net
#2 Infographics Archive
#3 Infographics Showcase
#4 Infographic Bee
#5 Cool Infographics

আর্টিকেল সাবমিশন – Article Submission
প্রচুর হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক এর জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ন মাধ্যম হলো Article Submission। আপনি যদি এসইও তে একবারে নতুন হয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে এটি হয়তো আপনার জন্য কিছুটা কষ্ট হতে পারে। কারন- Article Submission এর জন্য ভালো মানের কন্টেন্ট রাইটার হতে হয়। এছাড়া এটি কিছুটা ধৈর্য্যশীল আর সময়ের প্রয়োজন হয়। ব্লগে ভিজিটর আনতে বর্তমান সময়ে অন্যতম জনপ্রিয় একটি উৎস হচ্ছে আপনার ওয়েব ব্লগের পোস্টসমূহ বিভিন্ন আর্টিকেল সাবমিশন সাইটে সাবমিট করা। Articlesphere , Ezine এর মতন আর্টিকেল সাবমিশন সাইটে ব্লগের জনপ্রিয় পোস্ট সাবমিট করলে ,তা পাঠকদের কাছে সুন্দর লাগলে পাঠকরা আপনার ব্লগে আসবে । এছাড়া আপনার ব্লগ পোস্ট অনেক সোশ্যাল সাইটে শেয়ার হবে , এতে করে দ্রুত ট্রাফিক তৈরি হবে এবং ব্লগের র‍্যাংকিং ভালো হবে ।
http://hubpages.com
http://www.selfgrowth.com
http://www.sooperarticles.com
http://www.articlesfactory.com
http://www.pubarticles.com

ছবি শেয়ারিং – Photo Sharing
ফটোবাকেট, ফ্লিকার এর মতন বিভিন্ন ফটো শেয়ারিং সাইটে ওয়েবসাইট ব্লগের ছবি শেয়ার করা যায় , এধরণের বিভিন্ন সাইটে অনেক ভিজিটর আসে । যেখান থেকে অনেক ভিজিটর আপনার ব্লগের জন্যে পেতে পারেন ।
Some Photo Sharing Site List.
instagram.
Facebook.
Imgur.
Photobucket.
Flickr.
Pinterest.
Tinypic.
Imageshack.

আরএসএস ফিড সাবমিশন – RSS Feed Submission :
ডিরেক্টরি সাইটের মতো অনেক ধরনের সাইট আছে, যেখানে আপনি আপনার ব্লগের RSS Feed এর লিংক পাবলিশ করতে পারেন। ফলে যখন আপনার ব্লগে নতুন পোষ্ট পাবলিশ করবেন, তখন অটোমেটিকভাবে পোষ্টের লিংকগুলো ঐ RSS Feed ডিরেক্টরিতে চলে যাবে এবং আপনি কোয়ালিটি ব্যাকলিংক পেয়ে যাবেন।
http://www.rss-verzeichnis.de/anmelden.php
http://www.feedage.com/
http://ngoid.sourceforge.net/sub_rss.php
http://www.rapidfeeds.com/
https://feedfury.com/

প্রেস রিলিজ সাবমিশন – Press Release Submission :
হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংক পাওয়ার জন্য গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা পালন করে। এজন্য আপনাকে হাই পেজ র্যাঙ্ক এবং ডোমেইন অথরিটি Press Release সাইট খুঁজতে হবে। এরপর সেই সাইটগুলোতে আপনার ব্লগ/সাইট সম্পর্কে Unique Press Release সাবমিট করতে হবে। যেন তা খুব সহজভাবে প্রকাশ হয়।
Best Press Release Submission Sites
http://didyouknew.com/
http://www.prnewswire.com
http://www.mashable.com
http://www.highwire.org
http://www.prnewswire.com/

