image_pdfimage_print

টিকটক-উইচ্যাট নিষিদ্ধে নির্বাহী আদেশে ট্রাম্পের সই

চীনভিত্তিক প্রযুক্তি কোম্পানি বাইটডান্স নিয়ন্ত্রিত শর্ট ভিডিও তৈরির সোস্যাল মিডিয়া অ্যাপ টিকটক যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ করতে নির্বাহী আদেশে সই করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুধু তা-ই নয়; একই সঙ্গে আরেক চীনা ইন্টারনেট কোম্পানি টেনসেন্ট নিয়ন্ত্রিত টেক্সট ও ভয়েস মেসেজিং অ্যাপ উইচ্যাটকেও যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ করতে দ্বিতীয় আরেকটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন। উভয় নির্বাহী আদেশ কার্যকর হবে ৪৫ দিন পর। অর্থাৎ দেড় মাস পর বাইটডান্স ও টেনসেন্টের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে সব ধরনের আর্থিক লেনদেন বন্ধ হয়ে যাবে এবং বন্ধ থাকবে প্রতিষ্ঠান দুটি নিয়ন্ত্রিত সেবা টিকটক ও উইচ্যাটের কার্যক্রম। খবর বিবিসি। গত বৃহস্পতিবার ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বাক্ষরিত নির্বাহী আদেশে বলা হয়, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি টিকটক ও উইচ্যাট। যে কারণে সেবা দুটির নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া উচিত। মার্কিন প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশ বৈশ্বিক প্রযুক্তি খাতে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের দ্বন্দ্বে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করা হচ্ছে। গত সপ্তাহে নিরাপত্তা দুর্বলতার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে টিকটক নিষিদ্ধে নির্বাহী আদেশে সই করার ঘোষণা দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে বাইটডান্সকে টিকটকের যুক্তরাষ্ট্রের কার্যক্রম মার্কিন কোনো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির পরামর্শ দিয়েছিলেন। এরই মধ্যে টিকটকের যুক্তরাষ্ট্রের কার্যক্রম অধিগ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সফটওয়্যার জায়ান্ট মাইক্রোসফট। বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বেইজিং। যেখানে হুশিয়ার করা হয়, চীন টিকটক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনো পদক্ষেপ নাকচ করতে সক্ষম। বেইজিংয়ের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় শর্ট ভিডিও তৈরির অ্যাপ টিকটকের স্থানীয় কার্যক্রম নানা অজুহাত ও অপকৌশলে বাগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন, যা কোনো পরিস্থিতিতেই মেনে নেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছে চীন। সম্প্রতি চায়না ডেইলির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বৈশ্বিক প্রযুক্তি শিল্পে প্রতিযোগিতা নয়; একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করছে। যুক্তরাষ্ট্রে চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মিত হেনস্তার শিকার হচ্ছে। চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর অগ্রগতি থামাতে একের পর এক অন্যায় অভিযোগ করা হচ্ছে। মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোকে টেক্কা দিতে সক্ষম সব চীনা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন তথ্য নিরাপত্তার অভিযোগ তুলছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবসার দিক থেকে দাবিয়ে রাখতে পরিকল্পিত ধ্বংসলীলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিবেদনে যোগ করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের এমন অপকৌশলের জবাব দেয়ার যথেষ্ট সুযোগ ও পন্থা চীনের হাতে রয়েছে। চীন প্রশাসন তাদের পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ চালানো শুরু করলে তা মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য খুব একটা ইতিবাচক হবে না। অন্যদিকে গত সোমবার মাইক্রোসফটের বিবৃতিতে বলা হয়, তারা টিকটকের যুক্তরাষ্ট্রের কার্যক্রম অধিগ্রহণে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। টিকটক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অধিগ্রহণ বিষয়ে আলোচনাতেও বসেছে মাইক্রোসফট। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টিকটকের যুক্তরাষ্ট্র কার্যক্রমের মালিকানা বদল না হলে জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে দেশটিতে টিকটকের কার্যক্রম বন্ধ করা হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে মনে হলে চীনভিত্তিক সফটওয়্যার জায়ান্টগুলোর বিষয়ে আগামীতে ব্যবস্থা নেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। তার ভাষ্যে টিকটক সরাসরি চীনা কমিউনিস্ট পার্টিকে তথ্য দিচ্ছে। যদিও চীন সরকারের সঙ্গে তথ্য শেয়ার বা চীন সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে টিকটক কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি এক সাক্ষাত্কারে মাইক পম্পেও বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন চীনভিত্তিক সফটওয়্যার কোম্পানি বা তাদের সেবার বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হবে। এ ধরনের অসংখ্য প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসা করছে, যারা চীন সরকারের কাছে তথ্য পাচার করছে বলে আমরা মনে করছি। এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের মধ্যে রয়েছে ফেসিয়াল রিকগনিশন প্যাটার্ন, ঠিকানা, ফোন নম্বর ও কনট্যাক্ট। অন্যদিকে অনেক রিপাবলিকান সিনেটর টিকটকের যুক্তরাষ্ট্রের কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণ অন্য প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির পরিকল্পনায় সম্মতি দিয়েছেন। সঠিক উত্তর কী হতে পারে? মাইক্রোসফটের মতো প্রতিষ্ঠানের হাতে টিকটকের নিয়ন্ত্রণ যাওয়া। এতে দুই কুল রক্ষা হবে। প্রতিযোগিতাও বাঁচিয়ে রাখা যাবে, আবার চীনা কমিউনিস্ট পার্টির হাত থেকে তথ্য বাঁচানো যাবে বলে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা এড়াতে এরই মধ্যে টিকটকের প্রধান কার্যালয় চীন থেকে সরানোর উদ্যোগ নিয়েছে বাইটডান্স। চীনের বাইরে প্রধান কার্যালয় নির্মাণে টিকটকের কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে লন্ডন। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। যে কারণে লন্ডনের পাশাপাশি অন্যান্য অঞ্চল নিয়েও ভাবতে হচ্ছে টিকটক কর্তৃপক্ষকে। কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনতে এর আগে ওয়াল্ট ডিজনির সাবেক কো-নির্বাহী কেভিন মেয়ারকে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে টিকটক। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। টিকটকের নতুন সিইও প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ওঠা চীন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ এড়াতে চীনের বাইরে কার্যালয় নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছেন।

Continue Reading

ওরাকল-টিকটকের চুক্তি পর্যালোচনা করবে হোয়াইট হাউজ

চীনভিত্তিক বাইটডান্স নিয়ন্ত্রিত শর্ট ভিডিও তৈরির সোস্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম টিকটক নিজেদের মার্কিন কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখতে ওরাকল করপোরেশনের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়েছে। বহুল আলোচিত এ চুক্তি পর্যালোচনা করা হবে বলে গত মঙ্গলবার জানিয়েছেন হোয়াইট হাউজের উপদেষ্টা জারেদ কুশনার। খবর রয়টার্স। গত ৬ আগস্ট মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে টিকটক নিষিদ্ধে এক নির্বাহী আদেশে সই করেন। ওই আদেশে বলা হয়, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি টিকটক। যে কারণে টিকটকের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া উচিত। শুধু টিকটক নয়; একই সঙ্গে আরেক চীনা ইন্টারনেট কোম্পানি টেনসেন্ট নিয়ন্ত্রিত টেক্সট ও ভয়েস মেসেজিং অ্যাপ উইচ্যাটকেও যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ করতে দ্বিতীয় আরেকটি নির্বাহী আদেশে সই করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে টিকটকের মার্কিন কার্যক্রম যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে দিতে সময় বেঁধে দেয়া হয়, যা গত মঙ্গলবার শেষ হয়। নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মার্কিন কার্যক্রম চালু রাখতে ওরাকলের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়েছে টিকটকের প্যারেন্ট কোম্পানি বাইটডান্স। কিন্তু নির্বাহী আদেশে মার্কিন কার্যক্রম যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে দেয়ার কথা বলা হয়েছে। যে কারণে ওরাকলের সঙ্গে কী ধরনের চুক্তিবদ্ধ হয়েছে টিকটক কর্তৃপক্ষ তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখতে চাইছে হোয়াইট হাউজ। টিকটকের যুক্তরাষ্ট্রের কার্যক্রম কিনতে একগুচ্ছ মার্কিন কোম্পানি রীতিমতো প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছিল। শুরুতে বৈশ্বিক সফটওয়্যার জায়ান্ট মাইক্রোসফট অ্যাপটির যুক্তরাষ্ট্রের কার্যক্রম কিনতে আলোচনা শুরু করলেও পরে এ প্রতিযোগিতায় নাম লিখিয়েছে মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটার। টিকটকের যুক্তরাষ্ট্রের কার্যক্রম কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ওরাকল করপোরেশন। তবে ওরাকল শুধু টিকটকের যুক্তরাষ্ট্রের কার্যক্রম নয়; একই সঙ্গে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের কার্যক্রমও কেনার প্রস্তাব দিয়েছিল। ওরাকল টিকটকের যুক্তরাষ্ট্রের কার্যক্রম কিনতে অ্যাপটির কয়েকটি মার্কিন বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করে আসছিল। এ নিয়ে টিকটকে বিনিয়োগ থাকা জেনারেল আটলান্টিক ও সিকোইয়া ক্যাপিটালের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনায় বসেছিল প্রতিষ্ঠানটি। শেষ পর্যন্ত তড়িঘড়ি করে কী ধরনের শর্তে প্রতিষ্ঠান দুটি চুক্তিবদ্ধ হয়েছে তা এখনো পরিষ্কার নয়। টিকটক নিজেদের কার্যক্রম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি আরো কয়েকটি দেশে চাপে রয়েছে। বিবৃতিতে টিকটক জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে তাদের ব্যবসা ধ্বংস করতে অপ্রত্যাশিত পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এমনকি তাদের যুক্তরাষ্ট্রের কার্যক্রম বিক্রি করতে বাধ্য করার মতো পরামর্শ দেয়া হয়েছে। তথ্য নিরাপত্তার অজুহাতে দেশটিতে তাদের সঙ্গে অবিচার করা হচ্ছে। যে কারণে বিষয়টি নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি আইনের আশ্রয় নেয়া পর্যন্ত সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল। টিকটক ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা ও হুঁশিয়ারি দিয়েছে চীন। বেইজিংয়ের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় শর্ট ভিডিও তৈরির অ্যাপ টিকটকের স্থানীয় কার্যক্রম নানা অজুহাত ও অপকৌশলে বাগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন, যা কোনো পরিস্থিতিতেই মেনে নেয়া হবে না। বৈশ্বিক প্রযুক্তি শিল্পে প্রতিযোগিতা নয়; একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করছে। যুক্তরাষ্ট্রে চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মিত হেনস্তার শিকার হচ্ছে। চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর অগ্রগতি থামাতে একের পর এক অন্যায় অভিযোগ করা হচ্ছে। মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোকে টেক্কা দিতে সক্ষম সব চীনা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন তথ্য নিরাপত্তার অভিযোগ তুলছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবসার দিক থেকে দাবিয়ে রাখতে পরিকল্পিত ধ্বংসলীলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের এমন অপকৌশলের জবাব দেয়ার যথেষ্ট সুযোগ ও পন্থা চীনের হাতে রয়েছে।

Continue Reading

ফেসবুক আইডি হ্যাকড হলে সাথে সাথেই যা করবেন

নিজের ফেসবুক অনেকেই হ্যাক করার চেষ্টা করে আর এতে হ্যাকাররা অনেক সময় সফলও হয়ে যায়। আর যে কারো আইডি হ্যাক করেই হ্যাকার ক্ষতি করতে পারেন। সেটা অন্য কারো আইডিতে বাজে মেসেজ হোক বা নিজের পার্সোনাল অনেক বিষয়ে জেনে যেতে পারে। তবে ক্ষতি হ্যাকার করলেও নাম কিন্তু ব্যবকারীরই পরে। সেক্ষেত্রে আইডি হ্যাক হওয়ার সাথে সাথেই পদক্ষেপ […]