সোশ্যাল বুকমার্কিং (Social Bookmarking)
বিভিন্ন Social Media সাইটে আপনার সাইট লিংক শেয়ার করে, আপনার সাইটে/ব্লগে যে রেফারাল ভিজিটর পান তা হচ্ছে Social Media Sharing। এটি রেফারেল ভিজিটর না, বরং সার্চ ইঞ্জিনে আপনার সাইট/ব্লগের র্যাঙ্কিং বাড়াতে অনেক ভুমিকা পালন করে। তাছাড়া Social Media সাইটের মাধ্যমে হাই কোয়ালিটি ব্যাকলিংকও পাওয়া সম্ভব।
বর্তমান সময়ে বিশ্বের একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া হচ্ছে রেডিট!
রেডিট যেহেতু আমেরিকান সাইট সেহেতু এখানের প্রায় ৭০% ইউজারই আমেরিকান। যারা আমেরিকান ট্রাফিক নিয়ে কাজ করতে চান তাদের জন্য রেডিট নিঃসন্দেহে একটি ভালো প্লাটফর্ম।
রেডিটে মার্কেটিং করতে হলে রেডিটের কিছু বিষয় সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকতে হবে।

কয়েকটি সোশাল বুকমার্কিং সাইট হলো:
Pinterest.
StumbleUpon.
Dribble.
Pocket.
Digg.
Reddit.
Slashdot.

ভিডিও শেয়ারিং (Video Sharing)
ইউটিউব, ভিমিও এর মতন জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং সাইটগুলোতে ব্লগের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভিডিও শেয়ার করা যায় ব্লগ সাইটের নাম অনুযায়ী ভিডিও চ্যানেল করে। এতে করে যেসকল ব্যক্তি ব্লগ সাইটে ভিজিট করতে চায় , তারা খুব সহজে চ্যানেল থেকে লিংক ফলো করে ব্লগে যেতে পারবে. ভিডিও শেয়ার করার মাধ্যমে আপনার ব্র্যান্ডের প্রচার ও খুব ভালো ভাবে করা সম্ভব। হয়।“ যেমন: আপনি একটি পোষ্ট লিখলেন, “নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ। আপনি ঠিক রকম একটি ভিডিও স্লািইড শো, বা ফেস ব্যবহার করে একটি ভিডিও বানালেন এবং ওই ভিডিও টি ইউটিউবে ছাড়লেন। এখন ডেসক্রিপশন বাক্সে এ আপনার সাইটের বা পোষ্টর লিংক টা দিয়ে দিন । এতে আপনার সাইটের ট্রাফিক পেলেন। আপনার ভিডিও টি সার্চের প্রথম পাতায় আসতে পারে যদি ভালো করে অপটিমাইজ কেরতে পারেন।

টেক্সট থেকে ভিডিওর গুরুত্ব ?
*বড় কোন আর্টিকেল পড়া অনেকেই পছন্দ করে না। এ ধরনের *অডিয়েন্সদের আপনার ওয়েবসাইটে নিয়ে আসার জন্য ভিডিও খুব ভালো একটা মাধ্যম
*ভিডিও যে কোন ডিভাইস ( মোবাইল, ল্যাপটপ, ট্যাব ) থেকে খুব সহজেই দেখা যায়।
*সোসাল মিডিয়ায় ভিডিও শেয়ার করা সহজ ।
*আপনার মূল্যবান তথ্য খুব সহজেই সুন্দর এবং সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশ করতে পারেন।
*ভিডিও সঠিকভাবে অপ্টিমাইজ করে পোস্টিং এর মাধ্যমে সেটা *গুগুল ভিডিও সার্চ পেজের প্রথমেই থাকার সম্ভাবনা থাকে ।
http://Youtube.com,
http://vimeo.com,
http://viddler.com,
http://metacafe.com,
http://dailymotion.com

কমেন্ট লিংক (Comment Links)
আপনি আপনার সাইটের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল রেখে অন্যান্য মানসম্মত ব্লগের আর্টিকেলে কমেন্টের মাধ্যমে আপনার সাইটের জন্য ব্যাকলিংক পেতে পারেন।

নিচের পদ্ধতিতে নিজের কীওয়ার্ড রিলেটেড ব্লগ খুজে বের করুন।
ধরুন আপনি এসইও SEO কিওয়ার্ড বা SEO রিলেটেড ওয়েবসাইট এর জন্য কমেন্ট ব্যাকলিংক করার জন্য ব্লগ খুজছেন তাহলে নিচের মতো করে SEO এর জায়গায় অন্য যেকোন কিওয়ার্ড লিখে গুগলে সার্চ দিলে অনেক সাইট পাবেন যেগুলো থেকে কোয়লিটি ব্যকলিংক করতে পারবেন। তবে অবশ্যই ইন্টারনেট থেকে পি এ , ডি এ চেক করে তার পর ব্যকলিংক করবেন।
বি:দ্র: রিলেভেন্ট সাইট ছাড়া ব্যাকলিংক করলে স্পামিং হবে এবং সাইটের জন্য ক্ষতিকর।

আরেকটি কথা: যে শুধু কমেন্ট সেকশন এ গিয়ে লিখলেন যে, ”নাইচ”, “দারুন” এরকম লিখে আপনার সাইটের লিংক দিয়ে চলে আসলেন তাহলে আপনার কমেন্ট আপ্রভুপ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তাই এরকম করে লিখতে হবে যে, আমি আপনার পোষ্ট টি পড়ে এই এই বিষয় সম্পর্কে জানলাম এবং আমার ভালো লেগেছে এবং আমি আরো ভালো পোষ্ট পেতে চাই, আমার ও এরকম একটি পোষ্ট রয়েছে , লিখে আমার সাইটের লিংক দিয়ে দিবেন ।
“SEO” site:.gov inurl:blog “post a comment”
“SEO” site:.edu inurl:blog “post a comment”
“SEO” “This blog uses premium CommentLuv”
“SEO” “Notify me of follow-up comments?”
“SEO” “add to this list” site:squidoo.com
লেখাটি ভালো লেগে থাকলে অবশ্যই শেয়ার করবেন, ধন্যবাদ।

অফপেজ অপটিমাইজেশন করার জন্য আপনাকে নিম্নরূপ কাজগুলো করতে হবে–
1. Web 2.0
2. link building বা Backlinks
3 Directory Submission
4. Social Media সাইটে লিঙ্ক শেয়ার করা
5. Email Marketing
6. Video Marketing
7. Forum Posting
8. Document Sharing
9. RSS Feed Submission
10. Press Release
11. Guest Posting
12. Article Submission
13. Blog comments

সবশেষে বলব, শুধু ব্যাকলিংকের জন্য ব্যাকলিংক করে কোন লাভ নাই। এটা আপনার ওয়েবসাইটকে হয়ত ১সপ্তাহের জন্য গুগলের টপ সার্চে নিয়ে আসবে কিন্তু পরে ওয়েবসাইটকে গুগলের কোথাও খুজে পাবেননা। পেঙ্গুইন আপডেটের পর যারা ব্যাকলিংক তৈরি করতে পারাকে এসইওর কাজ মনে করে তাদের অনেকেই ইতিমধ্যে এসইওর জগত থেকে বিদায় নিয়েছে আরও অনেকের বিদায় নেয়ার সময় হয়েছে। ৫০০০-১০০০০ ব্যাকলিংক করে এখন আর গুগলের টপে আসা যায়না। টপে আসতে হলে রিলেটেড সাইট সময় নিয়ে খুজে বের করে কোয়ালিটি ব্যাকলিংক তৈরি করতে হয়।




সফল সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংয়ের ২৬টি অব্যর্থ উপায় – মেগাপোস্ট

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংয়ের গ্রহণযোগ্যতার দিক থেকে অনেক আগেই যে ব্যবসায়িক প্রচারণার সর্বোচ্চ স্থানটি দখল করে নিয়েছে এতে কোন সন্দেহ নেই। আপনারা কি এর গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ চান? তাহলে নিচের পরিসংখ্যানই এর যুক্তিযুক্ত প্রমাণ দিতে সক্ষম:

সফল সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংয়ের ২৬টি অব্যর্থ উপায় - মেগাপোস্ট