Continue Reading

মেসেঞ্জারে বড় পরিবর্তন আনছে ফেসবুক

সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকের বার্তা আদান-প্রদান মাধ্যম মেসেঞ্জার। বর্তমান দুনিয়ায় এটিই সবচেয়ে জনপ্রিয় বার্তা প্রদানের মাধ্যম। কিন্তু এর মাধ্যমে অনেক সময় ছড়িয়ে পড়ে ভুল এবং ক্ষতিকর তথ্য। অনেক সময় ক্ষতিকর বা ভুল তথ্যও ভাইরাল হয়। এবার এই সমস্যা সমাধান করতে মেসেঞ্জারে ফরোয়ার্ডের সুযোগ সীমাবদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ফেসবুক জানিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপের মতো একসঙ্গে পাঁচজনের বেশি বন্ধুকে […]

Continue Reading

১০০ টাকায় সারামাস ইন্টারনেট পাবেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা

দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখার জন্য নামমাত্র মূল্যে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ দেবে সরকারি মোবাইল অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড। ইউজিসি পরিচালিত বিডিরেন প্লাটফর্ম ব্যবহারকারী দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই সুবিধা পাবে। বর্তমানে ৪২টি পাবলিক ও ৬৮টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিডিরেন প্লাটফর্ম ব্যবহার করছে। ছাত্রছাত্রীরা জুম অ্যাপলিকশনের মাধ্যমে অনলাইনে ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে পারবে। […]

Continue Reading

অনলাইনে ইনকাম বা আউটসোর্সিং এর সঠিক দিক নির্দেশনা

বর্তমান সময়ে চাকরির প্রায় বিকল্প হয়ে উঠেছে আউটসোর্সিং।  আউটসোর্সিং করে আজকাল অনেকেই স্বাবলম্বী হচ্ছেন। অনেকেই আউটসোর্সিং কে পার্ট টাইম জব হিসেবে বেছে নিচ্ছেন অর্থাৎ কাজের ফাকে ফাকে আউটসোর্সিং করে বাড়তি আয় করছেন আবার অনেকে এটিকেই পেশা হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। এতে যেমন বাংলাদেশে বেকারত্বের হার কমে যাচ্ছে তেমনি বাংলাদেশও বৈশ্বিক জিডিপিতে এগিয়ে যাচ্ছে। আউটসোর্সিং শুরু করার […]

Continue Reading

কিভাবে একজন গৃহিনী ঘরে বসে অনলাইন হতে টাকা ইনকাম করতে পারেন ও পেমেন্ট পাবেন বিকাশ/ রকেটের মাধ্যমে।

একজন গৃহিনী কর্তৃক অনলাইন হতে টাকা ইনকাম এর বিষয়টি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অবাস্তব, অবান্তর ও ভ্রান্ত ধারনার ন্যায় একটি গল্প কাহিনী। একজন বাংলাদেশী আধুনিক উচ্চ শিক্ষিতা নারী সহজে অনলাইনে আয়ের বিষয়টি বিশ্বাস করতে চাইবে না। সেই হিসেবে একজন গ্রামের অল্প শিক্ষিতা মেয়ে অনলাইনে আয়ের বিষয়টি বিশ্বাস করার কোন প্রশ্নই আসে না। আপনি গ্রামের কিংবা শহরের যেখানের […]