  • ৮৬% marketer তাদের প্রচারণার কাজে social media marketing-এর ব্যাপারে একমত হয়েছেন।
  • social media marketing-এ যতটুকু বিনিয়োগ করা হয় পরবর্তী পাঁচ বছরের মধ্যে তার ডাবল return পাওয়া যায়।
  • ৭৪% marketer লিড জেনারেশনের ক্ষেত্রে Facebook-এর গুরুত্বের কথা স্বীকার করেছেন।
  • ৯২% ভোক্তা অন্য কোন মার্কেটিং এর তুলনায় social media marketing-এর মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের উপর সহজেই বিশ্বাস করেন।
  • ৭৪% marketer বলেছেন, social media marketing-এ সাপ্তাহে কেবলমাত্র ৬ ঘন্টা ব্যয় করলেই ওয়েব সাইটের ট্রাফিক বাড়ানো যায়।
  • ১০০% ব্যবাসায়ী বর্তমানে ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারে ব্যবসায়িক মিটিং গুলো  social media-তেই সেরে ফেলেন।
  • ৫৩% লোক Twitter recommend-এর উপর আস্থা আনেন এবং এর মধ্যে ৪৮% লোক Twitter recommend-করা পণ্য কিনতে আগ্রহী হয়।

আশা করি social media marketing এর গুরুত্ব বুঝতে আর কোন বাধা রইলো না। বাকি রইলো জানার কি করে social media marketing-এ সফল হবেন? আর অপেক্ষা নয়, চলুন মূল আলোচনায়:

এক নজরে বিস্তারিত [hide]

Facebook

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংয়ের উপায়, সোশ্যাল মিডিয়া, ফেসবুক মার্কেটিং, টুইটার মার্কেটিং, পিন্টারেস্ট মার্কেটিং, ইউটিউব মার্কেটিং, ভিডিও মার্কেটিং, অনলাইন মার্কেটিং

Facebook –এ আপনার পণ্যকে জনপ্রিয় করে তোলার সবচেয়ে ভাল উপায় হল আকর্ষণীয় ছবি ব্যবহার করা। আর তা হতে পারে সরাসরি আপনার পণ্যের বা সেবার ছবি কিংবা বেনার। তবে আপনাকে অবশ্যই এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে তা যেন অবশ্যই প্রাসঙ্গিক গ্রুপ বা পেজে পোষ্ট করা হয়। তা না হলে তা মার্কেটিং এর পরিবর্তে ডি- মার্কেটিং হবে।

1. অতীতকালের ছবি: Facebook-এ অতীতকালের ছবি আলোচনার ঝড় তুলতে সক্ষম। তাই খুঁজে বের করুন আপনার কিংবা আপনার কোম্পানির অতীতকালের বা স্মৃতিময় ছবি যা আপনার Follower-দের মধ্যে আবেগ সৃষ্টি করবে।

2. জনপ্রিয় বিষয়: Facebook-এ খুঁজে বের করুন কোন বিষয় গুলো নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে। জনপ্রিয় বিষয় গুলোর সাথে সামঞ্জস্য রেখে আপনার লক্ষ্য নির্ধারণ করুন এবং উক্ত বিষয় সম্পর্কিত পোষ্ট বা স্টেটাস দিন।

3. Quotes: Quotes image সবচেয়ে বেশি ভোক্তা আগ্রহ তৈরি করতে পারে। যেমন নিম্নের চিত্রটি লক্ষ করুন,

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংয়ের উপায়, সোশ্যাল মিডিয়া, ফেসবুক মার্কেটিং, টুইটার মার্কেটিং, পিন্টারেস্ট মার্কেটিং, ইউটিউব মার্কেটিং, ভিডিও মার্কেটিং, অনলাইন মার্কেটিং

4. Fill in the blanks: Fill in the blanks-টাইপের স্টেটাস দিন। blanks-এর অংশটি আপনার বন্ধুরা কমেন্টস করে ফিলআপ করবে। এতে আপনি যেমন আপনার বন্ধদের মতামত সম্পর্কে জানতে পারবেন, বন্ধদরাও আপনার ব্যাপারে তাদের ধারণা ও পরমর্শ দিতে পারবেন। এই ব্যাপারে আরো পরিষ্কার ধারণা নেয়ার জন্য নিম্নের চিত্রটি লক্ষ করুন,

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংয়ের উপায়, সোশ্যাল মিডিয়া, ফেসবুক মার্কেটিং, টুইটার মার্কেটিং, পিন্টারেস্ট মার্কেটিং, ইউটিউব মার্কেটিং, ভিডিও মার্কেটিং, অনলাইন মার্কেটিং