Continue Reading
ইন্টারনেট মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলছে। মানুষ এখন অনলাইনে অর্থ আয়ের জন্য নানা কৌশল প্রয়োগ করছে। অনলাইনে আয়ের নানা পথও তৈরি হয়েছে। তবে অনলাইনে কাজ করে আয় করতে গেলে কোন প্ল্যাটফর্ম ধরে এগোচ্ছেন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। অনলাইনে আয় করার নানা সুযোগ থাকলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রতারণার মুখে পড়তে হতে পারে। অনলাইনে কাজ করে রাতারাতি কোটিপতি বনে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাই এ ধরনের প্রতারণামূলক কাজের ক্ষেত্র থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখতে হবে। কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, ওয়েবসাইট ও রিসোর্স আছে, যা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে আয় করতে পারবেন। জেনে নিন এসব সম্পর্কে: ফ্রিল্যান্সিং অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার বিষয়টি সবচেয়ে জনপ্রিয়। বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সারদের দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে ফ্রিল্যান্স কাজের সুযোগ দেয় কয়েকটি ওয়েবসাইট। সেখানে অ্যাকাউন্ট খুলে দক্ষতা অনুযায়ী কাজের জন্য আবেদন করতে হয়। কাজদাতা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী যোগাযোগ করে ফ্রিল্যান্সারকে কাজ দেয়। কয়েকটি ওয়েবাসাইটে কাজের দক্ষতার বিবরণ জানাতে হয়, যাতে ক্রেতা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন। এসব সাইটের মধ্যে ফাইভার ডটকম, আপওয়ার্ক ডটকম, ফ্রিল্যান্সার ডটকম ও ওয়ার্কএনহায়ার ডটকমে ফ্রিল্যান্সিং কাজ পাওয়া যায়। ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০০ ডলার পর্যন্ত আয় করা যায় এসব সাইট থেকে। মনে রাখতে হবে, কাজ শেষ করার পর কাজদাতার অনুমোদন পেলেই তবেই অর্থ ছাড় দেবেন তিনি। এ ক্ষেত্রে কাজের মানের ওপর কাজদাতা রেটিং দিতে পারেন। গ্রাহকের পছন্দ না হওয়া পর্যন্ত কাজ করে দিতে হয় ফ্রিল্যান্সারকে। বিভিন্ন অনলাইন পেমেন্ট মাধ্যম ব্যবহার করে অর্থ আনা যায়। নিজের ওয়েবসাইট তৈরি এখন নিজের ওয়েবসাইট তৈরির জন্য অনলাইনেই অনেক উপাদান পাওয়া যায়। এর মধ্যে ডোমেইন নির্বাচন, টেমপ্লেট ও ওয়েবসাইট তৈরির নকশা প্রভৃতি। যখন পাঠক বা দর্শককে ওয়েবসাইটের বিভিন্ন কনটেন্ট সেবা দেওয়ার প্রস্তুতি সারা, তখন গুগল অ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারেন। গুগলের বিজ্ঞাপন যখন সাইটে দেখানো শুরু হবে এবং তাতে ক্লিক পড়বে, তখন আয় আসতে শুরু করবে। ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বা দর্শক যত বেশি হবে, আয়ের পরিমাণ তত বাড়বে। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এই পদ্ধতিতে আয়ের ক্ষেত্রেও নিজের ওয়েবপেজ বা ব্লগ প্রয়োজন। যখন ওয়েবসাইট বা ব্লগ চালু হবে, তখন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লিংক তাতে যুক্ত করতে পারবেন। যখন আপনার সাইট থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবা কোনো দর্শক কিনবেন, তখনই আপনার আয় আসতে শুরু করবে। গ্রাফিকস ডিজাইন অনলাইনে ঘরে বসে আয়ের ক্ষেত্রে গ্রাফিকস ডিজাইন ভালো উপায়। যাঁরা এই কাজে দক্ষ, তাঁরা বিভিন্ন ডিজাইন অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে দিয়ে রাখেন। সেখান থেকে তাঁদের আয় আসে। তাঁদের তৈরি একটি পণ্য অনেকবার বিক্রি হয়, অর্থাৎ একটি ভালো নকশা থেকেই দীর্ঘদিন পর্যন্ত আয় হতে থাকে। অনলাইনে এ ধরনের অনেক ওয়েবসাইটে গ্রাফিকসের কাজ বিক্রি করা যায়। এ ছাড়া অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতেও গ্রাফিকস ডিজাইনারদের অনেক চাহিদা রয়েছে। জরিপ, সার্চ ও রিভিউ অনলাইন জরিপে অংশ নিয়ে অর্থ আয় করতে পারেন। অনেক ওয়েবসাইট জরিপে অংশ নিলে অর্থ দেয়। এ ছাড়া অনলাইন সার্চ ও পণ্যের পর্যালোচনা লিখে আয় করতে পারেন। তবে, এ ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের পাশাপাশি ক্রেডিট কার্ড বা ব্যাংকিং তথ্য দেওয়া লাগতে পারে। তাই এ ক্ষেত্রে কাজ করার সময় সতর্কভাবে কাজ করতে হবে। এ বিষয়ে কাজের সময় কোনটি প্রকৃত কাজ আর কোনটি স্ক্যাম—যাচাই-বাছাই করে নিয়ে কাজ করতে পারেন। ভার্চ্যুয়াল সহকারী এখন ভার্চ্যুয়াল সহকারীদের কাজের ক্ষেত্র বেড়েছে। ঘণ্টাপ্রতি আয়ও বেশি। বাড়ি থেকে করপোরেট অফিসের নানা কাজ অনলাইনে করে দেওয়ার সুবিধা আছে এখন। ভার্চ্যুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কর্মী বা নিজের ব্যবসা নিজেই চালানো যায়। বিভিন্ন দক্ষতার ভিত্তিতে ভার্চ্যুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগ দেয় প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ফোন কল, ই-মেইল যোগাযোগ, ইন্টারনাল রিসার্চ, ডেটা এন্ট্রি, এডিটিং, রাইটিং, ব্লগ, গ্রাফিকস, টেক সাপোর্ট, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবস্থাপনার মতো কাজ থাকে। ২৪ / ৭ ভার্চ্যুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট, অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যাচ, ফ্রিল্যান্সার ডটকম, পিপল পার আওয়ার, আপওয়ার্কের মতো সাইটগুলোতে কাজ পাওয়া যায়। অনুবাদ ইংরেজির পাশাপাশি অন্য কোনো ভাষা ভালোভাবে জানা থাকলে সেই দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারেন। বেশ কিছু ওয়েবসাইট আছে যেখানে বিভিন্ন ডকুমেন্ট অনুবাদ করে আয় করতে পারেন। যাঁদের স্প্যানিশ, ফ্রেঞ্চ, আরবি, জার্মানসহ অন্যান্য ভাষা জানা আছে এবং এগুলো থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ বা ইংরেজি থেকে এসব ভাষায় অনুবাদ করতে পারলে ভালো আয় করতে পারবেন। অনেক সময় কাজদাতারা নিজে সময়ের অভাবে অনুবাদের কাজ ফ্রিল্যান্সারদের দিয়ে করিয়ে নেন। ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে এ ধরনের কাজ পাবেন। অনলাইন টিউটর কোনো বিষয়ে যদি আপনার পারদর্শিতা থাকে, তবে অনলাইনে সে বিষয়ে শিক্ষা দিতে পারেন। অনলাইন টিউটরদের এখন চাহিদা বাড়ছে। সব বয়সী শিক্ষার্থীদের আপনি শিক্ষা দিতে পারবেন। এখানে অন্য দেশের শিক্ষার্থীদেরও পড়ানোর সুযোগ রয়েছে। অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে অনলাইন টিউশনির সুযোগ রয়েছে। সেখানে সুবিধামতো সময়ে পড়াতে পারেন ছাত্র। এসব সাইটে নিজের দক্ষতার পরীক্ষা দিতে হয়। একবার নির্বাচিত হয়ে গেলে ওয়েবিনার পরিচালক হিসেবে অনলাইন সেশন পরিচালনা করতে পারেন। দক্ষতা বাড়লে এ ক্ষেত্র থেকে অনেক আয় করার সুযোগ আছে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট এখন আর শুধু বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য নয়। এগুলো কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডের পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়া পরিকল্পকদের প্রচুর অর্থ দেওয়া হয় তাদের ব্র্যান্ডের প্রচার করার জন্য। অনলাইনে গ্রাহক টানা, প্রচার করার জন্য অবশ্য সৃজনশীলতা দরকার। বিভিন্ন পোস্ট তৈরি, ভিডিওর মাধ্যমে ফেসবুক বা অন্যান্য মাধ্যমে প্রকাশ করে তা ভাইরাল করতে পারলে ভালো অর্থ আসে। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফ্যান-ফলোয়ার তৈরিসহ তাঁদের ধরে রাখতে প্রচুর ধৈর্য ও প্রাসঙ্গিক বিষয় হওয়া জরুরি। ওয়েব ডিজাইন এখনকার অনলাইনের কাজের ক্ষেত্রে ওয়েব ডিজাইনের চাহিদা ব্যাপক। কোনো প্রজেক্টে ২০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত সহজে আয় করা যায়। সব ব্যবসায়ী প্রযুক্তিপ্রেমী নন। নিজেদের ওয়েবসাইট তৈরিতে তাঁদের ওয়েব ডিজাইনারের দরকার পড়ে। যাঁরা ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে কাজ করতে চান নিজেদের ওয়েবসাইট খুলে সেখান থেকেই ছোট ব্যবসা দাঁড় করাতে পারেন। ওয়েবসাইট তৈরিতে এখন কোডিং আর ওয়েব ডিজাইন দুটিই গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া ওয়েবসাইট ব্যবস্থাপনা ও হালনাগাদের জন্যও ওয়েব ডিজাইনারকে দরকার পড়ে। ফলে ডিজাইনারকে বসে থাকতে হয় না। ক্লায়েন্ট ও কাজের ওপর ভিত্তি করে ওয়েব ডিজাইনারের আয় বাড়তে থাকে। কনটেন্ট রাইটিং যাঁরা লেখালেখিতে ভালো এবং একাধিক ভাষায় সাবলীল লিখতে পারেন, তাঁদের কাজের জন্য বসে থাকতে হয় না। অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে কাজ করে বা লিখে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। আর্টিকেল লেখার মানের ওপর ভিত্তি করে আয় আসে। কাজদাতা নির্দিষ্ট নীতি