5. প্রশ্ন করা: Facebook-এ ‍Followers-দের এনগেজ রাখার অন্যতম একটি উপায় হল question poll। এই পক্রিয়ায় খুব সহজেই আপনার বন্ধু কিংবা ‍Followers-দের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া এটি Facebook-এর অন্যান্য কৌশল এর চেয়ে অনেক বেশি কার্যকরীও বটে। এই পক্রিয়ায় আপনি খুব সহজেই মতামত যাচাই করে আপনার লক্ষ নির্ধারণ করতে পারবেন। নিম্নের চিত্র আরো পরিষ্কার ধারণা দিবে:

18. Event hashtags: আপনার কোন ইভেন্ট থাকলে hashtags করতে পারেন। এটি সোস্যাল মার্কেটিং-এর নতুন একটি কৌশল।

LinkedIn

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংয়ের উপায়, সোশ্যাল মিডিয়া, ফেসবুক মার্কেটিং, টুইটার মার্কেটিং, পিন্টারেস্ট মার্কেটিং, ইউটিউব মার্কেটিং, ভিডিও মার্কেটিং, অনলাইন মার্কেটিং

লিঙ্কডইন শিল্প-বাণিজ্যের কন্টেন্ট প্রকাশ করার ক্ষেত্রে আরও সহায়ক একটি প্ল্যাটফর্ম।

19. Detailed content: আপনার পণ্য বা সেবার বিষয়বস্তু নিয়ে আরো গভীর বিশ্লেষণ করে ব্লগ লিখুন এবং সেগুলো লিঙ্কডইন-এ শেয়ার করুন।

20. Ask questions in groups: লিঙ্কডইন হল সম্পূর্ণ প্রফেশনাল সোস্যাল মিডিয়া সাইট। আমি লক্ষ্য করেছি, খুব সাধারণ একটি প্রফেশনাল প্রশ্নও লিঙ্কডইন-এ আলোচনার ঝড় তুলতে সক্ষম ।

21. eBooks: যেহেতু LinkedIn অনেক বেশি প্রফেশনাল সোস্যাল মিডিয়া সাইট সেহেতু এখানে আপনি আপনার eBooks গুলো শেয়ার করতে পারেন।

Instagram

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংয়ের উপায়, সোশ্যাল মিডিয়া, ফেসবুক মার্কেটিং, টুইটার মার্কেটিং, পিন্টারেস্ট মার্কেটিং, ইউটিউব মার্কেটিং, ভিডিও মার্কেটিং, অনলাইন মার্কেটিং

Instagram হল এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে আপনার কোম্পানি বা ব্রাণ্ডের লাইফ স্টাইল উপস্থাপন করতে পারবেন।

22. Fun employee photos: আপনার কোম্পানির employee ’রা কি খুব fashionable? তারা কি সবসময় দুপুরে খাওয়ার জন্য স্বাস্থসম্মত খাবার নিয়ে আসেন? তাহলে তাদের নিয়ে একটি সিরিয়াল তৈরি করতে পারেন।
23. Behind the scenes: এখানে আপনি আপনার কোম্পানির employee ’দের সাধারণ জীবন –যাপন কিংবা অফিসিয়াল আচরণের বাইরে ভিন্নধর্মী মজার আচরণ গুলো তুলে ধরতে পারেন। এটা আপনার কোম্পানির স্বচ্ছতা প্রকাশ করতে সহায়তা করবে।

24. Products: ঘন ঘন পণ্য বা সেবার ছবি আপলোড করলে একগেয়েমি সৃষ্টি হয়। এর চেয়ে বরং কোথায় এবং কিভাবে এই পণ্য বা সেবা তৈরি করা হয়, এই ধরনের ছবি আপলোড করুন।
25. Video: আপনার পণ্য বা সেবার Video তৈরি করে এখানে আপলোড করতে পারেন যা আপনাকে ভিডিও মার্কেটিং এর সুবিধা দিবে। এছাড়া কর্মীদের কর্মব্যস্ত মুহূর্ত গুলোরও ভিডিও ধারণ করে দিতে পারেন।
26. Your blog content: সবগুলো প্ল্যাটফর্মে আপনার দৃঢ় অবস্থান তৈরি হলে একের পর এক blog content সবকয়টি প্ল্যাটফর্মে শেয়ার দিন। আর এভাবেই আপনি একজন সফল অনলাইন মার্কেটার হতে পারবেন।

 

Source Link