মেনে লেখার জন্য বলতে পারেন। নির্দিষ্ট বিষয় বা নিশ ধরে নিজের দক্ষতা বাড়াতে পারলে আয়ের ধারা বেড়ে যায়। ব্লগিং অনেকে শখ করে অনেক বিষয়ে লেখেন। কিন্তু শখের বিষয়টি যদি পেশাগত কাজে লাগাতে পারেন, তবে অনলাইনে আয় করতে পারবেন। ব্লগিং করেও আয় করার সুযোগ আছে। দুই উপায়ে ব্লগ থেকে আয় করা যায়। একটি হচ্ছে নিজের ব্লগ সাইট তৈরি। ওয়ার্ডপ্রেস বা টাম্বলার প্ল্যাটফর্মে বিনা মূল্যে ব্লগ শুরু করতে পারেন। আবার চাইলে নিজে ডোমেইন হোস্টিং কিনে ব্লগ চালু করতে পারেন। তবে নিজে ব্লগ চালু করতে গেলে কিছু বিনিয়োগ করার দরকার হবে। ডোমেইন, হোস্টিং কিনতে হবে। নিজের ব্লগ শুরু করাটাই ভালো। কারণ, এতে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী অনেক পরিবর্তন করার সুযোগ আছে। বিজ্ঞাপন, ফেসবুকের ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল, পণ্যের পর্যালোচনা প্রভৃতি নানা উপায়ে ব্লগ থেকে আয় করতে পারেন। তবে ব্লগ লিখে আয় করতে গেলে রাতারাতি আয় আসবে না। এ জন্য প্রচুর সময় ও ধৈর্য থাকতে হবে। অনেকের ব্লগ থেকে আয় করতে কয়েক বছর পর্যন্ত লেগে যায়। ব্লগে নিয়মিত কনটেন্ট আপডেটসহ তা সক্রিয় রাখতে কাজ করে যেতে হয়। ইউটিউব যাঁরা ব্লগ লিখে আয় করতে স্বচ্ছন্দ নন, তাঁরা ক্যামেরার সাহায্য নিয়ে ভিডিও থেকে আয় করতে পারেন। এ জন্য অবশ্য সৃজনশীল আর ভালো সম্পাদনা জানতে হবে। নিজের ইউটিউব চ্যানেল খুলে তাতে ভিডিও আপলোড করে সেখান থেকে আয় করতে পারেন। আপনার চ্যানেল কোন ক্যাটাগরির এবং তাতে কোন ধরনের ভিডিও রাখবেন, তা আগেই ঠিক করে রাখুন। যে বিষয়ে মানুষের আগ্রহ বেশি, সেই বিষয়ে ভিডিও না রাখলে মানুষ তা দেখবে না। ভিডিও না দেখলে আয় হবে না। বিষয়টি অনেকটাই ব্লগের মতো। তবে এ ক্ষেত্রে কনটেন্ট হচ্ছে ভিডিও। চ্যানেলের সাবসক্রাইবার ও ভিডিও দেখার সময় বাড়লে আয়ের সম্ভাবনা বাড়বে। প্রতি হাজার ভিউয়ের হিসাবে গুগল থেকে অর্থ পাবেন। পিটিসি অনেক ওয়েবসাইট আছে, যাতে রাখা বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলে আপনাকে অর্থ দেওয়া হবে। এ ধরনের সাইটকে পিটিসি সাইট বলে। প্রকল্প শুরুর আগে নিবন্ধন করতে হয়। তবে মনে রাখতে হবে পিটিসি সাইটগুলো বেশির ভাগ ভুয়া হয়। তাই কাজের আগে নিশ্চিত হতে হবে সেটি প্রকৃত সাইট কি না। অনেক সময় বন্ধুতে রেফারেন্স দিয়ে আয় করতে পারেন। ডেটা এন্ট্রি অনলাইনে সহজ কাজগুলোর একটি হচ্ছে ডেটা এন্ট্রি। এ ক্ষেত্রে অবশ্য আয় খুব কম। তবে এ ধরনের কাজ অটোমেশনের কারণে এখন খুব কম পাওয়া যায়। যাঁদের কম্পিউটার, ইন্টারনেট ও দ্রুতগতির টাইপিং দক্ষতা আছে, তাঁরা এ ধরনের কাজ করতে পারবেন। অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সিং সাইটে এ ধরনের কাজ রয়েছে। তবে যাঁদের কোনো কাজে দক্ষতা থাকে, তাঁরা সহজে কাজ পান এবং দ্রুত আয় বাড়াতে পারেন।

ঘরে বসে অনলাইনে বিভিন্ন উপায়ে আয় করা যায়

ইন্টারনেট মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলছে। মানুষ এখন অনলাইনে অর্থ আয়ের জন্য নানা কৌশল প্রয়োগ করছে। অনলাইনে আয়ের নানা পথও তৈরি হয়েছে। তবে অনলাইনে কাজ করে আয় করতে গেলে কোন প্ল্যাটফর্ম ধরে এগোচ্ছেন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। অনলাইনে আয় করার নানা সুযোগ থাকলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রতারণার মুখে পড়তে হতে পারে। অনলাইনে কাজ করে রাতারাতি […]

Continue Reading

আইটি খাতে ৭ দক্ষতার বাজার তুঙ্গে

দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে বিশ্বব্যাপী তথ্যপ্রযুক্তি তথা আইটি মানচিত্র৷ ক্রমাগত বাজারে আসছে নিত্যনতুন ডিভাইস৷ মানুষের জীবনে এখন এদের উপস্থিতি অনিবার্য৷ ফলে প্রযুক্তি পেশাজীবীদের চাকরির বাজার রমরমা পর্যায়ে রয়েছে৷ যুক্তরাষ্ট্রে হাউজিং ব্যবসায় ধস ও তেলের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়তে থাকায় অর্থনৈতিক সঙ্কটময় পরিস্থিতি সত্ত্বেও চৌকস ও দক্ষ আইটি পেশাজীবীদের চাহিদা ক্রমাগত বেড়ে চলেছে৷ যুক্তরাষ্ট্রের যে ৭টি খাতে […]

Continue Reading
image_pdfimage_print